ফুটপাতে লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া

ফুটপাতে লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া


Posted on: 2021-07-09 23:13:08 | Posted by: Shafiullah
ফুটপাতে লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া

ব্যবসায়িক জীবনের শুরুটা হয়েছে ফুটপাতের ব্যবসা দিয়ে এমন সফল ব্যবসায়ীদের সংখ্যা কম নয়। তাই অন্যান্য ব্যবসার জন্য যদি পর্যাপ্ত পুঁজির জোগান না থাকে তাহলে ফুটপাতে খুব সহজেই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আমাদের দেশে ফুটপাতের ব্যবসাকে সবাই একটু নিচু চোখে দেখে। ব্যবসা শুরু করতে গেলে কে কি মনে করে এটা ভেবে বসে না থেকে কাজ শুরু করে দেন। একসময় আপনার সফলতা দেখে নিন্দুকদের চোখ কপালে উঠবে। তাই আবার বলছি, যে অবস্থায়ই থাকেন না কেন, কাজ শুরু করে দেন।

আজ আমরা ফুটপাতে করা যায় এরকম বেশ কয়েকটি ব্যবসার আইডিয়া শেয়ার করব। ফুটপাত ব্যবসার আইডিয়ার পাশাপাশি এ ব্যবসা শুরু করতে কত টাকা পুঁজি লাগে, আর কি কি প্রয়োজন হবে এবং কিভাবে ফুটপাত থেকে একজন সফল ব্যবসায়ী হবেন এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

আলোচনা শুরুর আগে একটা কথা বলে নিচ্ছি, বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি স্থানে ফুটপাতে ব্যবসার প্রতি কড়াকড়ি নিষেধাজ্ঞা আছে। এসব স্থানে ফুটপাত দোকান দিবেন না। এতে ঝামেলায় পড়বেন। আর যেখানেই দোকান দেন একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন যে, আপনার দোকান এবং দোকানে আসা কাস্টমারদের জন্য যেন রাস্তার পথচারীদের কোন সমস্যা না হয়। এই পথচারীরাই আপনার কাস্টমার। তাই তাদের সুবিধা অসুবিধার কথা ভাববেন।

যাই হোক এবার মূল আলোচনায় আসি।

ফুটপাতে কেন ব্যবসা করবেন?

ফুটপাতে ব্যবসা করার মুল কারন হল পর্যাপ্ত পুঁজির অভাব। অনেকেরই বড় কোনো দোকান নিয়ে ব্যবসা করার সামর্থ্য থাকে না। তাই বলে কি বসে থাকা যায়? ফুটপাতে ব্যবসা করতে তেমন একটা পুঁজি লাগেনা। যা লাগে তা হল দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক চাদা। আর কিছু পন্য কিনতে যা খরচ। সব মিলিয়ে এই। তাছাড়া এখানে ঝুঁকি তুলনামূলক কম। তাছাড়া কখনো এমনও হয় যে, বড় মার্কেট থেকে ফুটপাতে বেচা কেনা বেশি। এই কারনে অনেক ব্যবসায়ী আছেন যারা ফুটপাতে ব্যবসা করেন কিন্তু ঢাকা শহরে পাঁচ তলা বাড়ি আছে। তাই বলছি ফুটপাতে ব্যবসা করাটা নিচু চোখে দেখার কিছু নয়। আর ফুটপাতে ব্যবসা করাটাও অনেক সহজ। দরকার ভাল আইডিয়া। নিচে কয়েকটি ফুটপাতের লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া তুলে ধরলাম।

 

