দুধ উৎপাদনে মাত্র ৪% মুনাফায় ঋণ পাবেন খামারিরা ।। only 4% interest for milk production loan

খামারিরা গাভির দুধ উৎপাদনে ব্যাংক থেকে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। এত দিন এই ঋণের সুদ মাত্র ৫ শতাংশ নেওয়া হত।
 বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনরর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় এই অর্থ বিতরণ করা হয়। এখন থেকে কম সুদে গাভি-বকনা বাছুর কেনা ও লালন-পালনের
জন্য ব্যাংক ও বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। এই ঋণ কেবল দুধ উৎপাদন এবং কৃত্রিম প্রজননের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত খামারিরাই
পাবেন। যে কেউ একক ও যৌথ নামে এই ঋণ সুভিধা নিতে পারবেন । তবে এই সুদের হার আগামী ১ নভেম্বর থেকে চালু হবে।
ঋণ বিতরণ করতে গিয়ে ব্যাংক ও বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যে পরিমাণ সুদের টাকা ক্ষতি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংক ভর্তুকি হিসেবে তাদেরকে
ফেরত দিবে । বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণ বিভাগ থেকে প্রতিটি ব্যাংক ও বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দেশকে দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য ২০১৫ সাল থেকে ৫ শতাংশ রেয়াতি সুদে ঋণ দেওয়ার জন্য কর্মসূচি হাতে নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
ওই নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংক বা  আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণের বিপরীতে সুদ ক্ষতি বা ভর্তুকি বাবদ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে ৫ শতাংশ ফেরত পেত।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের  এক নির্দেশনায় গ্রাহক পর্যায়ে সুদের হার ১ শতাংশীয় মাত্রা কমিয়ে ৪ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়।
দুধের আমদানিনির্ভরতা কমাতে এর উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃত্রিম প্রজনন করে দুগ্ধ খামারের পরিধির বাড়ানোর ওপর ভিত্তি করে এই ঋণ দেওয়া হয়।
একজন ব্যক্তি একটি বকনা বাছুর কেনার জন্য ৪০
হাজার টাকা এবং লালন-পালনের জন্য ১০ হাজার টাকা হারে ঋণ পাবেন। তবে একজন খামারি সর্বোচ্চ চারটি বকনা বাছুরের জন্য সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা ঋণ নিতে পারেন।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উনয়ন ব্যাংক,
বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংক, আইএফআইসি, মিডল্যান্ড, ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে এই ঋণ পাওয়া যাবে। এ ছাড়া বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলির মধ্যে আনসার-ভিডিপি
উন্নয়ন ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক ও আইডিএলসি ফাইন্যান্স থেকেও এই ঋণ পাওয়া যাবে।

বিস্তারিত
কিভাবে ক্ষুদ্র আমদানি ব্যবসা শুরু করবেন ? ।। How to start small import business

বাংলাদেশে এখন আমদানী প্রচুর পরিমানে বাড়তেছে ৷ অনেকেই খুজেন কিভাবে ক্ষুদ্র আমদানি ব্যবসা শুরু করা যায় ৷ কিন্তু ক্ষুদ্র আমদানি ব্যবসা শুরু করা

এত সহজ কাজ না ৷ আজকে আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে ক্ষুদ্র আমদানি ব্যবসা শুরু করা যাবে ৷


আমদানী ব্যবসার প্রথম ধাপ হলো কি পন্য আমদানী করবেন তা ঠিক করবেন ৷ যে পন্যই আপনি আমদানী করতে চান সেটি যেন কম পরিমানে আমদানী


ধরুন আপনি ১০০ কেজি পন্য আমদানী করবেন , সাগর পথে আমদানী করলে প্রতি কেজি ১ থেকে ২ ডলার করে ভাড়া হবে ৷ কিন্ত আকাশ

পথে ক্ষুদ্র আমদানি ব্যবসা করার জন্য পন্য আনলে ধরা খাবেন ১০০% ৷ কারন বিমানে প্রতি কেজি ৭-৮ ডলার করে নিবে ৷


সাগর পথে খুচরা পন্য আমদানী করাকে LCL বলে ৷ কিন্তু LCL করতে হলে ৪-৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত ফি ফরওয়াডার কে দিতে হবে ৷

যা বিমানে আনলে এত বেশী লাগবেনা  পোর্ট থেকে যে কোন পন্য ১০ কেজি বা ১০০ কেজি, সব কিছু ছোট গাড়িতে করে বের করতে হবে সেজন্য অতিরিক্ত ২০০০ টাকা যোগ হবে ৷


