ব্যাংক এশিয়ার 'স্বাধীন’ কার্ডে আসবে ফ্রিল্যান্সারদের অর্জিত অর্থ ।। Bank Asia Sadhin Card

বাংলাদেশের সকল ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সুখবর নিয়ে আসছে ব্যাংক এশিয়া। এখন থেকে ফ্রিল্যান্সারদের ব্যাংক এশিয়ার

ডিজিটাল পেমেন্ট ‘স্বাধীন’ কার্ডের মাধ্যমে তাদের অর্জিত টাকা নিয়ে আসতে পারবেন। ব্যাংক এশিয়া এবং মাস্টারকার্ড পেওনিয়ারের

সঙ্গে একত্রে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সারদের অর্থ লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে পেওনিয়ার একটি জনপ্রিয় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম।

পেওনিয়ারের মাধ্যমে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা upwork.com, freelancer.com-এর মতো মার্কেটপ্লেস থেকে তাদের ফ্রিল্যান্সিং আয় গ্রহণ করে থাকেন।

ফ্রিল্যান্সারদের ব্যাংক এশিয়ার স্বাধীন মাস্টারকার্ড, স্মার্টফোনে ব্যাংক এশিয়া স্মার্ট অ্যাপ এবং পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন হবে।


বেসিস, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড এবং মাস্টারকার্ডের সহযোগিতায় চলতি বছরের শুরুতে এই স্বাধীন মাস্টারকার্ড চালু করে ব্যাংক এশিয়া ।

ব্যাংক এশিয়ার স্বাধীন মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য প্রথম পেমেন্ট সিস্টেম। এই সিস্টেমের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সাররা নিজেদের উপার্জন অনলাইন

মাস্টারকার্ডের সহযোগিতায় মাধ্যমেই পাবেন। তবে তারা এই বিষয়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেবে এবং বাংলাদেশের

 ফ্রিল্যান্সারদের ডিজিটাল কমিউনিটির চাহিদাও পূরণ করবে।

প্রথমে ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংক এশিয়া স্মার্ট অ্যাপ ব্যবহার করে তাঁদের স্বাধীন মাস্টারকার্ডের সঙ্গে নিজস্ব পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট সংযুক্ত করবেন। একবার স্বাধীন কার্ড

পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত হলে, ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংক এশিয়া স্মার্ট অ্যাপ ব্যবহার করে নিজেদের পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স চেক করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সাররা তাঁদের পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট থেকে যেকোনো সময় স্বাধীন কার্ডে টাকা পাঠাতে পারবেন।

বিস্তারিত
ভারত থেকে কি গরু আমদানি করা সম্ভব ?? How to import cow from india?

একটা প্রশ্ন আমাকে অনেকেই করে থাকেন " ভারত থেকে গরু আমদানি করতে চান" আসলে এই উত্তরটা দেয়ার আগে আপনাদেরকে ভারত সম্পর্কে কিছু বলতে চাই। আপনারা জানেন ভারত একটি হিন্দু সংখ্যাগরিস্ঠ দেশ আর আমরা জানি যে হিন্দু ধর্মে গরু  গোমাতা হিসেবে পূজিত এবং গো-মাংস ভক্ষন ও গো-ব্যবসা নিষিদ্ধ । ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে গরু জবাই আইন করে নিষিদ্ধ করা আছে ।
রাষ্ট্রটির বর্তমান সরকারের কঠোর নীতিমালার জন্য দেশটি থেকে গরু আমদানি প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
পৃথিবীর মধ্যে সবচে বেশী গরু পালিত হয় ভারতে। পশ্চিমবংগ এবং কেরালা ছাড়া ভারতের অন্য সব রাজ্যে গরু জবাই করা নিষিদ্ধ।
ফলে বিপূল পরিমান গরু থেকে যায় স্বাভাবিক মৃত্যুর অপেক্ষায়।

এবার আলোচনা করবো বাংলাদেশের মাংসের চাহিদা নিয়ে। বাংলাদেশের মাংসের চাহিদা পূরন করে থাকে প্রধানতঃ গরু, মুরগী এবং খাসি।
এর মধ্যে গরুর মাংসের দাম অপেক্ষাকৃত কম । এক হিসাব অনুসারে বছরে ৫০ কোটি ডলারের বা ৪০০০ কোটি টাকার গরু ভারত থেকে বাংলাদেশে 

চোরাচালানের মাধ্যমে আসে, যা বাংলাদেশের গরুর মাংসের ৫০% এর ও বেশী চাহিদা পূরন করে থাকে । এদিকে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস)
সর্বশেষ হিসাব মতে, দেশে এখন গরুর সংখ্যা ২ কোটি ৮৬ লাখ। এর মধ্যে ১ কোটি ৭৫ লাখ গাভী।
প্রাণিসম্পদ অধিদফতর ও মাংস ব্যবসায়ীদের হিসেবে, দেশে বছরে ১ কোটি ৩০ লাখের মতো গরু ও মহিষ জবাই হয়। এর মধ্যে ৮০ লাখ গরু।
দুই ঈদে প্রায় ৬০-৬৫ লাখ গরুর চাহিদা রয়েছে। অন্য একটি হিসাব বলছে সারাবছরে যে পরিমাণ গরু জবাই হয় তার অর্ধেক প্রয়োজন হয় কোরবানির সময়।
এ কারণে কোরবানির সময় গরু আমদানির প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভারত থেকে কি গরু আমদানি করা সম্ভব ??