ফুটপাতে লাভজনক ব্যবসার কয়েকটি আইডিয়া

১. ফুটপাতে চা কফির ব্যবসা

অনেকেই হয়ত এই আইডিয়াটিকে এড়াতে চাইবেন। এটা কেমন শোনায়! শেষে কিনা রাস্তায় চা বিক্রি করব? এ ধরনের কথা মনে আসতেই পারে। আজকের ব্যবসার আইডিয়াটি সাধারন চা কফি বিক্রির দোকান নিয়ে নয়।একটু ভিন্ন রকম। ইদানিং অনেকেই খেয়াল করবেন, শহরের বিভিন্ন মোড়ে ভিন্ন ধরনের কয়েকটি চায়ের দোকান দেখা যায়। এসব দোকানের উদ্যোক্তারা থাকে তরুন। এরা নরামাল চা বিক্রির পাশাপাশি বিশেষ চা বিক্রি করে। যেমন ধরুন, ইরানি চা, তান্দুরি চা, সরের চা, মাল্টা চা, তার্কিশ চা ইত্যাদি। এগুলোর বেশ চাহিদা থাকে। বিশেষ করে তরুনদের পছন্দের চা এগুলো। ঢাকার কোনো কোনো স্থানে দিনে এরা ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার চা কফি বিক্রি করে থাকে। এই চা কফির কাস্টমারদের জন্য বসার সিট দেওয়া লাগেনা। কাস্টমাররা দাঁড়িয়েই চা খায়। তাই এর জন্য আপনার বেশি জায়গার প্রয়োজন হবে না।

এবার আসি কিভাবে শুরু করবেন এই ব্যবসা? প্রথমে আপনাকে বিভিন্ন ধরনের চা বানানো রপ্ত করতে হবে। বেশ কয়েকদিন নিজে প্র্যাকটিস করতে হবে। কারন কাঁচা হাতের চা সবসময় মজা হয়না। যখন থেকে আপনি পারফেক্ট চা বানাতে পারবেন তখনই কাজে নামবেন। প্রথমে স্থান নির্বাচন করুন। এই ব্যবসা কতটুকু সফল হবে সেটা বেশিরভাগ নির্ভর করবে স্থানের উপর। তাই  স্থান নির্বাচনের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করবেন। মেইন রোডের পাশে এবং কোনো মোড়ের কাছেই এই দোকান দেওয়ার চেষ্টা করবেন। অথবা কোনো মার্কেটের আশেপাশে। এবার সেই স্থান নেওয়ার জন্য কার সাথে কথা বলতে হবে সেটা ওখানকার অন্য দোকানদার থেকে জেনে নিবেন। তারপর কথা বলে নিবেন। এবার একটি ভ্রাম্যমান দোকান বানাবেন। ভ্যান গাড়ি আকারের একটি গাড়ি বানাবেন। এটাই আপনার দোকান। এটার মধ্যে চুলা, সিলিন্ডার বসবে। অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র থাকবে। এবং এটা কিনতে আপনার প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকার মতো লাগবে। দোকান ঠিক করার পর অন্যান্য জিনিসপত্র কিনে ফেলবেন।

আপনি ভাল মানের চাপাতা আমাদের এই ওয়েবসাইট থেকেই কিনতে পারেন। এখানে বিভিন্ন ধরনের চা পাতা পাইকারি বা খুচরা পাওয়া যায়। আবার চাইলে আপনি নিজেও আপনার পন্য এখানে বিক্রি করতে পারেন।

দোকান ঠিক করার পর ব্যবসায় নেমে পড়ুন। সাধারনত ফুটপাতে ব্যবসা করতে ট্রেড লাইসেন্স বা অন্যান্য বৈধ কাগজপত্র লাগেনা। তাই এগুলো নিয়ে কোনো ঝামেলা করা লাগবে না।