এ ছাড়া ছোট যে কোন সি এন্ড এফ কে মিনিমাম ৫০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। ভাড়া ছাড়া ১০-১৫ হাজার টাকা খরচ ধরে নিবেন। সাথে ট্যাক্স, পরিবহন ভাড়া

জোগ হবে।


এবার কথা বলবো ঢাকা এয়ারপোর্ট নিয়ে। ঢাকা এয়ারপোর্ট  দিয়ে পণ্য আনলে  সি এন্ড এফ কে মিনিমাম ৫০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।

ফরওয়াডার টাকা দিতে হবে ২-৩০০০ টাকা। টা ছাড়া বিমানে  ভাড়া অনেক বেশী। প্রতি কেজি ৭-৮ ডলার  প্রায়৷


আর যেকোনো পরিমাণ পণ্যের জন্য এলসি করতে ১০ হাজার টাকা খরচ হবে। যে কোন পরিমাণ পণ্য আমদানি করেন মিনিমাম এই খরচ আপনাকে দিতেই হবে।

তবে সবচেয়ে ভালো হয় সেলার কে বলা যে আপনার পণ্য চট্টগ্রাম বা ঢাকা এয়ার পোর্ট পর্যন্ত পৌঁছে দিতে।

 ক্ষুদ্র আমদানি ব্যবসা করার আগে পণ্য সঠিক ভাবে বাছাই করুন এবং পণ্যের মূল দামের সাথে এসব খরচ যোগ করে দেখুন বাজারে এই পণ্য কত দামে

সেল করা হয়। এর পর যদি মনে হয় আপনি লাভ করতে পারবেন তবে শুরু করে দিন । আর লস হলে এটা করা যাবেনা। কারণ একই খরচ ১০০০০ কেজি আনলেও

হবে। যদিও ট্যাক্স পণ্য অনুযায়ী হবে কিন্তু অন্যান্য খরচ একি হয়। এজন্য বড় আমদানি কারকদের সাথে ক্ষুদ্র আমদানি ব্যবসা টিকে থাকতে পারেনা।

বিস্তারিত
ব্লগিং থেকে কিভাবে আয় করতে পারবেন ।। How to income from blogging

যেদিন থেকে গুগল এ্যডসেন্স বাংলা অনুমোদন দিলো, সেদিন থেকে বাংলাদেশের ব্লগিং জগতে ঘটে গেল এক যুগান্তকারী ঘটনা ৷ এখন বংলা লেখা ব্লগ থেকে়ও আয়

করা সম্ভব ৷ মাত্র ১০০০ টাকায় ডোমেইন কিনে ব্লগস্পটে হোষ্টিং করে অনেকেই নিরবে টাকা ইনকাম করে যাচ্ছে, আমরা যার চিটে ফোটাও টের পাইনা ৷


আজকের পোষ্টে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করবো ব্লগিং করে কিভাবে আয় করা যাবে ৷ ইনভেষ্ট মাত্র ১০০০ টাকা ৷ শেষ পর্যন্ত সাথে থাকবেন ৷


ব্লগিং কি ??

আমাদের ওয়েবসাইট টা দেখেছেন নিশ্চয়ই ৷ এটা একটা ব্লগ সাইট দিয়ে করা ৷ ব্লগস্পটে বা ওয়ার্ড প্রেসে হোস্টিং করা ৷ ব্লগিং হলে আপনার জানা কোন বিষয় ইন্টারনেটের

মাধ্যমে সবার কাছে ছড়িয়ে দেওয়া ৷ সেটা যাই হোক ৷ কবিতা বা গল্প বা রন্নার ফর্মুলা ৷


কিভাবে শুরু করবেন ?

প্রথমে ব্লগস্পটে একটা ওয়েবসাইট খুলুন ৷ ধরুন আপনি বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান গুলো নিয়ে ব্লগ ওপেন করবেন ৷ নাম দিলেন visitbd.blogspot.com

এবার অনলাইন থেকে ফ্রী টেমপ্লেট নামিয়ে আপলোড করে নিন ৷ হয়ে গেল আপনার পার্সোনাল ব্লগ ।


কিভাবে ব্লগস্পটে ওয়েবসাইট ওপেন করবেন ??