ভারতের সংবিধানে বানিজ্যিকভাবে গরু রপ্তানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে । তাই ভারতে ব্যাপক হারে গরু পালন হলেও বানিজ্যিক ভাবে গরু রপ্তানি করতে আইনি বিধি নিষেধ রয়েছে । আর এই কারনেই আমাদের দেশে সীমান্ত পথে ভারতীয় গরু চোরালান হয়ে আসে ।
চো্রাচালানের আর একটি বড় কারন হলো পশ্চিমবঙ্গ ও কেরেলা ব্যতিত অন্যান্য রাজ্যে গরু জবাই আইন করে নিষিদ্ধ করা আছে, কিন্তু এই ব্যাপক হারে পালিত গরু একটা সময়ে রুগ্নপ্রায় হয়ে মৃত্যু্র অপেক্ষায় থাকে যা পালনকারীর জন্য জটিলতার সৃস্টি করে তাই  অবৈধ পথে প্রতিদিন অনেক গরু আসে আমাদের দেশে আর সবথেকে বেশি আসে কোরবানী ঈদ উপলক্ষে কিন্তু কখনই সেটা বৈধ ভাবে নয় ।

বছরে ১৫ থেকে ২০ লক্ষ গরু চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত  থেকে বাংলাদেশে আসে। এই গরুর চামড়াই আবার চোরাচালান হয়ে ফিরে যায় ভারতে। এর প্রধান কারন হল ভারতে এবং বাংলাদেশে গরুর দামে  পার্থক্য। ভারতে যে গরুর দাম ১০০ ডলার তা বাংলাদেশে ৩০০ থেকে ৩৫০ ডলার মূল্যে বিক্রি হয়। ফলে গরু চোরাচালান সবচে লাভ জনক ।
বাংলাদেশে গরুর মাংসের চাহিদা আছে, দাম বেশী অথচ চাহিদার তুলনায় গরুর সংখ্যা কম। বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত সুরক্ষিত নয়।
কারন হল ৪০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত নিশ্ছিদ্র করা সম্ভব নয়। এর উপর আছে সীমান্ত রক্ষীদের উপরি আয়, ফলে ভারত এবং বাংলাদেশের ব্যাবসায়ীদের  জন্য গরু চোরাচালান এক লোভনীয় ব্যাবসা।

তবে আমাদের সরকার ভারত থেকে বৈধপথে গরু আমদানির উদ্যোগ নিয়েছিলো। অনুসন্ধান চলছে গরুর বিকল্প বাজার ও এ লক্ষ্যে মিয়ানমার, ভুটান ও নেপাল থেকে  পশু আমদানি করা হবে। আমিষের প্রধান উৎস গোস্তের সরবরাহ নিশ্চিত ও ভোক্তাদের জন্য তা সহজলভ্য করার চেষ্টা গ্রহণ করা হচ্ছে। ভারত সীমান্তের ৩১ করিডর  দিয়ে গরু আমদানি পুনরায় চালু করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।  এছাড়া বর্ডার হাটগুলোতে গরু বেচাবিক্রি হতে  পারে কি না সে বিষয়ে কৌশল নির্ধারণ করা হবে।

বিস্তারিত
৪ লক্ষ টাকায় শুরু করুন কলম উৎপাদন ব্যবসা ।। Pen Production Business

আজ আমি আপনাদের সামনে একটি উৎপাদনমুখী বিজনেস আইডিয়া শেয়ার করব । কলম আমাদের কাছে একটি প্ররিচিত বস্তু । প্রতিদিন এর ব্যবহার ছাত্র থেকে শুরু করে প্রতিটি পেশাজীবি পর্যন্ত হয়ে থাকে । তাই এর চাহিদা ব্যপক । এর চাহিদা প্রতি লক্ষ রেখে দেশে তৈরি হচ্ছে  কলম উৎপদনের অনেক প্রতিষ্ঠান । তাই আপনি ও চাইলে শুরু করতে নিজস্ব ব্যন্ডের কলম উৎপাদন বিজনেস। নিজস্ব ব্যন্ডের কলম উৎপাদন করতে তেমন বেশি মুলধন প্রয়োজন হয় না । আপনি প্রথমিক আবস্থায় মোটামুটি ৫ লক্ষ টাকা নিলেই হবে। তবে আপনার বিক্রর উপর আপনার ইনবেস্ট বড়াতে  হবে । প্রতি কলম আপনি যদি পাইকারী হিসাবে দেন তাহলে আপনি প্রতি কলমে ১.৫০ টাকা খরচ বাদে  লাভ করতে পারবেন ।

শুরু করা :

এ বিজনেসটি শুরু করতে হলে আপনাকে ভেবে চিন্তে শুরু করতে হবে। কারন এটি একটি উৎপদান ব্যবসা । 
আপনাকে প্রথমে মার্কেট প্লেস তৈরি করতে হবে এবং খুব মানসম্মত কলম তৈরি করতে হবে । বর্তমানে মার্কেটে আনেক কলম রয়েছে তাদের সাথে প্রতিযোগিতা দিতে হবে । এতে আপনাকে প্রথম আবস্থা কিছু কম দরে চাড়তে হবে ।


প্রয়োজনীয় কাচামাল :
এ বিজনেসটিতে আপনার তেমন বেশি কাচামাল এর প্রয়োজন হবে । কলম তৈরির জন্য ।  নিন্মের উপাদান লাগবে ?