২. ফুটপাতে গার্মেন্টস আইটেমের ব্যবসা

বাংলাদেশের ফুটপাতে যত ধরনের ব্যবসা আছে তার মধ্যে গার্মেন্টস আইটেমের জনপ্রিয়তাই বেশি। কারন ফুটপাতে গার্মেন্টস আইটেমের ব্যবসা খুব লাভজনক একটি ব্যবসার আইডিয়া। ফুটপাতে সকল প্রকার গার্মেন্টস আইটেম অনেক কম দামেই পাওয়া যায়। যে টি শার্টের দাম বড় মার্কেটে ১ থেকে দেড় হাজার টাকা সেটা ফুটপাতে ২০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যায়। যার কারনে মধ্যবিত্ত বা নিম্মবিত্ত পরিবারের গার্মেন্টস আইটেমগুলো ফুটপাত থেকেই কেনা হয়।

ফুটপাতে যেসব গার্মেন্টস আইটেম জনপ্রিয় সেগুলো হল টি শার্ট, পলো শার্ট, শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, ট্রাউজার, মেয়েদের ওড়না, পাজামা, প্লাজু, আন্ডারওয়ার ইত্যাদি। এগুলো প্রথমে আপনি পাইকারি কিনে বিক্রি করবেন। ধীরে ধীরে হোলসেল কিনে খুচরার পাশাপাশি পাইকারি বিক্রির চেষ্টা করবেন।

এই ব্যবসার জন্যও ভাল স্থান নির্বাচন করবেন। আগের মতো করে স্থান ঠিক করবেন। বিশ্বস্ত পাইকারি সেলার খুজে বের করবেন। আর যদি বিশ্বস্ত পাইকারি সেলার খুজে পেতে সমস্যা হয় তাহলে আমাদের এই ওয়েবসাইট ঘুরে আসতে পারেন। এখানে আপনি দেশের নানা প্রান্তের পাইকারি বা হোলসেলার খুজে পাবেন। এবং যাদের প্রোফাইলে সবুজ ভেরিফাইড সাইন আছে তারাই বিশ্বস্ত বিক্রেতা। বিশ্বস্ত বিক্রেতাদের থেকে পন্য কিনলে সে পন্য ভাল পাবেন।

প্রথম আপনি ১০০ টি শার্ট কিনে সেগুলো বিক্রি করবেন। এটার মাধ্যমে মার্কেট যাচাই করবেন। তারপর অন্যান্য পন্য নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন আবার চাইলে টি শার্টের ব্যবসাও ধরে রাখতে পারেন।

গার্মেন্টস আইটেমের ব্যবসায় আপনার যত বেশি অভিজ্ঞতা হবে তত বেশি আয় হবে। প্রথম লোকসান খেতেই পারেন। অনেকেরই এমন হয় যে প্রচুর পন্য কিনেছে কিন্তু সেগুলো আর বিক্রি করতে পারছেনা। শেষে অনেক লোকসান দিয়ে সেগুলো বিক্রি করতে হয়। এরকমটা হওয়ার কারন হচ্ছে কাস্টমারদের চাহিদা বুঝতে না পারা। তাই বলেছি এই ব্যবসায় যত বেশি অভিজ্ঞতা হবে ব্যবসা তত বেশি লাভজনক হবে। তবে এর জন্য লেগে থাকতে হবে। এই ব্যবসায় প্রথমে ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পুঁজি হলেই চলবে। ধীরে ধীরে পুঁজি বাড়াবেন।

এবার আসি কোথা থেকে পাইকারি গার্মেন্টস আইটেম কিনবেন?

টি শার্ট, শার্ট, প্যান্ট আপনি ঢাকা গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া মার্কেটে পেয়ে যাবেন। থ্রি পিস বা মহিলাদের আইটেমগুলো ইসলামপুর বা গাউছিয়া মার্কেট থেকে কিনতে পারেন। অথবা আমাদের এই ওয়েবসাইটেও পাবেন।

 

