নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা, চার্জ এবং খরচ Nogod Details

বাংলাদেশের ডাক বিভাগ যুগ যুগ ধরে গ্রাহকদের বিভিন্ন আর্থিক সেবা প্রদান করে আসছে । সম্প্রতি চালু করা 'নগদ মোবাইল ব্যাংকিং' Nogod Mobile Banking সেবা সবচেয়ে আলোচিত একটি।  খুচরা প্রজায়ে প্রান্তিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য 'নগদ মোবাইল ব্যাংকিং' হচ্ছে দারুণ একটি সুযোগ। প্রতি দিন ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনের সুযোগ


আপনার উৎপাদিত যে কোন পণ্য বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বি টু ওয়েবসাইট, অনলাইন পাইকারি বাজারে ফ্রিতে বিক্রি করুন। রেজিস্টার হতে ক্লিক করুন

থাকায় "নগদ মোবাইল ব্যাংকিং" Nogod Mobile Banking প্রান্তিক এলাকার ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের আর্থিক লেনদেনের প্রয়োজনীয়তা মেটাতে সুযোগ তৈরি করতেছে।  পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট গ্রাহক চাইলে 'নগদ মোবাইল ব্যাংকিং' থেকে নির্দিষ্ট দিন তারিখ পর্যন্ত কত লেনদেন করেছেন তাও জানতে পারবেন। ফলে দেশের বড় একটা অংশ আর্থিক লেনদেন যেটি ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে ছিল সেটি নগদের মাধ্যমে একটি যথোপযুক্ত কাঠামোর আওতায় আসবে।

ঢাকা এয়ারপোর্টে বা চট্টগ্রাম পোর্টে আমদানি করা পণ্যের কাস্টমস ক্লিয়ারিং করতে সি এন্ড এফ দরকার হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন । সি এন্ড এফ

Nogod Mobile Banking নগদ মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধা

ডাক বিভাগের এই নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহার করলে গ্রাহক ক্যাশ ইন অথবা ক্যাশ আউট এর ক্ষেত্রে গ্রাহক প্রতিবার সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা এবং সর্বমোট ১০ বারে আড়াই লাখ টাকা দৈনিক লেনদেন করতে পারবেন। এভাবে মাসে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা ক্যাশ ইন অথবা ক্যাশ আউট করতে পারবেন সর্বোচ্চ  ৫০ বারে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন পাইকারি বাজার থেকে পাইকারি ষ্টেশনারী আইটেম ক্রয় করতে ভিজিট করুন পাইকারী ষ্টেশনারী আইটেম


নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা

নগদ অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে গ্রাহকরা শুধু ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট নয়, সেন্ড মানি, টপ আপ মোবাইল অ্যাকাউন্ট রিচার্জ) সুবিধাও গ্রহণ করতে পারবেন। ক্যাশ ইন এর জন্য গ্রাহককে কোন ধরনের চার্জ প্রদান করতে হবে না।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন পাইকারি বাজার থেকে পাইকারি গার্মেন্টস আইটেম ক্রয় করতে ভিজিট করুন গার্মেন্টস আইটেম


নগদ মোবাইল ব্যাংকিং চার্জ / নগদ মোবাইল ব্যাংকিং খরচ

ক্যাশ আউটের ক্ষেত্রে গ্রাহককে প্রতি হাজারে ১৮ টাকা নগদ মোবাইল ব্যাংকিং খরচ প্রদান করতে হবে। নগদ অ্যাপ এর মাধ্যমে ক্যাশ আউট করা হলে প্রতি হাজারে ১৭ টাকা নগদ মোবাইল ব্যাংকিং খরচ প্রযোজ্য হবে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন পাইকারি বাজার থেকে পাইকারি টুলস এবং হার্ডওয়্যার ক্রয় করতে ভিজিট করুন ভোগ্য পণ্য

ডাক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে প্রাথমিকভাবে জেলা ও উপজেলা পর্যায় নগদ সেবার আওতায় আসছে। পরবর্তী সময়ে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ের শাখাগুলোকে এ সেবার আওতায় আনা হবে। নগদে এখন পর্যন্ত ক্যাশইন, ক্যাশ আউট, সেন্ড মানি এবং মোবাইল ফোনের ব্যালেন্স টপ-আপ ইত্যাদি করা যাচ্ছে। আগামীতে আরও প্রয়োজনীয় ফিচার যোগ করা হবে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বিস্তারিত
মাত্র ৮৫ হাজার টাকা ইনভেস্ট করে আয় করুন মাসে ২০০০০ থেকে ২৫০০০ টাকা ।। Mineral Water business

বিশুদ্ধ পানি  বা মিনারেল ওয়াটার এখন সবাই পান করতে চায় ৷ মানুষের শরীরের ৭৫ ভাগই পানি ৷ বিশুদ্ধ পানি পান করা একান্ত প্রয়োজন ৷কারন পানি বিশুদ্ধ

মানে শরীর বিশুদ্ধ ৷


আজকাল বাজারে বিশুদ্ধ পানি অনেকেই সরবরাহ করে ভালো মানের আয় করতেছে ৷ আজকের ব্যবসার আইডিয়া বিশুদ্ধ পানি সরবরাহকারী হিসাবে আপনি

কিভাবে ব্যবসা শুরু করে প্রতি মাসে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন ৷


কিভাবে শুরু করবেন মিনারেল ওয়াটারের ব্যবসা

আজকাল চায়ের টং দোকান থেকে শুরু  করে বড় বড় রেষ্টুরেন্টেও মিনারেল ওয়াটারের জার ব্যবহার করা হয় ৷ প্রথমেই আপনাকে একটি নির্দিষ্ট এলাকা বেছে

নিতে হবে যেখানে আপনি মিনারেল ওয়াটার সরবরাহ করবেন। ৪-৫ টি হোটেল ম্যানেজ করতে পারলেই বিক্রি করার ঝামেলা একমদমই নাই ।

যদি তা না করতে পারেন তাহলে বিভিন্ন অফিস, স্কুল, কলেজে এ মার্কেটিং করে ১০-১৫টি বা তারও কম কাস্টমার ম্যানেজ করলেই হয়।

একবার কাস্টমার ম্যানেজ করতে পারলে আপনার আর নতুন করে খোজার ঝামেলা নাই ।


কত টাকা মূলধন নিয়ে ব্যবসা শুরু করবেন ?


ব্যবসার শুরুতে আপনাকে দুই ধরনের খরচ করতে হবে। প্রথমে এক কালীন খরচ এর পর মাসিক খরচ।


এক কালিন ব্যয়ের খাত সমূহ-


১. মিনারেল ওয়াটার মেশিন সেটাপ খরচ - ৬৫০০০/-

২. জার কেনা বাবদ খরচ-৬০টি * ১৮০= ১০৮০০/-

৩. ডিসপেন্সার কেনা বাবদ খরচ- ৩০টি * ১৪০= ৪২০০/-

৪. পানি টেস্টিং মেশিন কেনা বাবদ খরচ- ১২০০/-

৫. ৫০০ লিটার রিজার্ভ ট্যাংকি- ৪৫০০/-

___________________________

মোট খরচ- ৮৫৭০০/-


মাসিক ব্যয়ের খাতসমূহ-


১.মাসিক বিদ্যুত খরচ- ১৫০/- সর্বোচ্চ

২. ফিল্টার পরিবর্তন বাবদ- ৫০০/-

৩. একজন ডেলিভারি ম্যান + ভ্যান ড্রাইভার বেতন মাসিক- ৫০০০/- ( পার্ট টাইম )