প্রথমে বলে রাখি ওয়ার্ড প্রেসে ব্লগ খুলতে হোস্টিং কিনতে হয় ২-৫০০০ টাকা দিয়ে। সে জন্য আমি blogger.com নিয়ে কথা বলবো। কারণ সেটা ফ্রি হোস্টিং।

প্রথমে blogger.com এ ক্লিক করুন ৷ এখানে আপনার যদি জিমেইল একাউন্ট থাকে তবে সেটা দিয়েই সব করতে পারবেন। যদি না থাকে তবে তবে একটা

জিমেইল একাউন্ট করে নিন। এর পর create blog এ ক্লিক করুন ৷ এবার নাম সিলেক্ট করুন ৷ ব্যাস হয়ে গেল ব্লগ ৷ না পারলে ইউটিউব এ গিয়ে

ভিডিও দেখে নিন ৷ কিভাবে blogger.com ব্লগস্পটে ওয়েবসাইট ওপেন করতে হয় এসব নিয়ে বাংলায় প্রচুর ভিডিও আছে।


কিভাবে .com ডোমেইন নিবেন ?

প্রথমে ব্লগস্পটে ফ্রী ডোমেইন দিয়ে ব্লগিং শিখুন ৷ পোষ্ট করতে থাকুন। মাঝে মাঝে ফেসবুকে শেয়ার করুন । এবার দেখুন ভিজিটর কি রকম আসে।

দুই তিন মাস পর দেখবেন অল্প অল্প ভিজিটর গুগল থেকে আসা শুরু হয়েছে। এবার webmasters tools এ গিয়ে

আপনার সাইট এর একটি সাইট ম্যাপ সাবমিট করুন। কিভাবে করবেন  ইউটিউব এ গিয়ে ভিডিও দেখে নিন ৷ Webmasters এর কাজ হলো আপনার পোষ্ট গুলি

 কিভাবে টাকা আয় করবো।

এবার আসি আসল কথায়। কিভাবে আপনি এই ব্লগ থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। এখন থেকে গুগল এ্যডসেন্স বাংলা অনুমোদন দিয়েছে। এবার কাজ হল

গুগল এ্যডসেন্সে আপ্লাই করার পালা। Earning অপশন থেকে এ্যডসেন্সে ক্লিক করুন। এক সপ্তাহ অপেক্ষা করুন । এ্যডসেন্স অনুমোদন নিতে সময় লাগবে । আরও পড়ুন




বিস্তারিত
মাত্র ৫০০০ টাকায় শুরু করুন পাপোশ উৎপাদন ব্যবসা ।। Floor Mate Business

আজকাল চট দিয়ে পাপোশ, ম্যাট, পকেট, ব্যাগ, ও ঘর সাজানোর সামগ্রী খুবই জনপ্রীয় ৷ মানুষ চটের নানা ধরনের ব্যবহার সমগ্রী ব্যবহার করে ।

আমাদের দেশের বাজারে চটের তৈরী জিনিসপত্রের বেশ চাহিদা আছে। আমাদের দেশে চটের তৈরী অসংখ্য ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গড়ে উঠেছে।

অনেকে চটের পণ্য তৈরী করে জীবিকা নির্বাহ করে আত্ম কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পেরেছেন। চটের ম্যাট, পাপোশ, ব্যাগ ও ঘর সাজানোর সামগ্রী তৈরী

করে আপনিও শুরু করতে পারেন আত্ন কর্ম সংস্থান ৷

Woolen Carpet or Floor Rug । পাটের তৈরি কার্পেট , পাটের তৈরি ব্যাগ। পাট ও পাটজাত দ্রব্য উৎপাদন ও সবরাহকারি

চটের পাপোশ কি

পাপোশ চিনেন না এমন লোক কম আছে ৷ আজকাল প্লাস্টিকের পাপোশের সাথে সাথে চটের পাপোশের চাহিদাও কম নয় ৷ চটের পাপোশ নানা ধরনের ও নানা

নকশার হতে পারে৷ পাপোশের নকশা বিভিন্নভাবে করা যায়৷ যেমন- ব্লক করা, সুতার কাজ করা বা কাপড় কেটে নকশা করার মাধ্যমে ৷

কিভাবে শুরু করবেন ?