১. কালি
২ . কলমের বড়ি
৩. নিপ

কলম তৈরির জন্য মেশিন : ঢাকায় আনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা আপনাকে  মেশিন এনে দিবে । তাদের সাথে আপনি যোগাযোগ করতে পারেন তাছাড়া আপনি যদি নিজে আনতে চান তাহলে আলিবাবা বা কোন ই-কামর্স সাইট থেকে আনতে পারেন । তবে যারা ঢাকায় বিক্রয় করে তারা আপনাকে মেশিন প্ররিচালনা করার জন্য এবং বিপনন ও অন্যন্য বিষয়ে ২ থেকে ৩ দিন টেনিং দিয়ে দিবে । কোন কোন প্রতিষ্ঠান  এটি ফ্রিতে ও দিয়ে থাকে ।

কলম তৈরির র মেটিরিয়াল আপনি ঢাকার চকে পেয়ে যাবেন ।

আভিজ্ঞতা :

এ বিজনেস এর জন্য আপনাকে কলম তৈরিতে বাস্তব অবিজ্ঞতা থাকতে । এবং বিপনন অথাৎ মার্কেট সেল করার অবিজ্ঞতা থাকতে হবে ।

বিপনন:

বর্তমানে আনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাই তাদের সাথে প্রতিযোগিতা দিতে আপনি দোকানদাকে তাদের থেকে বেশি সুযোগ দিন এতে সে আপনার কলম  তারা বেশি চালাবে । এবং মপরসহল এর প্রতিটি দোকানে বিশেষ নজর রাখুন প্রয়োজনে আপনি দোকানদারদের বিশেষ গিপট এর ব্যবস্থা রাখুন ।
সমস্য :

আপনাকে বিপনন করতে গিয়ে আবশ্যই সমস্যর সমুখীন হতে হবে । কারন আপনার পোডাকটি নতুন দোকানীরা বলবে রেখে যান বিক্রি হলে টাকা পাবেন এতে আপনার মর্কেটে আনেক বাকি পড়ে যাবে ।

ইনবেস্টমেন্ট :

এ বিজনেটি যেহেতু একটি উৎপদান মুখী ব্যবসা তাই এতে একটু বেশি ইনবেস্টমেন্ট করতে হবে । আপনি কলম মেশিন বাবদ ৪ লক্ষ টাকা খরচ করতে হবে এবং কলম এর মালামাল বাবদ ৮০ হাজার টাকা গাড়ি বা সাইকেল বাবদ ২০ হাজার টাকা সব মিলিয়ে ৫লক্ষ টাকা প্রথমিক আবস্থায় হলে চলবে ।

লাভ লোকসান : এ বিজনেসটিতে আপনার প্রযুক্তির বা তৈরিগত সমস্যার কারনে আপনি লোকসানের সমুখীন হতে হবে । তবে এতে প্রচুর লাভ রয়েচে । আপনি যদি প্রতি মাসে ২০ হাজার  পিস কলম বিক্রয় করতে পারেন তাহলে আপনি প্রতি মাসে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা আনায়াসে আয় করতে পারবেন ।

বিশেষ সর্তকতা : বর্তমানে এ বিজনেসটি সর্বসাধারনে অনুকুলে নয় । বর্তমানে আনেক নামী-দামী ব্যন্ডের কলম রয়েছে যারা কলম বিক্রয় করতে হিমশিম খাচ্ছে  । তাহলে আপনি বলবেন তাহলে বলবেন এতক্ষন যা তাহলে কি বললেন আমি বলব আপনি না যেনে বা না বুঝে বা কোন মিশিন বিক্রতার কথায় বা ইন্টানেটের কোন টিটেবিয়ালেন কথায় এটি শুরু করবেন না । দেওয়ার আগে বাবুন এবং টেকনিক খুজুন তাহলে আপনি ভালো করবেন । কোন কারনে আপনি লোকসানের সমুখীন হলে এই পোস্ট দায়ী থাকবে না ।

বিস্তারিত
এক ঘণ্টাতেই ৮৩ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি করল আলিবাবা ।। alibaba singles day 2018

অনলাইন বেচাকেনার উৎসব বিবেচিত বার্ষিক সিঙ্গেল ডে পালিত হয় চীন সহ সারা বিশ্বে। সিঙ্গেল ডের প্রথম ঘণ্টাতেই প্রায় ৮৩ কোটি টাকার পণ্য
বিক্রি করেছে চীনের জায়ান্ট আলিবাবা। এ দিনে বিক্রি বাড়াতে পণ্যে সর্বোচ্চ ছাড় দিয়ে থাকে কম্পানিগুলো। ফলে সস্তায় পণ্য নিতে ক্রেতারাও
অনলাইন জগতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে।