আয়ের উৎস ও পদ্ধতি -

১. প্রতি ঘণ্টায় উৎপাদন ৬০ লিটার মিনারেল ওয়াটার ।

২. ১০ ঘন্টা হিসেবে ১০*৬০=৬০০ লিটার বা জার হিসেব করলে ৬০০ % ২০ = ৩০ টি জার।

৩. প্রতি জার পানি ৪০ টাকা করে সেল করলে দৈনিক আয় হবে ৩০*৪০= ১২০০ টাকা।

তাহলে মাসিক আয়- ১২০০*৩০= ৩৬০০০/-

৪. প্রতি জার পানি ৩৫ টাকা করে সেল করলে দৈনিক আয় হবে ৩৫*৩০= ১০৫০/- টাকা।

তাহলে মাসিক আয়- ১০৫০*৩০=৩১৫০০/-


বিএসটিআই:


এতো ছোট পরিসরে পানির ব্যবসার জন্য বিএসটিআই না করলেও চলে । শুধু ট্রেড লাইসেন্স করে নিতে পারেন ।

কারণ আপনার কাস্টমার হবে মাত্র ১০-১৫ জন মানুষ সর্বোচ্চ । আর পানির কোয়ালিটি যেহেতু এ্যাকুয়াফিনা বা একমি'দের মত তাই কোন অভিযোগও আসবেনা।

তাছাড়া রিভার্স অসমোসিস সিস্টেম এমনিতেই বিএসটিআই অনুমোদিত মেশিন ।


Email : waterlogicbd@gmail.com

Office Location : 63 East bashabo,

6th floor, Sobujbug, Dhaka1214

০১৭১১১৩৫৮৮৩, ০১৯২০১৬৮১১২, ০১৮১৩৭৮১১৭৮

বিস্তারিত
সরকারী ডাক ঘরের জীবন বীমা কি ? কিভাবে করবেন ডাক ঘরের জীবনবীমা? Bangladesh Post Office Life Insurance

বেসরকারি কোম্পানিতে জীবন বীমা করে ধরা খেয়েছেন অনেকেই। আবার অনেকে ভালো ও করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় বীমা কর্মীরা কাস্তমারের টাকা
জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করে দিয়েছে। জনগণের এসব দুর্দশার কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ চালু করেছে একটি জীবনবিমা পলিসি আছে,
যার নাম ‘ডাক জীবন বিমা’। এটি একটি জনকল্যাণমূলক বীমা  প্রকল্প । এই বীমা  প্রকল্প চলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তবে তা নিয়ন্ত্রণ,
পরিচালন ও বিপণনের পুরো কাজটি করে ডাক বিভাগ।
বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিক বাংলাদেশের যেকোনো ডাকঘরে গিয়ে এ পলিসি করতে পারেন।
সরকারী ডাক ঘরের জীবন বীমা উপমহাদেশে চালু রয়েছে ১৩৫ বছর ধরে। শুরুতে ১৮৮৪ সালে ডাক বিভাগের রানারদের আর্থিক নিরাপত্তা দিতে এটি চালু করা হয়েছিল।
দেশভাগের পাঁচ বছর পর ১৯৫৩ সালে সাধারণ জনগণের জন্য তা উন্মুক্ত করা হয়, যা এখনো চলমান।


সরকারী ডাক ঘরের জীবন বীমার প্রধান আকর্ষণ হলো নিম্নহারের প্রিমিয়াম ও উচ্চহারের বোনাস। বাংলাদেশের বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের যেমন উদ্দেশ্য থাকে
পলিসি বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করা, এ ক্ষেত্রে সরকারী ডাক ঘরের জীবন বীমা তা করে না। মুনাফার সবটুকুই বোনাস হিসেবে পলিসি গ্রাহকের মধ্যে বণ্টন করা হয়।
এমনকি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পক্ষে সইসহ বিমাকারীকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা (গ্যারান্টি) দেওয়া হয়। ডাক জীবন বিমার প্রিমিয়ামের পরিমাণও কম।
যদিও এ পরিমাণ নির্ভর করে বিমাকারীর বয়স ও পলিসির মেয়াদের ওপর।

কয়েক ধরনের ডাক জীবন বিমা পলিসি করা যায়, যেমন আজীবন বিমা, মেয়াদি বিমা, শিক্ষা বিমা, বিবাহ বিমা, যৌথ বিমা, প্রতিরক্ষা বিমা ইত্যাদি। আর কিস্তি জমা
দেওয়া যায় মাসিক, ত্রৈমাসিক, ষাণ্মাসিক ও বার্ষিক ভিত্তিতে। পলিসির কোনো ঊর্ধ্বসীমা নেই, অর্থাৎ যেকোনো অঙ্কের পলিসি করা যায়।

ঋণ নেওয়া যায়
মোট জমা টাকার ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যায় । পলিসি করার দুই বছর পার হওয়ার পর মোট জমা টাকার ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণও নেওয়া যায়।

এ ছাড়া বাতিল বিমা পুনরুজ্জীবন করা যায়, চাকরিজীবীদের বেতন থেকে কর্তনের মাধ্যমে প্রিমিয়াম পরিশোধ করা যায় এবং যেকোনো ডাকঘরে প্রিমিয়াম জমা
দেওয়া যায় এবং মেয়াদ শেষে যেকোনো ডাকঘর থেকেই টাকা উত্তোলন করা যায়। অগ্রিম প্রিমিয়াম দিলে কিছু সুবিধা দেওয়া হয়। পূর্বাঞ্চল (ঢাকা) ও পশ্চিমাঞ্চল
(রংপুর) নামে দুটি ভাগ করে ডাক জীবন বিমার কার্যক্রম পরিচালনা করে ডাক বিভাগ।

অনলাইন সুবিধা চালু হওয়ার পর এ সেবার গ্রাহক দিন দিন বাড়ছে।

ডাক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ডাক জীবন বিমার সেবা পরিচালিত হচ্ছে। প্রস্তাবপত্র পূরণ করে দেশের যেকোনো ডাকঘরে প্রথম
 কিস্তির টাকা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকের মোবাইল নম্বরে খুদে বার্তা (এসএমএস) চলে আসে। বিমাকারীরা এখন তাঁদের জমা দেওয়ার পরিমাণ ঘরে বসেই
জানতে পারবেন। বিমা পলিসির নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে নির্দিষ্ট জায়গায় ক্লিক করলেই জানা যায় সব তথ্য। কোনো অভিযোগ থাকলে ই-বার্তা পাঠালে ফিরতি
ই-মেইল বার্তায় জবাব দেওয়ার ব্যবস্থাও করে রেখেছে ডাক বিভাগ।

ডাক বিভাগের প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক সুত্রে জানা যায় এ বছরের মার্চ পর্যন্ত ডাক জীবন বিমার পলিসি গ্রাহক দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজারের মতো।
মেয়াদ শেষে আজীবন বিমার ক্ষেত্রে প্রতি লাখে ৪ হাজার ২০০ টাকা এবং মেয়াদি বিমার ক্ষেত্রে প্রতি লাখে ৩ হাজার ৩০০ টাকা বোনাস দেওয়া হয়।

প্রিমিয়াম বা কিস্তির হার

ডাক জীবন বিমার প্রিমিয়াম নগদে যেমন দেওয়া যায়, মাসিক বেতন থেকেও দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। সাধারণত বিমাকারীর বয়স ও পলিসির মেয়াদভেদে ভিন্ন ভিন্ন
হয়ে থাকে। যেমন আজীবন বিমার ক্ষেত্রে ১৯ বছর থেকে ৫৫ বছর বয়সের গ্রাহকেরা বিমা পলিসি গ্রহণ করতে পারবেন। আর বিমার পূর্ণতা পাবে ৫০, ৫৫, ৬০ ও ৭০
বছর মেয়াদে। বিমাকারীর মৃত্যুর পর শুধু নমিনি টাকা পাবেন। ১৯ বছর বয়সের একজন গ্রাহক ৫০ বছরের জন্যও পলিসি করতে পারেন।
সে ক্ষেত্রে মাসে প্রতি হাজারের বিপরীতে মাত্র ২ টাকা ১০ পয়সা হারে প্রিমিয়াম দিতে হবে।