এই ব্যবসা তেমন কঠিন কিছু না ৷ বেকার অথচ কিছু করতে চান তারা ব্যক্তিগকভাবে বা বানিজ্যিক ভাবে এই পন্য উৎপাদন করতে পারেন ৷ প্রথমেই বাজার

যাচাই করে নিন ৷ পাটের চট কত দামে গজ কিনতে হবে, কত দামে পাইকারি এবং খুচরা পাপোশ বিক্রি হয় এসব জেনে নিন ৷ পাপোশ গ্রামের চেয়ে শহরে বেশী বিক্রি হয় ৷

কারন ফ্লাটের প্রতি দরজার সামনে পাপোশ লাগে ৷ প্রতি ফ্লাটে ৮-১০ টি পাপোশ লাগবেই ৷ পাপোশ দ্রুত নষ্ট হয় বিধায় এগুলি দ্রুত পাল্টাতে হয় ৷ এজন্য পাপোশের

চাহিদা সব সময় থাকেই।

কি কি উপকরণ দরকার হয়

একটি চটের পাপোশ তৈরি করার জন্য যেসব জিনিস দরকার সেগুলো নিচে দেয়া হল। আপনি যখন বাণিজ্যিক ভাবে করবেন

তখন এসব বেশী পরিমাণে ক্রয় করতে হবে। সাদা বা রঙিন চট দেড় মিটার এবং সুতি রঙিন কাপড় আধা মিটার

সুতা ১ কাটিম

সুঁচ (১৮ নং) ১ টা

মেশিন ১ টা

গজ ফিতা ১ টা

কাঁচি ১ টা

ইত্যাদি ৷

কিভাবে চটের পাপোশ তৈরি করতে হবে

চটের পাপোশ তৈরি করার পদ্ধতি বেশ সহজ৷ সেইসাথে এর উৎপাদন ও বিক্রয় ব্যবসার জন্য মূলধন কম লাগে বলে গ্রাম বা শহর যেকোন স্থানেই এটি একটি

লাভজনক ব্যবসা হিসাবে দেখা যেতে পারে৷ এখন পাপোশ কিভাবে তৈরি করতে হবে তার প্রথমিক কিছু ধারণা দেওয়া হলোঃ

প্রথমে একটি পাটের চট লম্বায় ৫৪ ইঞ্চি ও চওড়ায় ১৪ ইঞ্চি নিয়ে মেপে দাগ দিয়ে নিতে হবে। এরপর চটটাকে সমান ৩ ভাঁজ করে ধারালো কাঁচি দিয়ে মাপমত চটটি

কেটে নিতে হবে । এবার চটের চারদিক থেকে আধা ইঞ্চি পরিমাণ ভাঁজ করে ভাঁজটি ভিতরের দিকে ঢুকিয়ে দিতে হবে; এরপর চটের চারদিকে হাতের সাহায্যে

লম্বা লম্বা ফোঁড় দিয়ে দিতে হবে। এবার পছন্দমত যেকোনো রঙের সুতি কাপড় নিয়ে তা ৩ ইঞ্চি চওড়া করে কাটবো৷ এরপর আমরা কাটা কাপড়গুলো

সেলাই করে লম্বা ফিতার মত তৈরি করে চটের চারদিকে সেলাই করে লাগিয়ে দিলেই চটের পাপোশ তৈরি হয়ে যাবে৷

এখন তৈরি পাপোশে পছন্দমত ব্লক বা ফেব্রিক্সের নকশা, পছন্দমত যেকোনো রঙের সুতা বা উল দিয়ে নকশা বা এপলিকের নকশা করে জিনিসটি সুন্দর করা যেতে পারে৷

Woolen Carpet or Floor Rug । পাটের তৈরি কার্পেট , পাটের তৈরি ব্যাগ। পাট ও পাটজাত দ্রব্য উৎপাদন ও সবরাহকারি

কত লাভ লোকসান হতে পারে

একটি সুন্দর ডিজাইন করা চটের পাপোশ দোকানে ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা খুচরা বিক্রি হয়ে থাকে। আজকাল অনলাইনেও এসব পণ্য সমানে

বিক্রি হচ্ছে। যেমন এ প্রত্যেকটি চটের পাপোশ ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা বিক্রি

হয়ে থাকে। আপনি চাইলে নিজেও খুলে নিতে পারেন একটা ফেসবুক অনলাইন শপ। একটা পাপোশ তৈরি করতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা খরচ হবে ।

এখানে আপনার যে সময় ব্যায় হবে সেটাই বড় ইনভেস্ট হবে। পাপোশ বানাতে তেমন কিছু লাগেনা। ফেলনা আর টুকরো করা কাপড় দিয়েও এসব করা যাবে।

প্রত্যেকটা পাপোশে ৫০ থেকে ১০০ টাকা আয় করা সম্ভব। দৈনিক ১০ টা পাপোশ তৈরি করতে পারলে আপনি ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা আয় করতে পারবেন।

প্রশিক্ষণ কোথা থেকে নিবেন

বিসিক থেকে বিভিন্ন সময় প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে । তবে আজকাল ইউটিউবে প্রচুর পরিমাণে ভিডিও পাওয়া যায় । আপনি চাইলে সেখান থেকেও শিখে নিয়ে কাজটি