আলিবাবা জানায়, বিক্রি শুরুর প্রথম ঘণ্টায় তারা প্রায় ৬৯ বিলিয়ন ইউয়ান (৯.৯২ বিলিয়ন ডলার) পণ্য বিক্রির অর্ডার পান, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে
২১ শতাংশ বেশি। গত বছরের সিঙ্গেল ডেতে প্রথম ঘণ্টায় বিক্রি হয় ৫৭ বিলিয়ন ইউয়ান। সিঙ্গেল ডেকে বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন বিক্রির ইভেন্ট।
গত বছর আলিবাবা ওই দিনে মোট বিক্রি করে ১৬৮ বিলিয়ন ইউয়ান (২৪.১৫ বিলিয়ন ডলার)। এমনকি ২৪ ঘণ্টার প্রথম মিনিটেও বিপুল বিক্রির রেকর্ড করা হয়।

কম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান জ্যাক মার অধীনে এটাই হবে আলিবাবার সর্বশেষ বার্ষিক বিক্রির ইভেন্ট। কারণ আগামী বছর বর্তমান সিইও ডানিয়েল ঝ্যাংগ
চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এ বছর আলিবাবার বিক্রি ভালো হলেও শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটেছে ১৬ শতাংশ। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য যুদ্ধে
অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণেই শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটেছে বলে কম্পানি জানায়। এ মাসের শুরুতে আলিবাবা জানায়, বড় মাপের পণ্য বিক্রি কমবে,
যা বার্ষিক রাজস্বে প্রভাব ফেলবে। এ খবরে কিছুটা চিন্তিত হন বিনিয়োগকারীরাও। আলিবাবা জানায়, এ বছর তাদের সিঙ্গেল ডে ইভেন্টে এক লাখ ৮০ হাজার
ব্র্যান্ড অংশগ্রহণ করছে।

কেবল চীন নয়, যুক্ত রাষ্ট্র সহ অনেক দেশে এই সিঙ্গেল ডে পালিত হয় । বাংলাদেশে দারাজ সহ সকলে এই সিঙ্গেল ডে পালন করে থাকে।

বিস্তারিত
বাংলাদেশেই তৈরি হবে জার্মানির গাড়ি !! German Car Will be Produce in bangladesh

২৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে রূপগঞ্জে কারখানা তৈরির উদ্যোগ
রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে  উদ্যোক্তারা বলেন, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে  জার্মানির গাড়ি তৈরি ও মেরামত কারখানা চালু হতে যাচ্ছে। এতে থাকবে গাড়ী ম্যানুফ্যাকচারিং,  রিম্যানুফ্যাকচারিং, মোডিফিকেশন ও রিপেয়ারিং সুবিধা। এ সময় তারা নতুন এই ব্যবসায়ী উদ্যোগের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
প্রায় ২৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলায় জার্মান ও বাংলাদেশ যৌথভাবে পরিবেশবান্ধব এই কারখানা করবে ।  জাপান বাংলাদেশ গ্রুপ, প্রধান গ্রুপ,
জার্মান অটো ও একে রেস্টোরেশন এ্যান্ড কার ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি। কারখানার পাশেই থাকবে গাড়ির মালিক ও সেবাগ্রহণকারীদের
রাত্রিযাপন এবং বিনোদনের ব্যবস্থা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গাড়ি প্রদর্শনীর জন্য কারখানার পাশেই স্থাপন করা হবে শোরুম ‘কারওয়ার্ল্ড।’ ক্রেতা দর্শনার্থীদের জন্য এই শোরুম খোলা
হবে প্রতিদিন সকাল ৯টায়। এ ছাড়াও থাকবে রেস্টুরেন্ট, ক্লাব, মুভি থিয়েটার। থাকবে অত্যাধুনিক রিলেক্সিং প্লেস।

 সংশ্লিষ্টরা জানান, গাড়ি তৈরির এই প্রকল্পে প্রথম কিস্তিতে
৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। এতে কর্মসংস্থান হবে প্রায় ১২০০ মানুষের। দ্বিতীয় কিস্তিতে বিনিয়োগ করা হবে আরও ১৭৫০ কোটি টাকা।

বিস্তারিত
বিদেশ থেকে সরাসরি বিকাশে টাকা পাঠানো যাবে !! WorldRemit has Bangladesh covered

বিশ্বের অন্যতম প্রধান ডিজিটাল মানি ট্রান্সফার কোম্পানি Worldremit বাংলাদেশে জানিয়েছে তাদের সেবার মাদ্যমে এখন যে কেউ বিদেশ থেকে

বাংলাদেশে সরাসরি টাকা পাঠাতে পারবেন। 


এই সেবা ব্যবহার করার জন্য গ্রাহকরা ওয়ার্ল্ড রেমিট এর অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারবেন।  সারা বিশ্বের ১৪৫ টিরও বেশি দেশে বসবাসরত প্রবাসী 

বাংলাদেশীরা এখন ওয়ার্ল্ড রেমিট সেবা ব্যবহার করে বাংলাদেশে দ্রুত ও নিরাপদে টাকা পাঠাতে পারবেন। 

ব্রাক ব্যাংকের ১৫ লাখ ব্যাংক গ্রাহক তাদের একাউন্টে  দেশের ১৮৬টি ব্র্যাক ব্যাংক ব্রাঞ্চ ও ৩০টি এসএমই অফিস এবং সাথে বিকাশের তিন কোটি মোবাইল একাউন্টে