মেয়াদি বিমার ক্ষেত্রে ১৯ বছর থেকে ৫৫ বছর বয়সের গ্রাহকেরা পলিসি করতে পারবেন। এই পলিসির পূর্ণতা পাবে যথাক্রমে ৫, ১০, ১৫, ২০, ২৫, ৩০, ৩৫ ও ৪০
বছর মেয়াদে। বিমাকারীর বয়স ও পলিসির মেয়াদভেদে এ বিমার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ প্রিমিয়ামের পরিমাণ ৪ টাকা ১০ পয়সা থেকে ১৮ টাকা ২০ পয়সা।

বিস্তারিত
মাত্র ১০০ টাকা বিনিয়োগ করে ৬ লাখ টাকার মালিক হয়ে যান ।। bangladesh bank prize bond information

বন্ধুরা আজকের পোষ্টে আমি একটু ভিন্ন একটি বিনিয়োগের ব্যপারে আলোচনা করবো। প্রাইজবন্ডের নাম অনেকেই শুনেছেন । আজকাল বিয়ে থেকে শুরু করে

জন্মদিনের উপহার হিসেবেও প্রাইজবন্ডের প্রচলন আছে । কিভাবে প্রাইজবন্ড মাত্র ১০০ টাকায় ক্রয় করে ৬ লাখ টাকার মালিক বনে যাওয়া সম্ভব সেটাই আলোচনা

করবো। এ জন্য শুধু একটা প্রাইজবন্ড কিনতে হবে, আর বছরে চারবার তা মিলিয়ে দেখতে হবে।

প্রাইজবন্ড আবংলাদেশ সরকারের চালু করেছিলো সেই  ১৯৭৪ সাল থেকে। সমাজের সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে সঞ্চয়প্রবণতা বৃদ্ধির জন্য এটি চালু করে জাতীয়

সঞ্চয় অধিদপ্তর।


প্রাইজবন্ডকে পুরস্কার বন্ড ও লটারি বন্ডও বলা হয়। আবার সুদের কোনো ব্যাপার নেই বলে একে সুদবিহীন বন্ডও বলা হয়। যেকোনো সময় এ প্রাইজবন্ড ভাঙিয়ে টাকা

ফেরত নেওয়া যায়। ভাঙানো ও কেনা—দুটোই করা যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সব ক্যাশ অফিস, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ডাকঘর থেকে। বিয়ে, বিবাহবার্ষিকী, জন্মদিন,

সুন্নতে খতনা, র‍্যাফেল ড্র—এসব অনুষ্ঠানে প্রাইজবন্ড উপহার দেওয়ার বেশ প্রচলন রয়েছে।


বিশ্বে প্রথম প্রাইজবন্ড চালু হয় ১৯৫৬ সালে আয়ারল্যান্ডে। বাংলাদেশে প্রথম চালু হয় ১৯৭৪ সালে। তবে তখন ছিল ১০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড। ১৯৮৫ সালে চালু

হয় ৫০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড। ১৯৯৫ সালে ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড চালু হওয়ার পর ১০ টাকা ও ৫০ টাকা মূল্যমানের বন্ডগুলো সরকার তুলে নেয়।


১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত হয় বছরে চারবার; ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর। ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারকে চেয়ারম্যান

করে গঠিত একটি কমিটি ড্র অনুষ্ঠান করে থাকে। তবে কেনার দুই মাস পার হওয়ার পর প্রাইজবন্ড ড্রয়ের আওতায় আসে। নতুন কেনা প্রাইজবন্ডের পাশাপাশি আগে

কিনে রাখা প্রাইজবন্ডও ড্রয়ের আওতায় থাকে। ড্র অনুষ্ঠানের দুই বছর পর্যন্ত পুরস্কারের টাকা দাবি করা যায়। এর মধ্যে কেউ দাবি না করলে পুরস্কারের অর্থ তামাদি

হয়ে সরকারি কোষাগারে ফেরত যায়।


প্রাইজবন্ডে প্রতি সিরিজের জন্য ৪৬টি পুরস্কার রয়েছে, যার মূল্যমান ১৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা। প্রথম পুরস্কার ১টি ৬ লাখ টাকা, দ্বিতীয় পুরস্কার ১টি ৩ লাখ ২৫ হাজার

 টাকা, তৃতীয় পুরস্কার ২টি ১ লাখ টাকা করে, চতুর্থ পুরস্কার ২টি ৫০ হাজার টাকা করে এবং পঞ্চম পুরস্কার ৪০টি ১০ হাজার টাকা করে।


জেতার পর মূল বন্ডসহ নির্ধারিত ফরমে আবেদন করলে সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে বিজয়ীকে পে-অর্ডার দেওয়া হয়। তবে ১৯৯৯ সালের ১ জুলাই থেকে পুরস্কারের টাকার

ওপর সরকারকে উৎসে কর দিতে হয় ২০ শতাংশ। প্রাইজবন্ড বিক্রি করে সরকার সরাসরি জনগণের কাছ থেকে ঋণ নেয়। ভারত-পাকিস্তানে ১০০ থেকে ৪০ হাজার রুপি

মূল্যমানের ৮ ধরনের প্রাইজবন্ড থাকলেও বাংলাদেশে ২০ বছর ধরেই রয়েছে শুধু ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড।


প্রাইজবন্ড ড্র কমিটির সচিব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক নির্মল কুমার সরকার। তবে এ পদে কয়েক বছর দায়িত্ব পালন করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক

মো. মাছুম পাটোয়ারী জানান, দেশে এত দিন ৪ কোটি ৪০ লাখ প্রাইজবন্ড থাকলেও সম্প্রতি এর পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সঞ্চয় অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গাফিলতি করে অনেকে প্রাইজবন্ডের নম্বর মিলিয়ে দেখেন না। ফলে প্রাপ্ত পুরস্কারও

 নিতে পারেন না অনেকে।


প্রাইজবন্ডের সুভিধা। 


• মাসিক সুদ আয় না থাকলেও লোকসানের ঝুঁকি নেই

• ড্র বছরে চারবার

• ড্র অনুষ্ঠিত হয়; ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর

• পুরস্কারের টাকার ওপর সরকারকে উৎসে কর দিতে হয় ২০ শতাংশ  


কোথায় থেকে কিনবেন প্রাইজবন্ড

পোষ্ট অফিস বা সরকারী ব্যাংক থেকে আপনি প্রাইজবন্ড কিনতে পারবেন। তবে যে কোন সময় এই প্রাইজবন্ড আপনি পোষ্ট অফিস বা ব্যাংক থেকে নগদ অর্থ দিয়ে ফিরিয়ে নিতে পারবেন।

বিস্তারিত
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের চালু করা ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’এর A to Z ।। Bangladesh Postal Service NOGOD Payment system
আপনার উৎপাদিত যে কোন পণ্য বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বি টু ওয়েবসাইট, অনলাইন পাইকারি বাজারে ফ্রিতে বিক্রি করুন। রেজিস্টার হতে ক্লিক করুন

সরকারি উদ্যোগে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ চালু করেছে ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ "Nogod"। অধিকতর নিয়ন্ত্রণ এবং শৃঙ্খলা বজায় রেখে মানুষকে আরও বেশি লেনদেনের স্বাধীনতা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয়েছে এই Nogod সেবাটি ১ অক্টোবর ২০১৮ থেকে।
যারা অনলাইনে ব্যবসা করেন এবং লিমিট নিয়ে সমস্যায় থাকেন তাদের জন্য এটা খুবই উপযোগী একটা সেবা। পুরোপুরিভাবে সেবাটি এখনও শুরু হয়নি। তবে কিছু ফিচার তারা চালু করেছে। এর মধ্যে আছে ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, সেন্ড মানি এবং মোবাইল ফোনের ব্যালেন্স টপ আপ ইত্যাদি।