করতে পারেন। আপনাদের জন্য একটা ভিডিও লিঙ্ক দিয়ে দিলাম ভিডিও ১ ভিডিও ২

। এছাড়া যারা এসব ব্যবসার সাথে জড়িত তাদের থেকেও প্রশিক্ষণ নিতে পারেন।

কত মূলধন লাগবে

মাত্র ৫০০০ টাকা হলেই যথেষ্ট। এর বেশী লাগবেনা।

ব্যবসার সুভিধা

>খুব কম জায়গায় এই পাপোশ উৎপাদন করতে পারবেন।

>ব্যবসার জন্য মূলধন কম লাগে

>চটের পাপোশ তৈরি করার পদ্ধতি বেশ সহজ

>উৎপন্ন পণ্য সহজে নষ্ট হয়না।

>পরিবেশ বান্ধব।

ব্যবসার সমস্যা গুলি

> বাজারে অনেক প্রতিযোগী পাবেন।

>প্রথমে ডিজাইন শিখাটা একটু কঠিন।

>প্রচুর সময় দিতে হবে।

আপাদত তেমন আর কোন অসুবিধা দেখিনা। তবে নিজে ট্রাই করে দেখতে পারেন। আসা করি এখান থেকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাগণ ভালো করতে পারবেন।

বিস্তারিত
১ লাখ টাকায় শুরু করুন লাইব্রেরী ও স্টেশনারী বিজনেস ।। Librery and Stationary Business

আজকের পোস্টে আমি লাইব্রেরী ও স্টেশনারী বিজনেস আইডিয়া শেয়ার করব । বর্তমানে দেশে জনসংখ্য বৃদ্বির সাথে সাথে বৃদ্বি পাচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা
আর এ সব প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীদের প্রয়োজন হচ্ছে বই ও স্টেশনারী আইটেম । এ সকল আইটেম যোগান দিতে গড়ে উঠতেছে প্রচুর লাইব্রেরী আর স্টেশনারি দোকান।
আসে পাশে প্রচুর লাইব্রেরী আর স্টেশনারি দোকান রয়েছে কিন্তু মানসম্মত লাইব্রেরী আর স্টেশনারি দোকানের সংখ্যা খুব কম । এ বিজনেসটির জন্য প্রথমিক অবস্থায়
 আপনার তেমন বেশি পুজির দরকার হবে না । শুধু মাত্র যায়গা মত দোকান দিলেই হবে । লাইব্রেরী বিজনেসে  সাধারনত গাইড বইয়ে নামকরা কোম্পানিরা ১৫% থেকে
১৮% এবং নিন্ম নতুনরা ২৫% পর্যন্ত লাভ করতে পারবেন । তাচাড়া স্টেশনারী আইটেমে আপনি ২০% থেকে ২৫% পর্যন্ত লাভ করতে পারবেন । যায়
এটি একটি ভালো লাভজনক বিজনেস । আপনিও চাইলে দিতে পারেন এরকম একটি লাভজনক বিজনস ।

কিভাবে শুরু করবেন :
যদি সম্ভব হয় তবে আপনার এলাকায় কোন বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশে পাশে বা যেখানে মানুষের সমাগম বেশি বা যেখানে যাতায়াত সুবিধা বেশি এমন স্থানে ব্যবসা দিয়ে
শুরু করতে পারেন ।
এ বিজনেসটি শুরু করতে হলে আপনাকে সে এলাকার প্রতিষ্ঠানের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে বিশেষ করে গাইড বইয়ে এর ক্ষেত্রে কারন গাইড বই ভিবিন্ন কম্পানির হতে  পারে তাই আপনি যে স্থানে দিবেন তার আশে পাশে প্রতিষ্ঠানে যে কম্পানি গাইড বই পড়ায় আপনি সেই বই রাখবেন । এবং বিশেষ করে কাস্টমারের প্রতি খেয়াল  রাখবেন তারা যে পন্যটি প্রচন্দ করে আপনি সেটি আনতে চেষ্ট করবেন । এ বিজনেটির জন্য আপনাকে মোটমুটি একটু পড়া লেখা জানতে হবে এবং হিসাব নিকাশের
প্রতি ধারনা থাকতে হবে । এগুলো মুটামুটি থাকলে আপনি শুরু করতে পারবেন লাইব্রেরী বিজনেস ।