সরাসরি টাকা পাঠাতে পারবেন।  


ওয়ার্ল্ড রেমিটের মোবাইল-ফার্স্ট নামক ডিজিটাল মডেল ব্যবহার করায় গ্রাহককে টাকা পাঠানোর জন্য কোনো এজেন্টের কাছে যেতে হবে না। 

আরও পড়ুন

তাই টাকা পাঠানোর জন্য গ্রাহকের সময় ও অর্থের সাশ্রয় হবে। 


ওয়ার্ল্ড রেমিটের সাহায্যে প্রেরিত এ অর্থ গ্রাহকরা তাদের বিকাশ একাউন্ট থেকে অন্য বিকাশ একাউন্টে পাঠাতে, মোবাইলে রিচার্জ করতে, বিল পরিশোধ ও কেনাকাটা করতে পারবেন। গ্রাহকরা বিকাশ এজেন্টের নিকট থেকে নগদ টাকা উত্তোলন করতে পারবেন অথবা তাদের বিকাশ একাউন্টে জমা রাখতে পারবেন।


প্রতি বার টাকা পাঠাতে খুব সামান্য টাকা খরচ হবে। 


এছাড়াও আপনি  Xpress Money network সাপোর্টেড নিচের ব্যাংক গুলি থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন :

Agrani Bank Limited

Bangladesh Krishi Bank

Bank Asia Limited

First Security Islami Bank Limited

Islami Bank Bangladesh Limited

Janata Bank Limited

National Bank Limited

Pubali Bank Limited

Rajshahi Krishi Unnayan Bank

Rupali Bank Limited

Sonali Bank Limited

Southeast Bank Limited

United Commercial Bank Limited


Uttara Bank Limited

বিস্তারিত
কি ভাবে রপ্তানি শুরু করবেন এ টু জেড ।। How to start export business

আমদানি ব্যবসার চেয়ে রপ্তানি ব্যবসা করা সবচেয়ে লাভজনক। অনেকেই আছেন যারা আমাকে জিজ্ঞাসা করে থাকেন কিভাবে রপ্তানি করতে হবে।
কোথায় থেকে রপ্তানি ব্যবসা শুরু করবেন। আজকের পোষ্টে আপনাদের আমি বিস্তারিত বলার চেষ্টা করবো। তবে এর আগে রপ্তানি ব্যবসা আপনাদের কিছু
সাধারণ ধরনা নিয়ে নিতে হবে। যেমন কিভাবে রপ্তানি লাইচেঞ্চ করতে হবে। কিভাবে টিন, ভ্যাট , ট্রেড লাইচেঞ্চ করতে হবে। আসা করি এই বিষয়টা নতুন
করে বলতে হবেনা।

রপ্তানি করার প্রথম ধাপ
রপ্তানি করার প্রথম ধাপে আপনি একটি রপ্তানি লাইসেন্স  করতে হবে। কিভাবে রপ্তানি লাইসেন্স  করতে হবে তা নিয়ে আমাদের বিস্তারিত পোষ্ট আছে দেখে নিতে পারেন।
এর পরও একটু লিখলাম ।

রপ্তানি লাইসেন্স ফি কত টাকা ??
সরকার রপ্তানি করার জন্য রপ্তানিকারকদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করে থাকে। কারন রপ্তানি কারীরা দেশের জন্য প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করে থাকেন।
এজন্য  সরকার রপ্তানী লাইসেন্স ফি করা বাবদ আপনার থেকে মাত্র ৮০০০/- টাকা নিবে।  * ১৫% ভ্যাট চালান প্রযোজ্য।

কতদিন লাগবে আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স করতে?
আমি আগের পোস্টে বলেছিলাম যদি দ্রুত করতে চান তবে কাউকে দিয়ে আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স করিয়ে নিতে। কারন আপনি নিজে আমদানি
রপ্তানি লাইসেন্স করতে গেলে অনেক সময় লাগবে। তবে কাউকে দিয়ে করালে ৩ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে। বা বেশীও লাগতে পারে।
এক্ষেত্রে আপনি যাকে দিয়ে কাজটি করাবেন তার সাথে ভালো ভাবে কথা বলে নিবেন। 
দ্বিতীয় ধাপ
আসা করি রপ্তানি লাইসেন্স করা শেষ। এবারের কাজ হল পি আই প্রদান করা। আপনার থেকে বায়ার যে পণ্য আমদানি করতে চায় তার একটা পি আই তৈরি করে নিন।
পি আই কি কিভাবে পি আই করতে হবে এসব নিয়ে বিস্তারিত আমাদের ওয়েবসাইটে দেয়া আছে দেখে নিতে পারেন।

পি আইতে  সাধারনত প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা থাকে, পন্যের বিবরণ ইত্যাদি থাকে। সেলারের ঠিকানা এবং তাদের ইনভয়েস নাম্বার পি আই তে খুবই জরুরি ৷
কেননা আপনি যখন এলসি করবেন তখন ইনবয়েস নাম্বারটি দিতে হবে। পি আই এর তারিখ  অর্থাৎ, কোন তারিখে PI ( Proforma Invoice )
টি ইস্যু করা হয়েছিলো । তবে বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন ফরমেটে PI ( Proforma Invoice ) টি তৈরি করে থাকে ।  কিন্তু তথ্য মোটামুটি একই রকম  ।