৩. ফুটপাতে ফাস্টফুডের ব্যবসা

এই ব্যবসার আইডিয়াটি ফুটপাতের জন্য দারুন একটি লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া। বর্তমান প্রজন্মের কাছে ফাস্টফুড খুবই পছন্দনীয় একটি খাবার। ফুটপাতে ফাস্টফুড খুব ভালো চলবে। যেসব ফাস্টফুড আইটেম ফুটপাতে ভাল চলবে সেগুলো হল বার্গার, পিৎজা, ভেজিটেবল রোল, চিকেন রোল, শর্মা, চিকেন বল, স্যান্ডউইচ, সাব স্যান্ডউইচ ইত্যাদি। ফুটপাতে ফাস্টফুডের এই ব্যবসাটি খুব লাভজনক একটি ব্যবসা। আপনি যদি এই ব্যবসা করেন তাহলে অন্য দশজনের মতো না করে একটু ভিন্ন ভাবে শুরু করবেন।

কিভাবে আনবেন এই ভিন্নতা? সবার আগে মানের দিকে খেয়াল রাখবেন। বেশি লাভের আশায় খারাপ মানের খাবার বিক্রি করবেন না। তারপর পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায়া রাখবেন। দোকান রাখবেন আকর্ষনীয় সাজে। রাস্তায় কেউ যখন হেটে যাবে তাদের চোখে যেন আপনার দোকানটি আটকায়। ভাল লাইটিং এর ব্যবস্থা করবেন। নিজস্ব প্যাকেটিং ব্যবস্থা রাখবেন। চেষ্টা করবেন খাবারগুলো নিজে বানিয়ে নিতে। নিজে না বানাতে পারলে শিখে নিবেন।

এসব করতে গিয়ে খরচটা একটু বেড়ে যাবে। তাই প্রথম মনে হবে যেন লোকসান হচ্ছে। কিন্তু বিশ্বাস করেন, কিছুদিন যেতে না যেতেই আপনার কাস্টমার বেড়ে যাবে। কাস্টমার প্রতি লাভ কম হলেও বেশি কাস্টমারের জন্য আপনার ভাল লাভ আসতে থাকবে। এবং এ থেকে আপনি আরোও বড় আকারে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। অপরদিকে আপনি যদি মানের দিকে খেয়াল না রাখেন, অন্যান্যদের মতোই ব্যবসা করেন তাহলে এই ব্যবসা নিয়ে বেশিদূর এগোতে পারবেন না।

আর এইভাবে ব্যবসা শুরু করতে ২০,০০০ টাকা থেকে ৩০০০০ টাকা পুঁজি হলেই চলবে।

 

৪. ফুটপাতে ফুটওয়ারের ব্যবসা 

ফুটওয়ার বলতে জুতাকে বুঝায়। ফুটপাতে জুতার ব্যবসাও জমজমাট থাকে। আসলে ফুটপাতে অন্যান্য গার্মেন্টস আইটেম বা ফুটওয়ারের ব্যবসা সবচেয়ে বেশি জমজমাট থাকে রমজান মাসে। কারন রমজানের পর আসে ঈদ। অন্যান্য উৎসবের আগেও এসব ব্যবসা খুব ভাল চলে। বড় দোকান বা শোরুম গুলোতে জুতার দাম বেশি থাকে তাই সাধারন মানুষরা তাদের কেনাকাটা এই ফুটপাতেই করে। ফুটপাতে গার্মেন্টস আইটেমের মতো করেই এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন। পুঁজিও একই রকম লাগবে। দোকানে ভালভাবে লাইটিং করবেন। এতে কাস্টমারের দৃষ্টি আকর্ষন হবে।

আপনি গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া মার্কেটে জুতার পাইকারি বাজার পাবেন। আবার আপনি চকবাজারেও পাবেন।