ঢাকা এয়ারপোর্টে বা চট্টগ্রাম পোর্টে আমদানি করা পণ্যের কাস্টমস ক্লিয়ারিং করতে সি এন্ড এফ দরকার হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন । সি এন্ড এফ

বিকাশ, রকেটসহ অন্যান্য মোবাইল ব্যাংকিং এর সেবা পরিচালিত হয় বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের বিধি বিধান অনুযায়ী। কিন্তু ‘নগদ Nogod’ শীর্ষক এই সেবাটি পরিচালিত হচ্ছে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত “বাংলাদেশ পোস্টাল অ্যাক্ট অ্যামেন্ডমেন্ট ২০১০” এর ৩ এর ২ এফ ধারার সুদৃঢ় এবং সুস্পষ্ট আইন অনুযায়ী। ২০১০ সালে শুরু হওয়া পোস্টাল ক্যাশ কার্ড সার্ভিস ছিল বাংলাদেশ ডাক বিভাগের প্রথম ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস।

‘নগদ’ সেবার মাধ্যমে গ্রাহকরা বিকাশের চাইতে অধিকতর লিমিট সুবিধা পাচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে ডাক বিভাগের মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার মন্ডল বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থাপনায় ডাক বিভাগের রয়েছে শত বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা এবং দেশব্যাপী ৯৮৮৬টি পোস্ট অফিস। এই বিশেষ সেবাটির যথাযথ পরিচালনায় সরকারি দিক নির্দেশনা রয়েছে সুতরাং এর সঙ্গে অন্য কোন নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার অধিক্রমন হওয়ার কোন সুযোগ নেই ।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন পাইকারি বাজার থেকে পাইকারি ষ্টেশনারী আইটেম ক্রয় করতে ভিজিট করুন পাইকারী ষ্টেশনারী আইটেম

এছাড়াও সেবাটিকে আরও সুন্দর ও দক্ষতার সঙ্গে মানুষের দোরগো ড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষে সকল নিয়ম মেনে মাস্টার এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে ‘থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেড’ কে যাদের আছে এই খাতের পূর্বঅভিজ্ঞতা সম্পন্ন দক্ষ জনবল। প্রাথমিকভাবে হেড পোস্ট অফিসগুলোকে এবং পরবর্তী সময়ে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ের শাখাগুলোকে ‘নগদ’ সেবার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে ডাক বিভাগ।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন পাইকারি বাজার থেকে পাইকারি ভোগ্য পণ্য ক্রয় করতে ভিজিট করুন ভোগ্য পণ্য

কিভাবে নগদ Nogod হিসাব খুলবেন?
Nogod’ ‘নগদ’ হিসাব খুলতে হলে আপানার মোবাইলের সংযোগসহ কোন একটা ‘নগদ উদ্যোগটা’ পয়েন্টে যেতে হবে। সঙ্গে নিতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র, এনআইডি’র ফটোকপি এবং এক কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি। এবার ‘নগদ উদ্যোগটা’ পয়েন্ট কর্তৃক সরবরাহকৃত KYC ফর্ম পূরণ করুন নির্দেশমত। ব্যাস হয়ে গেল আপনার হিসাব খোলা। কোন ধরনের টেকনিক্যাল সমস্যা না থাকলে সঙ্গে সঙ্গে আপনার হিসাবটি একটিভ হয়ে যাবে। সিস্টেম এ পুরো প্রোফাইল আপডেট না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ সুবিধা পাওয়া যাবে না। এই সময়টাকে বলা হয় লিমিট প্রোফাইল। তবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিস্টেম এ প্রোফাইল আপডেট হওয়ার কথা।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন পাইকারি বাজার থেকে পাইকারি গার্মেন্টস আইটেম ক্রয় করতে ভিজিট করুন গার্মেন্টস আইটেম

কিভাবে ‘নগদ’ হিসাব ব্যবহার করবেন?
 ‘নগদ’ হিসাব ব্যবহার করতে হলে আপনার মোবাইল ফোনের সংযোগ থেকে USSD কোড *১৬৭# তে কল করুন অথবা প্লে-স্টোর থেকে Nagad অ্যাপ ইন্সটল করুন। তার আগে আপনার হিসাবটি একটিভ হতে হবে। এই মুহূর্তে রবি, টেলিটক এবং এয়ারটেল গ্রাহকরা শুধু USSD কোড ব্যবহার করে ‘নগদ’ হিসাব ব্যবহার করতে পারবেন। বাংলালিংক এবং জিপির গ্রাহকরা এখনও USSD কোড ব্যবহার করার সুবিধা পাচ্ছেন না। তবে খুব শীঘ্রই তারা এই কোড ব্যবহার করতে পারবেন বলে কল সেন্টার থেকে জানানো হয়েছে। যে কোন অপারেটরের গ্রাহকরা অ্যাপ ব্যবহার করে ‘নগদ’ হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন পাইকারি বাজার থেকে পাইকারি টুলস এবং হার্ডওয়্যার ক্রয় করতে ভিজিট করুন ভোগ্য পণ্য

গ্রাহক ফি ও উদ্যোক্তা কমিশনঃ
‘নগদ’ এর সার্ভিস ফি বিকাশের চাইতে কম এবং উদ্যোক্তা কমিশন বেশি। নিচে এটা দেখান হলো।

১। ক্যাশ ইনঃ ফ্রি
২। ক্যাশ আউটঃ প্রতি ১,০০০ টাকার জন্য USSD কোডের জন্য ১৮.০০ টাকা এবং অ্যাপের জন্য ১৭.০০ টাকা।
৩। সেন্ড মানি (পিটুপি) প্রতি লেনদেনের বিপরীতে USSD কোডের জন্য ৪.০০ টাকা এবং অ্যাপ থেকে ফ্রি।
৪। উদ্যোক্তা কমিশনঃ USSD কোড অথবা অ্যাপের মাধ্যমে ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট এর জন্য প্রতি ১,০০০ টাকার বিপরীতে ৪.২৫ টাকা।

পাইকারি টি-শার্ট, পলো শার্ট ক্রয় করতে ভিজিট করুন পাইকারি পলো শার্ট


গ্রাহক লেনদেনের লিমিটঃ
১। ক্যাশ ইনঃ
দৈনিক লিমিটঃ প্রতি লেনদেনের লিমিট ৫০,০০০ টাকা। দৈনিক লিমিট ২৫০,০০০ টাকা। প্রতিদিন ১০ বার লেনদেন করা যাবে।
মাসিক লিমিটঃ প্রতি লেনদেনের লিমিট ৫০,০০০ টাকা। মাসিক লিমিট ৫০০,০০০ টাকা। মাসে ৫০ বার লেনদেন করা যাবে।

২। ক্যাশ আউটঃ
দৈনিক লিমিটঃ প্রতি লেনদেনের লিমিট ৫০,০০০ টাকা। দৈনিক লিমিট ২৫০,০০০ টাকা। প্রতিদিন ১০ বার লেনদেন করা যাবে।
মাসিক লিমিটঃ প্রতি লেনদেনের লিমিট ৫০,০০০ টাকা। মাসিক লিমিট ৫০০,০০০ টাকা। মাসে ৫০ বার লেনদেন করা যাবে।