পি আই তে আপনি আপনার কোম্পানির সিল দিয়ে সাইন করে দিবেন। এই পি আই নিয়ে বায়ার যখন তার ব্যাংক এ যাবেন তখন তারা এল সি ওপেন করতে পারবে।

তৃতীয় ধাপ
এবারের কাজ হল আপনি যে ব্যাংকের সুইফট কোড দিয়ে পি আই বানিয়েছিলেন সেই ব্যাংক এ গিয়ে যোগাযোগ করা। তাদের বলতে হবে যে আপনার বায়ার
আপনার কোম্পানির নামে একটি এলসি ইস্যু করেছে। ওরা আপনাকে একটি এল সি কপি দিবে। আর একটা EXP ফর্ম দিবে। এই  EXP ফর্ম এ আপনি যে
পণ্য রপ্তানি করবেন তার বিস্তারিত থাকবে। ব্যাংক আপনাকে এলসির টাকা দিয়ে দিবে। ডলার কনভার্ট করতে কিছু খরচ নিবে।

চতুর্থ
এবারের কাজ হল পণ্য রপ্তানি করা। ঢাকা এয়ারপোর্ট অথবা চট্টগ্রাম বন্দর যেকোনো পোর্ট দিয়েই পণ্য রপ্তানি করেন না কেন আপনাকে সি এন্ড এফ নিজুক্ত করতে
হবে। C&F মানে Custom clearing and forwarding agent. এই প্রতিষ্ঠান গুলি রপ্তানি পন্যের কাষ্টমস প্রসিডিউর সম্পন্য করে সরকারী
ট্যাক্স প্রদানে রপ্তানীকারককে সহযোগীতা করে ৷ এরা সরকার কতৃক বিশেষ লাইসেন্স প্রাপ্ত ৷
আরও পড়ুন
কত টাকা ট্রান্সপোর্ট ফি
সাধারণত রপ্তানি করতে খরচ একটু কম আমদানির চেয়ে। একটা ২০ ফিট ফুল কন্টেনার ভাড়া করতে আপনাকে ৮০০ থেকে ৯০০ ডলার লাগবে। আর বিমানে প্রতি কেজি
৪-৫ ডলার লাগবে। 

সরকারকে কত ট্যাক্স দিতে হবে
রপ্তানি করতে সরকারকে কোন ট্যাক্স দিতে হয়না। উপরন্তু কিছু পণ্য আছে জেগুলো রপ্তানি করতে পারলে সরকার আপনাকে ভর্তুকি দিবে। ১০০ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি
করতে আপনাকে ৪-৫ হাজার টাকা খরচ হতে পারে।

পঞ্চম ধাপ
এবারের কাজ হল আপনার সকল কাগজ পত্র যেমন ইনভয়েস, পি আই, প্যাকিং লিস্ট, বি এল ইত্যাদি ব্যাংক এ জমা দেয়া। ব্যাংক থেকে এসব কাগজ পত্র বিদেশে
আপনার বায়ারের কাছে পাঠিয়ে দিবে। তারা এসব কাগজ পত্র দিয়ে পণ্য বন্দর থেকে ছাড়িয়ে নিবে।

আপাদত সংক্ষিপ্ত ভাবে এটাই হল রপ্তানি প্রক্রিয়া। আপনার যদি আরও বেশী কিছু জানার থাকে তবে কমেন্ট করতে পারেন। আমারা প্রত্যেকটি কমেন্ট এর উত্তর
দেয়ার চেষ্টা করবো।

বিস্তারিত
মালয়েশিয়ায় টাকা পাচার করে ২৫০ জন বাংলাদেশি বাড়ি তৈরি করেছে !! 250 Bangladeshi make second home in Malyasia

মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় নিবাস গড়ার কর্মসূচি ‘মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোমে (এমএম২ এইচ)’ অংশ নেওয়া ৩ হাজার ৭৪৬ জন বাংলাদেশির মধ্যে ২৫০ জন সেখানে

বাড়িও কিনেছেন। ওই প্রকল্পে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশিরা যেমন তৃতীয় অবস্থানে আছেন, তেমনি বাড়ি কেনার ক্ষেত্রেও একই অবস্থানে তাঁরা।


অনেক  আগে মালয়েশিয়া সরকার ‘মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোমে (এমএম২ এইচ)’ নামে একটি কর্মসূচী হাতে নেয় । এতে ৩ হাজার ৭৪৬ জন বাংলাদেশি

আবেদন করেছিল। এদের মধ্যে ২৫০ জন সেখানে বাড়িও কিনেছেন। মালয়েশিয়া সরকারের প্রকাশিত এক পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়। তবে এই কর্মসূচিতে

চীন ও যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বেশিসংখ্যক লোক সেখানে বাড়ি কিনেছেন।


তবে বিস্ময়ের ব্যাপার হল বাংলাদেশ সরকারের মতে এদেশ থেকে বৈধভাবে অর্থ নিয়ে মালয়েশিয়ায় বাড়ি কেনার কোনো সুযোগ নেই।