কি কি আইটেম রাখতে পারবেন :
আমার লাইব্রেরী বলতে শুধু বুঝি  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই কিন্তু ব্যপক অর্থে লাইব্রেরী হলো যেখানে প্রতিষ্ঠানিক বই থাকবে তার সাথে থাকবে  যে কোন উপন্যসের বই এবং
যে কোন ধর্মীয় বই উপন্যস সহ আরো আনেক আইটেমের বই । তাছাড়া বর্তমানে  লাইব্রেরীতে চাহিদার দিকে খেয়াল রেখে স্টেশনারী আইটেম রাখতে পারেন কারন
এগুলোও ছাত্রদের জন্য জরুরী । এছাড়া মোবাইল ফ্লেক্সিলোড, বিকাশও সাথে রাখতে পারেন ।

ডেকারেশন:
লাইব্রেরীতে ডেকারেশন একটু ভালো ভাবে করতে হবে। কারন আপনার ডেকারেশন যত ভালো হবে তত আপনার দোকান মানস্মত হবে ।
আপনি আপনার শহরের বা আপনার আশে পাশের কোন দোকান দেখে আসতে পারেন ।

কোথায় থেকে বই সংগ্রহ করবেন :
বইয়েরর জন্য ঢাকার বাংলা বাজার বিখ্যাত অর স্টেশনারী আইটেমের জন্য চক বাজার বিখ্যাত । আর কাগজের জন্য বাংলা বাজার ও চক বিখ্যাত । আপনি যদি ঢাকার
বাইরে হন তবে আপনি আপনার শহরের যে কোন বই ডিলারের কাছ থেকে প্রথমিক আবস্থায় সংগ্রহ করবেন এতে সুবিধা হলো বইটি বচর শেষে যখন ফেরত নিবে তখন
খুব সহজে ফেরত দিতে পারবেন। স্টেশনারী আইটেম যদি কম পরিমানে আনেন তাহলে আপনি আপনার
শহরে কোন হোলসেলার এর কাছ থেকে আনতে চেষ্ট করবেন । আর যদি আপনি ঢাকা থেকে আনেন এবং নদী পথে আনেন তাহলে সে ক্ষেত্রে টেকনিক হলো আপনার
শহরের যে কোন পরিচিত দোকানের নামে দিয়ে দিবেন এতে আপনার আনার  খরচ কম হবে  । যে কোন ভারি পন্য আপনার নিকটস্থ শহর থেকে কিনতে চেষ্টা করবেন ।
এতে আপন জন্য ভলো হবে  । তবে চেস্টা করবেন মানস্মত প্রডাক্ট ক্রয় করতে ।  

মুলধন :
এ বিজনেসটিতে আপনাকে প্রথমিক আবস্থায় তেমন বেশি মুলধন ব্যয় করতে হবে না । আপনি প্রথমিকভাবে কাস্টমারের চাহিদা আনুযায়ী পন্য আনবেন । তবে বেশি
পরিমানে প্রথিক আবস্থায় আনবেন না । আপনার প্রথমিক আবস্থায় ৫০ হাজার টাকা বই বাবদ হলেই চলবে এবং স্টেশনারী আইটেমে ৩০ হাজার টাকা হলেই চলবে ।
এবং দোকানের ডেকারেশন বাবদ ২০ হাজর টাকা ।  তো সব মিলিয়ে আপনার ১ লক্ষ টাকা হলেই আপনি ভালো মনের একটি লাইব্রেরী দিতে পারবেন । আপনার
বিক্রির উপর নির্ভর করে আপনার মুলধন আরো বাড়াতে হবে । তবে দেশের বিভিন্ন স্থানে দাম বিভিন্ন হতে পারে । আপনি চেষ্টা করবেন শহরের যে কোন হোলসেলের
দোকান থেকে পন্য সরবারহ করতে ।

লাভ লোকাসান :
এ বিজনেটিতে কোন লোকসান নেই । আনেকে বলবেন বর্তমানে ইন্টারনেটে মানুষ এখন বই পড়চে তাই বই বিক্রয় কমে গেচে কিন্তু কথাটি ঠিক নয় বই তো বই ।
এই বিজনেসটিতে বই বাবদ আপনি কমপক্ষে ১৫% লাভ করতে পারবেন যেগুলো ভালো মানের বই এবং মার্কেটে খুব চলে ।