৩। সেন্ড মানি (পিটুপি)
দৈনিক লিমিটঃ প্রতি লেনদেনের লিমিট ৫০,০০০ টাকা। দৈনিক লিমিট ২৫০,০০০ টাকা। প্রতিদিন ৫০ বার লেনদেন করা যাবে।
মাসিক লিমিটঃ প্রতি লেনদেনের লিমিট ৫০,০০০ টাকা। মাসিক লিমিট ৫০০,০০০ টাকা। মাসে ১৫০ বার লেনদেন করা যাবে।

৪। মোবাইল ফোন টপ আপঃ প্রতি লেনদেনের লিমিট ১,০০০ টাকা। দৈনিক এবং মাসিক কোন লিমিট নেই।

সকল প্রকার স্পোর্টস আইটেম পাইকারি ক্রয় করতে ভিজিট করুন স্পোর্টস আইটেম

কাস্টমার সেবাঃ
‘নগদ’ এর কল সেন্টার সপ্তাহের ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে। এ ছাড়াও ঢাকার বনানীতে তাদের একটা কাস্টমার সেবা অফিস আছে। তারা পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কাস্টমার সেবা চালু করতে যাচ্ছে। আপনি এখন নিম্নোক্তভাবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

‘নগদ’ কল সেন্টারঃ ১৬১৬৭ অথবা ০৯৬০৯৬১৬১৬৭

ই-মেইলঃ info@nagad.com.bd
ডেল্টা ডালিয়া টাওয়ার (লেভেল ১৩ এবং ১৪)
৩৬, কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ
বনানী, ঢাকা।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন পাইকারি বাজার থেকে পাইকারি কৃষি পণ্য ক্রয় করতে ভিজিট করুন কৃষি পণ্য

উপসংহারঃ

বাংলাদেশের দুই তৃতীয়াংশ মানুষ এখনো আর্থিক সেবার আওতার বাইরে আছেন বলে জানিয়েছেন ডাক বিভাগের মহাপরিচালক। তাই প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষকে আর্থিক সেবার আওতায় আনার ক্ষেত্রে ‘নগদ’ সেবা বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন। তবে এটা কতটুকু সফলভাবে অগ্রসর হবে সেটাই এখন দেখার বিষয়। কেননা আমরা নিকট অতীতে দেখেছি ডিবিবিএল এর ‘রকেট’ ‘বিকাশ’ এর চেয়ে অনেক বেশি ফিচার নিয়ে এসেছিলো। তাদের সার্ভিস ফি ছিল অনেক কম। কিন্তু ভালমানের সেবা দিতে না পারার কারণে লাভজনক ভাবে গড়ে উঠতে পারেনি।
বিস্তারিত
ইন্ডিয়া থেকে বাইক আমদানি করবেন কিভাবে?? ।। How to import Motor Bike from India??

ইন্ডিয়াতে মোটরসাইকেলের দাম খুবই কম । কারণ ইন্ডিয়াতে মোটরসাইকেল উৎপাদন করা হয়। তাই যে কেউ চাইলেই একটা করে আমদানি লাইসেন্স (IRC) করে ইন্ডিয়া থেকে বাইক আমদানি করতে পারেন।

কিভাবে নতুন আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স করতে হয়, নতুন আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স ফি কত টাকা ? এসব নিয়ে আমদের ব্লগে বিস্তারিত আছে । সুতরাং আপনিও চাইলে আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স IRC করার পরে নিজে ভারতে গিয়ে মটরসাইকেল আমদানি করতে পারবেন।


উল্লেখ্য কলকাতা থেকে বেনাপোল / পেট্রাপোল কাস্টমস এর দুরত্ব মাত্র ৮৭ কিঃমিঃ। আর বেনাপোল থেকে ঢাকার দূরত্ব ২৭০ কিঃমিঃ এর মত। এক্ষেত্রে ট্রান্সপোর্ট খরচ ও অনেক কম।

ভারত ও বাংলাদেশ সরকার ল্যান্ড কাস্টমস এর মাধ্যমে মটরসাইকেল আমদানিরপ্তানি বানিজ্যকে অনুমোদন দিয়েছে।


সে ক্ষেত্রে ভারত থেকে যশোর এর বেনাপোল কাস্টমস এর মাধ্যমে সড়ক পথে ইন্ডিয়া থেকে বাইক আমদানি করা যাবে। ইন্ডিয়া থেকে বাইক আমদানি কার্যাধি অনেকের কাছেই অনেক কঠিন বলে মনে হয়।

জানা থাকলে কিন্ত এটা সাধারন একটা ব্যাপার।


পুরাতন মোটরসাইকেল আমদানিতে সিসি সীমা বৃদ্ধি করে নতুন আদেশ জারি করা হয়েছে। নতুন নিয়মে তিন বছরের অধিক পুরনো এবং ১৬৫ সিসির ঊর্ধ্বে সকল প্রকার মোটরসাইকেল

আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।


এর আগের আদেশে ১৫৫ সিসির ঊর্ধ্বে সব মোটরসাইকেল আমদানি নিষিদ্ধ ছিল।


তবে সর্বোচ্ছ তিন বছরের পুরাতন মোটর সাইকেল আমদানি করতে পারবেন। এই তিন বছর প্রমানের জন্য PSIC (Pre-shipment Inspection Certificate) লাগবে। এটা এজন্য যে আপনার গাড়িটি কত বছরের পুরাতন সেটা জানতে।


এতক্ষণে আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে মোটর বাইক মনে হয় বেনাপোলে নিয়ে আসলেই হবে। এর পর কিছু ট্যাক্স দিলেই কাজ শেষ।

এভাবে না। একটা মোটর সাইকেল আমদানি করতে আপনাকে নিচের ধাপ গুলি অনুসরণ করতে হবে।


১।  প্রথমে সেলারের সাথে দর দাম ঠিক করে একটা পি আই নিয়ে আসতে হবে। পি আই কি? কিভাবে পি আই আনতে হয়, এই লিঙ্কে বিস্তারিত দেয়া আছে। 


২। এই পি আই দিয়ে আপনাকে ব্যাংক থেকে LC করতে হবে।   সহজ ভাষায় LC কি ?? LC করার সহজ নিয়ম এখান থেকে বিস্তারিত দেখে নিতে পারেন।


৩। ব্যাংকে এল সি ওপেন করার পর সেলার আপনাকে পণ্য পাঠাবে। সেটা বেনাপোল বা যে কোন বন্দর দিয়ে পাঠাতে পারে। 


৪। এবার আমদানি করার সকল কাগজ পত্র ব্যাংকে থেকে নিয়ে কোন সি এন্ড এফ কে দিতে হবে। ওরাই আপনার হয়ে সকল কাজ সম্পন্ন করে  মোটরসাইকেল আপনাকে বুঝিয়ে দিবে।


৫। বাংলাদেশে আসার পর তা BRTC থেকে পরিক্ষা করিয়ে নিতে হবে।


৬। ১৫১% ডিউটি বা ট্যাক্স দিতে হবে।


৭। ১% রেফারেন্স ভেলু ট্যাক্স দিতে হবে


কত ট্যাক্স আসতে পারে??

উল্লেখ্য যে বিগত বছর গুলোর তুলনায় চলতি অর্থ বছরে ২০১৬-১৭ ফোর স্ট্রোক এর ৫০ সিসি থেকে অনধিক ২৫০ সিসি ক্ষমতাযুক্ত মোটরসাইকেল এর আমদানিশুল্ক অনেকটা কমিয়ে আনা হয়েছে।

ফোর স্ট্রোক এর ৫০ সিসি থেকে অনধিক ২৫০ সিসি ক্ষমতাযুক্ত মোটরসাইকেল এর সর্বমোট আমদানিশুল্ক ধার্য করা হয়েছে শতকরা ১৫১%।

বিস্তারিত
কিভাবে ইন্ডিয়া থেকে থ্রি পিস আমদানি করবেন? How to import Three piece from India ?