ফলে মালয়েশিয়ায় যাঁরা সেখানে বাড়ি কিনেছেন, তাঁরা মূলত টাকা পাচার করে এসব বাড়ি ক্রয় করেছেন ।


মালয়েশিয়া সরকার ২০০২ সালে ‘মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোমে (এমএম২ এইচ) কর্মসূচি চালু করে। এর কর্মসূচির আওতায় যে কেউ মালয়েশিয়ার ব্যাংকে একটা নির্দিষ্ট

পরিমাণে অর্থ জমা রেখে অন্য দেশের একজন নাগরিক দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদি বসবাস ও অন্যান্য সুবিধা পান। তাঁরা সেখানে বাড়িও কিনতে পারেন।


মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় নিবাস কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন দেশের মোট ৪ হাজার ৪৯৯ জন নাগরিক বাড়ি কিনেছেন। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন চীনের নাগরিকেরা।


এসব টাকা কারা পাচার করছেন, তা নিয়ে দেশের বিভিন্ন সংস্থা অনুসন্ধানের ঘোষণা দিলেও কার্যত কোনো ফল দেখা যায়নি। এমনকি বাংলাদেশে বিভিন্ন

মেলায় অংশ নিয়ে এবং পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে বিভিন্ন দেশে নাগরিকত্ব নিতে আগ্রহীদের খোঁজা হয়।


দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘সরকার চাইলে মালয়েশীয় সরকারের সঙ্গে

সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশিদের তথ্য পেতে পারে। কিন্তু কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এটা দুঃখজনক।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া

জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনে সই করেছে। এর আওতায় তথ্য চাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

বিস্তারিত
৫০০০ টাকায় ব্যাবসা শুরু করুন বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা ।। 5000 Thousand taka business idea

আজকে আইডিয়াতে আমি বাংলাদেশের একটি প্রচলিত বিজনেস আইডিয়া শেয়ার করব । আজকে যে আইডিয়াটি শেয়ার করব তা হলো আচারের বিজনেস।  আচার একটি লোভনীয় খাবারের নাম । বাংলাদেশ সহ বিশ্বের প্রয় আনেক দেশে এর ব্যপক জনপ্রয়তা রয়েছে । আজকের  পর্বে আপনাদের সাথে হোমমেড  আচার বিজনেস সম্পর্কে আলোচনা করব। বাংলাদেশে আনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে  যারা আচার তৈরি করে কিন্তু তাদের আচার নানা কারনে মানুষ এখন পচন্দ করচে না ।  এর মুল কারন হলো সেগুলো বেজাল এবং আনেক নিন্মমানের । বাংলাদেদেশে আচারের প্রচুর সম্ভবনা রয়েছে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ এখন আচারের  সাথে পরিচিত ।  এ বিজনেসটি করতে আপনাকে তেমন বেশি মুলধনের প্রয়োজন হবে না। এবং আপনি চাইলে আনেক আল্প সময়ে এ বিজনেসটিতে গো করতে পারবেন । বর্তমানে আনেক আইটেমের আচার রয়েছে আপনি চাইলে প্রথম আবস্থায় ১০ থেকে ১৫ আইটেমের আচার তৈরি করতে পারেন । আপনি প্রতি আইটেমে থেকে ১৮% থেকে ২০% পর্যন্ত  লাভ করতে পারবেন ।


কিভাবে শুরু করবেন :


আচার বিজনেস শুরু করতে হলে আপনাকে প্রথমে আপনার আচারের তৈরিতে বাস্তব আবিজ্ঞতা  আর্যন করতে হবে । আপনি  প্রথম আবস্থায়  আপনার আচারের একটি ব্যন্ড নাম দিতে পারেন । প্রথম আবস্থায় আপনি আপনার বাড়িতে দিয়ে শুরু করতে পারেন । আর আপনি যদি নারী উদ্যক্তা হন তাহলে আপনার জন্য প্লাস পয়েন্ট ।


তৈরি করন :


বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক আইটেমের আচার রয়েছে । তবে আপনি চেষ্ট করবেন ভালো মানের আচার তৈরি করতে । আপনার আশে পাশে এরৃপ এনেক প্রতিষ্ঠন থাকলে তাদের থেকে দেখে আসতে পারেন । বর্তনামানে অনলাইনে আনেক টিওটোরিয়াল রয়েছে যারা আচার তৈরির প্রশিক্ষন দিয়ে থাকে ।


আভিজ্ঞতা : আপনাকে ভালো মানের অবিজ্ঞতা থাকতে হবে । আপনানি যদি আভিজ্ঞ না হন তাহলে কারো কাছ থেকে শিখে নিতে পারেন । আপনি আচার তৈরির পরে কাউকে খাওয়ান যদি সে ভালো বলে তাহলে আপনি বুঝবেন আপনি ভালো আচার তৈরি করতে পারেন।


বাজারজাত করন : বর্তমানে আনেকে আচার প্লাস্টিক বোতলে করে বাজারে ছাড়ছে আমি আপনাকে বলবো প্লাস্টিকের বোতলে আচার বেশি ভালো দেখাবে না তাই আপনি কাচের বোতল ব্যবহার করবেন এতে আচার আনেক বেশি ভালো আকর্ষনীয় দেখাবে এবং কাস্টমারের আপনার পোডাকটির প্রতি  আনেক আকর্ষনীয় হবে ।