আমাদের এই ওয়েবসাইটেও বিভিন্ন ধরনের জুতার পাইকারি সেলার পেয়ে যাবেন।

৫.ফুটপাতে মোবাইল এক্সেসরিজ এবং ইলেকট্রনিক পন্যের ব্যবসা

মোবাইল এক্সেসরিজ বলতে মোবাইলের ব্যাক কাভার, প্রোটেকশন গ্লাস, ক্যামেরা প্রোটেকশন গ্লাস, ব্যাটারি, মোবাইল স্ট্যান্ড, ট্রাইপড, এয়ারফফোন, হেডফোন ইত্যাদি আইটেমগুলিই ফুটপাতে বেচাকিনি করা হয়। আর অন্যান্য ইলেকট্রনিক পন্য বলতে লাইট, রাউটার, সাউন্ড বক্স ইত্যাদি। মোবাইলের প্রোটেকশন গ্লাস প্রায় সময়ই পাল্টাতে হয়। সেই সাথে ব্যাক কাভারও আনেকে নিয়মিত পরিবর্তন করে থাকেন। ফুটপাতে মোবাইল এক্সেসরিজের ব্যবসা করতে গেলে এয়ারফোনের কাস্টমার সবচেয়ে বেশি পাবেন। এমন অনেক কাস্টমার আছে, যাদের একটি এয়ারফোন ২ সপ্তাহের বেশি টিকেনা। অর্থাৎ ফুটপাতে এই ব্যবসায় আপনি ভাল পরিমান কাস্টমার পাবেন।

ফুটপাতে এই ব্যবসাটি মোটামুটি জমজমাট। গুলিস্তানে মোবাইল এক্সেসরিজের পাইকারি বাজার রয়েছে। সেখান থেকে কিনে এনে আপনি ব্যবসা করতে পারেন।

এই ধরনের ব্যবসা শুরু করতে সাধারনত ২০ হাজার টাকা পুঁজি হলেই হবে। অনেক ব্যবসায়ী আছেন যারা নিজেরা সরাসরি ডোর টু ডোর সার্ভিসের মাধ্যমে অন্য দেশ থেকে পন্য নিয়ে আসেন। তবে আপনি প্রথমেই এমনটা করতে যাবেন না।

 

আজ আমরা যে কয়টি ব্যবসার আইডিয়া শেয়ার করেছি সেগুলো সবগুলোই বাস্তবমুখী এবং লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া। আপনি খুব সহজেই এইসব ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। ফুটপাতে করা যায় এরকম আরও কয়েকটি ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে আমরা আরও আলোচনা করব।

আপনি যদি ব্যবসা শুরু করেন তাহলে আপনার পন্য আমাদের এই ওয়েবসাইটে সাপ্লাই দিতে পারেন। এখানে পন্যের বিজ্ঞাপন দেওয়া, সেলার একাউন্ট খোলা একদম ফ্রী। পন্য বিক্রি করলে আমাদের কোনো কমিশন দিতে হবেনা। আর কোনো ধরনের বাৎসরিক চার্জ নেই।

পাশাপাশি আপনি অন্যান্য অনলাইন প্লাটফর্মেও ব্যবসা করতে পারেন। যেমন ফেসবুক, ইউটিউব। এইসব সাইট থেকেও কাস্টমার পাবেন। ফেসবুক, ইউটিউবে আপনার পন্যের রিভিউ নিয়মিত আপলোড করে মনিটাইজ করে সেখান থেকেও অতিরিক্ত আয় করতে পারেন। আবার এসব রিভিউ দেখে অনেকেই অর্ডার করবে। তাই অফলাইনে ব্যবসার পাশাপাশি আপনাকে অনলাইনেও ব্যবসা করা উচিত।

আজকের আলোচনা নিয়ে কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

ধন্যবাদ।

 



জনপ্রিয় পণ্য

সাম্প্রতিক পণ্য

Leave a Comment:

Comment as:

alibaba & Import Export expert

সি এন্ড এফ, আমদানি, আলিবাবা নিয়ে যেকোনো সমস্যায় আমাকে ফেসবুকে মেসেজ করুন

এখানে ক্লিক করুন
2017 © 2021 eibbuy. All Rights Reserved.
Developed By Takwasoft