যদিও বাংলাদেশ ইন্ডিয়ার চেয়ে পোশাক উৎপাদনে অনেক এগিয়ে, কিন্তু সেসব পোশাক আন্তর্জাতিক বাজার দখল করে আছে। তবে লোকাল বাজারের পোশাক গুলি এখনও ইন্ডিয়া, পাকিস্তান অথবা চায়না কাপড়ে সয়লাব হয়ে আছে।

এসব কাপড়ের মধ্যে ইন্ডিয়ান থ্রি পিস গুলি বাংলাদেশে এখন প্রচুর পরিমাণে বিক্রি হয়ে থাকে। বাংলাদেশের মেয়েদের পছন্দের প্রথম সারিতে আছে ইন্ডিয়ান আর পাকিস্তানি থ্রি পিস। তবে আমি ব্যক্তি গত ভাবে বলবো আমদের দেশিয় থ্রি পিস গুলিও কিন্তু ভালো। বিদেশি পণ্য পরিহার করার চেষ্টা করবেন। আজকের পোষ্ট টা আমি তৈরি করেছি ইন্ডিয়ান পণ্য আমদানি কারক ব্যবসায়ীদের জন্য। ছোট বড় সকল ব্যবসায়ীরাই এভাবে ইন্ডিয়া থেকে থ্রি পিস সহজে আমদানি করতে পারেবেন।

ইন্ডিয়ান থ্রি পিস আমদানি করতে আপনাকে কয়েকটি ধাপ পার করতে হবে।আমি বিস্তারিত লিখবো ।

তবে আপনি যদি দেশি কিছু কিনে ব্যবসা করতে চান তবে ভিজিট করতে পারেন, পাইয়াকারি থ্রী পিছ , ব্লক বাটিক থ্রী-পিছ , আট গজ কাপড়ের থ্রি-পিস , Vip Gold থ্রী পিছ , চায়না বাটিক থ্রী-পিছ

আমদানি লাইসেন্স

বৈধ ভাবে বিশ্বের যে কোন রাষ্ট্র থেকে পণ্য আমদানি করতে আপনাকে আমদানি লাইসেন্স করতে হবে। আমদানি লাইসেন্স কিভাবে করতে হয় সেটি নিয়ে আমদের ওয়েবসাইটে অনেক বড় পোষ্ট আছে পড়ে নিবেন।

সংক্ষিপ্ত করে বলি, আমদানি লাইসেন্স করতে আপনাকে একটা ট্রেড লাইসেন্স , ভ্যাট, টিন করতে হবে প্রথমে। এগুলি নিয়ে আমদানি নিবন্ধকের কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। তবে এসব ঝামেলা আপনি কোন এজেন্ট দিয়ে করিয়ে নিলেই ভালো হবে। তারা দ্রুত করতে পারবেন।

একটি কমপ্লিট আমাদানি লাইসেন্স করতে আপনাকে কম বেশী ২৫০০০-৩০০০০ টাকা খরচ করতে হবে।

স্যাম্পল দেখা

আপনি যদি অনলাইনে ইন্ডিয়ান সেলারের সাথে কথা বলেন তবে ফাইনাল অর্ডার করার আগে স্যাম্পল এনে দেখে নিবেন। আর যদি আপনি সরা সরি ইন্ডিয়াতে গিয়ে পণ্য দেখে আসেন তবে স্যাম্পাল আমদানি করার দরকার নাই। সাধারণত বিদেশ থেকে স্যাম্পল আমদানি করতে গেলে আপনাকে ৪-৫ হাজার টাকা খরচ করতে হবে। ১০ হাজার টাকা খরচ করলে আপনি ইন্ডিয়া গিয়েই পণ্যের স্যাম্পল নিয়ে আসতে পারবেন।

তবে আপনি যদি নিজেই

ইন্ডিয়া

যান, তাহলে কম পক্ষে ৫-১০ পিস নিয়ে আসবেন । এতে করে আপনি স্যাম্পল বিক্রি করে কাস্টমারের ফিডব্যাক জানতে পারেন।

Exporter Code (IEC)

এবারের কাজ হলো ইন্ডিয়ান যে থ্রি পিস সেলার আছে তার Importer Exporter Code (IEC) আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। কারণ Importer Exporter Code (IEC) ছাড়া ইন্ডিয়া থেকে পণ্য রপ্তানি করা যায়না। বিক্রেতা দোকানদারের এসব না থাকলে আপনি কোন এজেন্ট ধরে তাদের দিয়ে রপ্তানির কাজ করিয়ে নিতে পারবেন। অনেক কোম্পানি আছে যারা এসব করে দিবে। এজন্য তাদের কিছু ফি দেয়া লাগবে।আপনি বিভিন্ন দোকান থেকে পণ্য ক্রয় করে তাদের দিয়ে আসলে তারা বাংলাদেশে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করে দিবে।

পি আই আনা

এবারের কাজ হল সেলারের কাছ থেকে পি আই বা Proforma Invoice আনা। PI Proforma Invoice কি আমদানিতে PI এর গুরুত্ব কেন বেশি, এসব নিয়ে বিশাল পোষ্ট আছে। দেখে নিবেন। পি আই তে আপনার কোম্পানির একটি সিল মেরে সাইন দিয়ে আপনি যে ব্যাংক থেকে এলসি করতে চান সে ব্যাংকে চলে যাবেন। পি আইতে আপনার পণ্যের দাম, ওজন, পরিমাণ, আমদানিকারকের নাম, রপাতানি কারকের নাম,

রপ্তানি কারকের ব্যাংক আকাউন্ট নাম্বার ইত্যাদি উল্লেখ থাকবে।

ইন্ডিয়ান থ্রি পিস আনতে কত ট্যাক্স দিতে হবে??

এই বিষয়টা খুব জটিল । অনেকেই হিসেব করতে পারেননা কত ট্যাক্স আসতে পারে। আমি আগেও বলেছিলাম , যেসব পণ্য আমাদের দেশে উৎপাদন হয় সেসব পণ্য আমদানি করলে ট্যাক্স অনেক বেশী দিতে হয়। আমার কাছে নিচের HS Code টি ইন্ডিয়ান থ্রি পিস এর জন্য অধিক যুক্তি যুক্ত মনে হচ্ছে।

62041200

Women'S Or Girls' Suits Of Cotton

25.00

45.00

15.00

5.00

3.00

4.00

0.00

------------------

127.84

টোটাল ট্যাক্স আসে ১২৭.৮৪ টাকা । তার মানে আপনি ১০০০ টাকার ইন্ডিয়ান থ্রি পিস আমদানি করলে আপনাকে ট্যাক্স দিতে হবে ১২৭৮ টাকা ( কম বেশী)

তবে কাস্টমস প্রতি ইন্ডিয়ান থ্রি পিস কম বেশী ১০ ডলার ধরে আসেসমেন্ট করবে। অর্থাৎ আপনি যদি ৫ ডলার ঘোষণা দেন, তাহলেও ১০ ডলার ধরেই আসেসমেন্ট হবে।

এলসি করা

এবার পি আই নিয়ে কোন একটা ব্যাংকে চলে যাবেন। যত ডলার এল সি করতে চান তাদের বলবেন। তবে এলসিতে আপনি যে পণ্য আমদানি করবেন মূল ক্রয় দাম উল্লেখ করতে হয়।

খুব সাবধানে এলসি ফর্ম পুরন করতে হবে। এখানে আপনি যে পণ্য আনবেন তার নাম এবং HS কোড এবং ফুল ভালু উল্লেখ করতে হবে। কোন ভাবেই জেন HS কোড ভুল না হয়।