আর যেগুলো মার্কেটে ভালো প্রচলন
নেই সেগুলো আপনি ২০% থেকে ২২% লাভ করতে পারবেন । তো এটি আপনার ছয় মাস পর্যন্ত ১ থেকে ৮ শ্রেনী পর্যন্ত বিক্রয় করতে পারেবেন আর বাকি গুলো
পুরো বছর বিক্রয় করতে পারবেন ।  স্টেশনারী আইটেমে আপনি ২০% থেকে ২৮% পর্যন্ত লাভ করতে পারবেন । এমন অনেক পন্য রয়েছে যেগুলোতে আপনি ৪০%
পর্যন্ত লাভ করতে পারবেন । লাভ আপনার পন্য ক্রয়ের উপর নির্ভর করবে ।

টেকনিক: আপনার সব সময় নজর রাখতে হবে কোন সময়ে কম্পানিরা আফার দেয় সে সময় পন্য কিনলে আপনি বেশি লাভ করতে পারবেন । বইয়ের ক্ষেত্রে বচরের
প্রথমে দাদন দিলে  আপনাকে তারা বিশেষ ছাড় দিবে  আর প্রতি বাংলা মাসের বৈশাখে তারা একটি আফার দিবে সে সময়ে টাকা দিয়ে রাখলে তার অন্য দিনের চেয়ে
 ১০% কমিশন দিবে ।  সব সময় ছাত্রদের প্রতি ভালো ব্যবহার করবেন এবং প্রথমিক আবস্থায় তাদের কিছু গিফট দিবেন এতে তারা আপনার দোকানে বেশি আসবে ।
পণ্যের দাম অন্যন্য দোকানের চেয়ে একটু কম রাখতে চেষ্টা করবেন ।

সতর্কতা:
আপনি বুঝে শুনে ব্যবসা শুরু করবেন কারন একবার শুরু করে বন্ধ করে দিলে আপনাকে লোকসানে সমুখীন হতে হবে । বইয়ের ক্ষেত্রে আপনাকে অরজিনাল বই
সংগ্রহ কবেন । বই বছরের প্রথমে সংগ্রহ করলে সে কম্পানি আপনাকে বছরের শেষে অবিক্রিত বই তারা ফেতর  নিয়ে নিবে ।আপনি সঠিক সময়ে বই ফিরত দিয়ে
 দিবেন তা না হলে আপনাকে লোকসানের সমুখীন হতে হবে । বই বিক্রর আশায় আপনি কোন বই রেখে দিবে না । সর্বশেষ আপনার ব্যবসার সফলতা কামনা করচি ।
আরও পড়ুন

বিস্তারিত
কম দরে পাইকারি টি শার্ট কোথায় পাবেন ।। Wholesale Solid T-Shirt

টি শার্ট ব্যবসা বর্তমানে খুব জনপ্রিয়। অনেকেই অনলাইনে অফ লাইনে টি শার্ট ব্যবসা করে থাকেন। প্রিন্ট করা টি শার্ট বাজারে ১০০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে। আজকাল অনেক অনুষ্ঠানে সবাই এক কালার, এক ডিজাইনের টি শার্ট
পরে থাকেন। সে জন্য আমাদের দরকার হয় বেশী পরিমাণে এক কালার টি শার্ট বা সলিড টি শার্ট।

কত দাম পড়বে?
সলিড টি শার্ট বিভিন্ন দামে হয়ে থাকে। আপনি দুই ধরনের সলিড টি শার্ট ক্রয় করতে পারবেন। একটা হল বাংলাদেশে তৈরি করা টি শার্ট আরেকটি হল এক্সপোর্ট রিজেক্ট টি শার্ট। সাধারণত বাংলাদেশে ছোট ছোট অনেক গার্মেন্টস আছে যারা নিজেরাই সলিড
টি শার্ট তৈরি করে বিক্রি করে। বাংলাদেশে প্রচুর গার্মেন্টস আছে। মাজে মদ্যে তাদের অনেক টি শার্ট এর লট বাতিল হয়ে যায়। অনেক সময় ভালো টি শার্ট ও লট আকারে বিক্রি করা হয়।

কোথায় পাবেন সলিড টি শার্ট ?
ঢাকার গুলিস্তানে এরকম একটি মার্কেট আছে । মার্কেট টি হচ্ছে গুলিস্তান ফায়ার সার্ভিসের ঠিক পিছনে। এখানে অনেক গুলি দোকান পাবেন যারা পাইকারিতে আপনার চাহিদা মাফিক টি শার্ট সরবরাহ করে থাকে।