আচার তৈরিতে প্রয়োজনীয় উপাদান : যেহুতু আপনি হোমমেড আচার তৈরি করবেন তাই আপনার সমস্ত উপকরন আপনার ঘরে রয়েছে । তাছাড়া আপানার যদি বড় কড়াই বড় চামচ না থাকে তাহলে আপনি তা কিনে নিতে পারেন ।


আর আচার তৈরি: আপনি যে আচার তৈরি করবেন তা আগে সংগ্রহ করতে হবে । এর পর অন্যন্য উপাদান সংগ্রহ করবেন । এগুলো আপনি আপনার পাশে যে কোন বাজার থেকে পেয়ে যাবেন । চেষ্ট করবেন আপনার আচারটি বেজাল মুক্ত করতে এবং কাস্টমারের আকর্ষনীয় করে গড়ে তুলতে ।

বিক্রয় : বর্তমানে এই লোভনীয় খাবার বিক্রয় করতে আপনাকে তেমন ঝামেল করতে হবে না । বর্তমানে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে বিক্রয় আপনি বিক্রয় করতে পারেন আপনি প্রথমে ফেসবুক পেজ তৈরি করতে পারেন এবং সেখানে আপনার আচারের নাম এবং এর গুনাগুন এবং এর বিক্রয় মুল্য লিখে রাখতে পারেন । এবং সেটির মধ্যমে আপনি বিক্রয় করতে পারেন । তাছাড়া আপনি যদি মনে করেন আপনি দোকান দিয়ে বিক্রয় করবেন তা ও করতে পারেন তবে চেষ্ট করবেন আপনার দোকানটি যেন যনকীর্ন এলাকায় হয় ।

মুলধন: আপনার প্রথমিক আবস্থায় তেমন বেশি মুলধন এর প্রয়োজন হবে না । আপনি যদি প্রথমি আবস্থায় ১০ থেকে১২ আইটেমের আচার তৈরি করেন তাহলে আপনাকে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা ইনবেস্ট করতে হবে। এচড়া আপনার আচারে বিজনেসটি  যখন বেশি প্রসারতা লাভ করবে তখন আপনি আরো বেশি ইনবেস্ট করতে হবে।

লাভ লোকসান : এ বিজনেসটিতে আাপনি প্রথম আবস্থায় তেমন বেশি লাভ করতে পারবেন না । কারন প্রথম আবস্থায় আপনার লক্ষ থাকতে হবে কাস্টমার আকর্ষন । পরে আপনার আচারটি যখন মর্কেটে ভালো ভাবে প্ররিচিত হবে তখন আপনি এর থেকে ভালো মানে লাভ করতে পারবেন । আপনি প্রতিটি আচার আইটেম থেকে ১৫% থেকে ২০% পর্যন্ত লাভ করতে পারবেন। তো এভাবে আপনি যদি আপনার ব্যবসা এভাবে চালিয়ে নেন তাহলে আপনি খরচ বাদে প্রতি মাসে ইজিলি ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন । তবে আয় আপনার বিক্রয় উপর নির্ভর করে কম বেশি হতে পারে। আজকের এই পর্বটি অনুপেরনামুলক আপনি বিজনেসটি শরু করলে   এর খুটিনাটি সব দেখে বুঝেশুনে শুরু করবেন । আজকের পর্ব এই পর্যন্তই আমাদের পোস্টি পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।
বিস্তারিত
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক শ’ কোটি ডলারের জমি কিনল গুগল Google buy land

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেইন ভিউ প্রধান কার্যালয়ের পাশেই একশ’ কোটি ডলার মূল্যে নতুন জমি কিনেছে গুগল।

গুগলের এক প্রতিনিধি নতুন কার্যালয়ের জন্য জমি কেনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন । তবে এ নিয়ে বেশী কথা বলতে রাজি  হননি ওই ব্যক্তি। তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আইএএনএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, গুগলের নতুন কেনা জমির আয়তন এখনকার গুগলপ্লেক্স প্রধান কার্যালয়ের জমির চেয়ে বড়।

এই বছর যুক্তরাষ্ট্রের বে এরিয়াতে গুগলের কেনা এই জমিটি সবচেয়ে বড় জমি। আর এ বছর দেশটিতে জমি ক্রয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম ঘটনা এটি। প্রস্তাবিত ট্রানজিট ভিলেজ বানাতে ইতোমধ্যে স্যান হোসেতেও সম্পত্তি কেনা শুরু করেছে সার্চ জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটি। আর মাউন্টেইন ভিউ, সানিভেল, ডাউনটাউন স্যান হোসে এবং উত্তর স্যান হোসেতে জমি কিনতে অন্তত ২৮৩ কোটি মার্কিন ডলার খরচের কথাও জানিয়েছে গুগল।

বিস্তারিত
alibaba & Import Export expert

আমদানি,রপ্তানি,আলিবাবা নিয়ে যেকোনো সমস্যায় আমাকে ফেসবুকে মেসেজ করুন।

এখানে ক্লিক করুন
© 2020 eibbuy. All Rights Reserved.
Developed By Takwasoft