এবার ব্যাংক সকল কাগজ পত্র সেলারকে পাঠাবে। সেলার সব যাচাই বাছাই করে, ট্রাক চালান, এল সি ফর্ম, পি আই, কমার্শিয়াল ইনভএস, প্যাকিং লিস্ট পুনরায় বাঙ্কে পাঠাবে।

ব্যাংক সকল কাগজ পত্র সাইন করে আপনাকে দিয়ে দিবে।

তবে আপনি যদি দেশি কিছু কিনে ব্যবসা করতে চান তবে ভিজিট করতে পারেন, পাইয়াকারি থ্রী পিছ , ব্লক বাটিক থ্রী-পিছ , আট গজ কাপড়ের থ্রি-পিস , Vip Gold থ্রী পিছ , চায়না বাটিক থ্রী-পিছ

পণ্য ছাড় করানো

এবার এসব আপনি বেনাপোল বা যে সীমান্ত দিয়ে আমাদনি করবেন সেখানে কোন সি এন্ড এফের মাধ্যমে কাস্টমে জমা দিবেন।

সি এন্ড এফে আপনাকে ৩-৪ দিনে পণ্য খালাস করে দিবে। সি এন্ড এফ কি তা নিয়ে বিশাল পোষ্ট আছে। দেখে নিবেন ।

বিস্তারিত
কিভাবে স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স করতে হয় ?? How to import gold

যে বিপুল পরিমাণ   স্বর্ণ  বেচাকেনা হয় দেশে তার একটি বড় অংশ আসে চোরাই পথে।  স্বর্ণ  আমদানি লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি  স্বর্ণ নীতিমালা ২০১৮ টি ২০১৮ এর অক্টোবরে

মন্ত্রীসভায় নীতিমালাটি অনুমোদিত হয়। এবং  স্বর্ণ  আমদানি লাইসেন্স পাওয়ার আবেদনপত্র বিতরণ শুরু হয়েছে ২০১৯ এর ১৮ মার্চ থেকে।


* অবেদন পত্রটি যে কোন প্রতিষ্ঠান যে কোন ব্যক্তি নিতে পারবে। আপনি যদি আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য   স্বর্ণ  আমদানি লাইসেন্স পেতে চান এক্ষেত্রে আপনার লাগবে,


১- প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স।


২- টিআইএন এর সনদ পত্র ।


৩- ব্যবসা শনাক্ত করন নম্বরের সনদ পত্র।


৪-  স্বর্ণ ক্রয়,  সংরক্ষন ও বিতরণ আদেশ ১৯৮৭ অওতায় লাইসেন্স কপি।


৫- সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য কপি।


৬- দোকান যদি ভাড়া হয় তাহলে চুক্তিনামার কপি।


৭- মুল্ধন লাগবে ১ কোটি টাকা।


৮- ব্যাংকে ৫ লক্ষ টাকার অফেরত যোগ্য পে অর্ডার থাকতে হবে।



* অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের ক্ষেত্রে এ ছাড়া আরো লাগবে,


১ - অনুমদিত ডিলারের লাইসেন্স কপি।


২- ব্যাংক লাইসেন্স কপি।


৩- ব্যাংকের জনবল, নিরাপত্তা, তথ্য বিষয়ে বিবরণ দিতে হবে।


উপরুক্ত বিষয়ের ডকুমেন্ট নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগে আবেদন পত্রের সাথে জমা দিলে তারা আপনাকে স্বর্ন আমদানির লাইসেন্স দিয়ে দিবে।


এক সুত্রে যানা যায়  স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স এর মেয়াদ ২ বছর। স্বর্ন আমদানির লাইসেন্স শেষ হওয়ার ৩ মাস আগে ২ লাখ টাকা নবায়ন ফ্রি দিয়ে লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে।


বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন,  স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স নেওয়া শুরু হলে ব্যাক্তি পর্যায়ে মানুষ হয়রানি মুক্ত হবে এবং সরকার লাভবান হবে কারণ সরকার  স্বর্ণ  আমদানি থেকে শুল্ক পাবে।


সরকারের এই উদোগকে তাদের সংগঠন (বাংলাদেশ জুয়েলারি ম্যনুফ্যকচারার্স এন্ড এক্সপোর্ট এসোসিয়েশন) স্বাগত জানান। এবং তারা বলেন, সরকারকে সহনশীল মাত্রায় শুল্ক নির্ধারণ করতে হবে। তা না হলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়বে।

বিস্তারিত
৫ টি জনপ্রিয় ক্ষুদ্র ব্যবসার আইডিয়া ।। Five popular business idea

যারা অল্প টাকার ব্যবসার আইডিয়া খুজতেছেন তাদের জন্য আজকের পোষ্টে আমি দেখাবো অল্প টাকায় শুরু করা যায় এমন কয়েকটি ব্যবসার আইডিয়া ।
আজকে কয়েকটি ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে কোথা বলবো যেগুলি খুব সহজেই শুরু করা যায়।

১। মোবাইল রিপায়ারিং ব্যবসা।

আজকাল প্রায় প্রত্যেকটি মানুষের হাতে আছে স্মার্ট ফোন। এসব স্মার্ট ফোন ক্রয় করার কিছু দিন পরেই শুরু হয় বিভিন্ন সমস্যা। আর এই সমস্যা সমাধান করেই
চলবে আপনার ব্যবসা। এই ব্যবসা শুরু করতে খুব বেশী মূলধন লাগেনা। যেকেউ চাইলে এই ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন। বাজারে মোবাইলের দোকানের এক কোনায়
একটা ছোট টেবিল আপনিও বসে যেতে পারেন। কিছু প্রাথমিক যন্ত্র পাতি কিনতে হবে। ৮-১০ হাজার টাকা হলেই চলবে। গ্রামের ব্যবসা অথবা শহরের ব্যবসা যেকোনো
জায়গায় শুরু করতে পারবেন মোবাইল রিপায়ারিং ব্যবসা ।

২। ফুলের দোকানের ব্যবসা।
আপনি চাইলে এটাকে  গ্রামের ব্যবসা হিসাবেও করতে পারেন। এই ব্যবসা করতে আপনাকে খুব বেশী টাকা বিনিয়োগ করতে হবেনা। মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক
 বেশী সৌখিন । বিয়ে , জন্মদিন, প্রিয়জনকে উপহার বা বিভিন্ন উপলক্ষ গুলি যেমন ভালবসা দিবস, ২১ সে  ফেব্রুআরিতে প্রচুর পরিমাণে ফুল বিক্রি হয়ে থাকে।
আপনি চাইলে খুব কম টাকায় এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

৩। ই কমার্স ব্যবসা।
এটা নিয়ে অনেক পোষ্ট আছে। তার পরও লিখতে হয়। বর্তমানে অনেকেই এই ব্যবসার আইডিয়া দিয়ে প্রচুর পরিমাণে টাকা আয় করতেছেন। ফেসবুকে একটি পেজ খুলে
যে কেউ অনয়সে এই ব্যবসা করতে পারবেন। এই ব্যবসা করতে তেমন বেশী পুঁজি লাগেনা। আপনি প্রথমে ঠিক করতে হবে কোন কোন পণ্য নিয়ে ব্যবসা করতে চান। এর
পর সেসব পণ্য ফেসবুকে পোষ্ট করতে থাকুন। আস্তে আস্তে কাস্তমার বাড়তে থাকবে আর আপনার ব্যবসাও বাড়তে থাকবে।

৪। ব্লগিং করে আয়
অনালাইনে ব্লগিং করে আয় করাটা তেমন কোন কঠিন কাজ না। যে কেউ চাইলে ব্লগিং করে আয় শুরু করতে পারেন। আপনাকে প্রথমে চিন্তা করতে হবে কোন
বিষয়টা আপনি খুব ভালো করে জানেন। প্রথমে ব্লগস্পটে একটা ওয়েবসাইট খুলুন ৷ ধরুন আপনি বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান গুলো নিয়ে ব্লগ ওপেন করবেন ৷
নাম দিলেন visitbd.blogspot.com এবার অনলাইন থেকে ফ্রী টেমপ্লেট নামিয়ে আপলোড করে নিন ৷ হয়ে গেল আপনার পার্সোনাল ব্লগ ।

কিভাবে ব্লগস্পটে ওয়েবসাইট ওপেন করবেন ??
প্রথমে বলে রাখি ওয়ার্ড প্রেসে ব্লগ খুলতে হোস্টিং কিনতে হয় ২-৫০০০ টাকা দিয়ে। সে জন্য আমি blogger.com নিয়ে কথা বলবো। কারণ সেটা ফ্রি হোস্টিং।
প্রথমে blogger.com এ ক্লিক করুন ৷ এখানে আপনার যদি জিমেইল একাউন্ট থাকে তবে সেটা দিয়েই সব করতে পারবেন। যদি না থাকে তবে তবে একটা
জিমেইল একাউন্ট করে নিন। এর পর create blog এ ক্লিক করুন ৷ এবার নাম সিলেক্ট করুন ৷ ব্যাস হয়ে গেল ব্লগ ৷ না পারলে ইউটিউব এ গিয়ে
ভিডিও দেখে নিন ৷ কিভাবে blogger.com ব্লগস্পটে ওয়েবসাইট ওপেন করতে হয় এসব নিয়ে বাংলায় প্রচুর ভিডিও আছে।

৫। মোবাইল বিকাশের ব্যবসা

বিকাশ ব্যবসা এখন খুব জমজমাট একটি ব্যবসা। দেশে অনেকেই আছেন যারা বিকাশ ব্যবসা করে অনেক টাকা আয় করে থাকেন।
মূলত বর্তমান সময়ে টাকা লেনদেনের সবচেয়ে সহজ মাধ্যম মোবাইল ব্যাংকিং। মোবাইল ব্যাংকিং এখন এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে
যে প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ এ মাধ্যমে লেনদেন করছে। বিভিন্ন ব্যাংক নানা নামে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
যেমন- ব্র্যাক ব্যাংকের বিকাশ, ইউসিবির ইউক্যাশ, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং, গ্রামীণফোনের মোবিক্যাশ ইত্যাদি।

বিস্তারিত
৫০০০ টাকা পুঁজিতে বাড়িতে বসে ব্যবসা শুরু করুন ।। Home business idea

আপনি যদি বেকার থাকেন আর বাড়িতে বসে ব্যবসাকরতে চান তবে আজকের এই পোষ্ট

আপনার জন্য। এমন কিছু ব্যবসা আছে যেগুলি বাড়িতে বসে নামমাত্র টাকায় শুরু করেই লাভের মুখ দেখা সম্ভব।

বাড়িতে বসে ব্যবসা আপনি দুই ভাবে করতে পারেন। একটা হল অনলাইনে আরেকটা হল অফলাইনে। অনলাইনে কিভাবে  বাড়িতে বসে ব্যবসাকরা যাবে সেতা নিয়ে পরের একটি পোষ্টে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আজকের পোষ্টে আমি দেখাবো কিভাবে অফলাইনে

বাড়িতে বসে ব্যবসা করতে পারবেন।

আপনারা অনেকেই চায়না হাঁস বা বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় টার্কি মুরগী সম্পর্কে জেনে থাকবেন।


অবিশাস্য হলেও এটাই সত্যি  টার্কি মুরগির ৪শ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে ডিম। খেতে সুম্বাদু টার্কি মুরগির মাংসের ব্যাপক চাহিদা থাকায় আপনি চাইলে বাড়িতে টার্কির খামার গড়ে তুলতে পারেন। তবে বর্তমানে টার্কির দাম অনেকটা কমে এসেছে। আপনি চাইলে মাত্র ৫০০০ টাকা নিয়ে বাড়িতে বসে ব্যবসা শুরু করতে পারেন এই টার্কি মুরগির।


দুই মাস বয়সের প্রতিটি টার্কি কিনতে পারবেন ৩শ টাকা করে। আপনি যদি প্রথমে ১০ টি টার্কি কিনেন তাহলে ৩০০০ টাকাই হয়ে যাবে।  চেষ্টা করবেন মুরগি অন্তত ৭টি এবং মোরগ অন্তত ৩ টি ক্রয় করার জন্য। ৬ থেকে ৭ মাস বয়সে টার্কি ডিম দেয়া শুরু করে। দেশি মুরগির মতো ১৫ থেকে ২০টি ডিম দেওয়ার কিছুদিন পর আবার ডিম দেয় ।


তবে ৭ টি স্ত্রী টার্কির জন্য সমান সংখ্যক পুরুষ টার্কির দরকার নেই। সংখ্যায় বেশি হলে পুরুষ টার্কি অধিকাংশ সময় মারামারিতে লিপ্ত হয়। তাই দুই থেকে তিন টি পুরুষ টার্কি রেখে বাকি গুলো বিক্রি করে দিবেন । সাধারণ মুরগির মত রোগ বালাই হলেও টার্কির খামার করার পর তেমন বড় ধরনের কোনো অসুখ দেখা দেয়না।


তবে টার্কির রোগবালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা খুবই প্রবল। ৬ মাসে একটি পুরুষ টার্কির ওজন হয়েছে ৫ থেকে ৬ কেজি এবং স্ত্রী টার্কির ওজন হয়েছে ৩ থেকে ৪ কেজি। যদি সাতটি ত্রী টার্কিঠিক ঠাক মত ডিম দেয় তবে ১০০ টির মত ডিম আপনি পেয়ে জাবেন। যদি ১০০ টি ডিম ফোটাতে পারেন তবে বাচ্ছা বিক্রি করতে পারবেন ১৫-২০ হাজার টাকা ।


খাবার বলতে ঘাস হচ্ছে টার্কির প্রধান খাবার। এছাড়া পাতা কপি, কচুরিপনা এবং দানাদারযুক্ত খাবার হচ্ছে টার্কির খাবার। তাই যে কেউ অনায়াসে টার্কি পালন করে লাভবান হতে পারেন।


এছাড়া একটি পুরুষ টার্কি ৬ মাসে ৫ থেকে ৬ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। যদি ৩শ টাকা কেজি ধরা হয় তাহলে ৬ কেজি ওজনের একটি টার্কির মূল্য হচ্ছে ১ হাজার ৮শ টাকা। এর জন্য খরচ সর্বসাকূল্যে ৫শ টাকার বেশি হবে না।


তবে সাবধান থাকবেন কারণ ভারত থেকে নিম্নমানের টার্কির বাচ্চা নিয়ে আসছে একটি প্রতারক চক্র। কম টাকায় বাচ্চাগুলো বিক্রি করায় সহজে ক্রেতা আকৃষ্ট হচ্ছেন। কিন্তু এ গুলোর মান খুবই খারাপ। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাচ্চাগুলো মারা যাচ্ছে। তবে সহজে নিম্নমানের বাচ্চা চেনার কোনো উপায় না থাকায় আপনি চেষ্টা করবেন বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান থেকে বাচ্চা সংগ্রহ করতে।


যে কেউ বাড়িতে বসে ব্যবসা করতে চাইলে এই আইডিয়াটি একটি চমৎকার আইদিয়া। আপনিও শুরু করতে পারেন বাড়িতে বসে ব্যবসা।

বিস্তারিত
alibaba & Import Export expert

আমদানি,রপ্তানি,আলিবাবা নিয়ে যেকোনো সমস্যায় আমাকে ফেসবুকে মেসেজ করুন।

এখানে ক্লিক করুন
© 2020 eibbuy. All Rights Reserved.
Developed By Takwasoft