এছাড়া আপনি অনলাইনে দেখতে পারেন কম দরে পাইকারি পলো শার্ট ।। Wholesale Solid Polo-Shirt , পলো শার্ট । কলার গেঞ্জি । পি কে পলো । ২০০ জি এস এম পলো শার্ট ।। US Polo Shirt , পলো শার্ট । কলার গেঞ্জি । পি কে পলো । ২০০ জি এস এম পলো শার্ট ।। US Polo Shirt , বড়দের টি-শার্ট । পোলো শার্ট । টি শার্ট ডিজাইন । টি শার্ট প্রিন্ট । T-Shirts - Buy TShirt For Men, Women & Kids Online in Bangladesh , পাইকারি দামে কলার টি শার্ট । টি শার্ট কালেকশন । টি শার্ট ডিজাইন । টি শার্ট প্রিন্ট । Women & Kids Online in Bangladesh , টি শার্ট কালেকশন । টি শার্ট ডিজাইন । টি শার্ট প্রিন্ট । T-Shirts - Buy TShirt For Men, Women & Kids Online in Bangladesh

টঙ্গীর আশরাফ সেতু মার্কেটের দোতালায় পাবেন এক্সপোর্ট মালের বিশাল সমহার। কেবল সলিড টি শার্ট নয়, আপনি সেখান থেকে প্যান্ট, ট্রাউজার,আণ্ডার গার্মেন্টস, মেয়েদের গার্মেন্টস, বাচ্চাদের গার্মেন্টস ইত্যাদি পাবেন।

কত দাম পড়বে?
দেশী গুলি থেকে আপনি ১০ পিস থেকে ১০ লাখ পিস সলিড টি শার্ট ক্রয় করতে পারবেন। দাম পড়বে ৪০ টাকা থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত ।
১২০ টাকার গুলি প্রিন্ট করে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে। তবে এসব টি শার্ট রপ্তানি মানের করে তৈরি করা। আর এক্সপোর্ট রিজেক্ট গুলি ৫-১০ পিস বিক্রি করা হয়না। আপনি লট আকারে ক্রয় করতে হবে। এক সাথে ১০০০ পিস বা ৫০০০ পিস। দাম ৩০ টাকা হতে ৫০ টাকা।
এখানে হালকা সমস্যা থাকে। যেটা আমারা সাধারণ ভাবে বের করতে পারবোনা। তবে ছেড়া ফাটা যাই থাকুক আপনাকে তাই নিতে হবে। কোন পরিবর্তন করা যাবেনা।

কোনটার মান ভালো হবে?
আপনি যদি বাংলাদেশে ব্যবসা করতে চান তবে আপনার জন্য দেশী গুলি ভালো হবে। কারণ এখানে আপনি আপনার চাহিদা মত অর্ডার করে তৈরি করে নিতে পারবেন। এক্সপোর্ট গুলি হল তাদের জন্য যারা বিদেশে এক্সপোর্ট করতে চান। কারণ এক্সপোর্টের টি শার্ট গুলি সাধারণত বিদেশের সাইজে তৈরি করা হয়ে থাকে। তো আপনি এগুলি বাংলাদেশে বিক্রি করতে চাইলে একটু সমস্যা হবে। কারণ সেলাই , কাপড়ের মান ভালো হলেও সাইজ অনেক ক্ষেত্রেই মিলেনা।

বিস্তারিত
রিকন্ডিশন্ড গাড়ী ক্রেতা বিক্রেতার জন্য দুঃসংবাদ! দাম বেড়েছে এক লাখ থেকে সাড়ে চার লাখ টাকা ৷৷ Reconditioned car import expenses wiil be rise

এবারের বাজেটে পুরোনো গাড়ি আমদানি নিরুৎসাহিত করতে বর্তমানে বিদ্যমান অবচয় সুবিধা বছরভিত্তিক আরো ৫ শতাংশ কমানো হয়েছে। এ জন্য এখন আমদানী করা রিকন্ডিশন্ড গাড়ির দাম সিসি ভেদে এক লাখ থেকে সাড়ে চার লাখ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। এ সংবাদ দিয়েছেন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) নেতারা।

এ জন্য নতুন , পুরোনো বা রিকন্ডিশন্ড গাড়ির শুল্কবৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) নেতারা। সংগঠনটির সুপারিশ, ইয়েলো বুকের ( যে মুল্য ধরে রিকন্ডিসন গাড়ির মুল দাম ধরা হয় ) নতুন মূল্য হতে ডলার বা ট্রেড ডিসকাউন্ট বাবদ ১০ শতাংশ বিয়োজন করার পাশাপাশি বছরভিত্তিক অবচয় হার আগের মতো রাখা হোক।


আশংকার বিষয় হলো ইদানিং ভারত থেকে প্রচুর গাড়ি বাংলাদেশে আমদানী হচ্ছে ৷ কিন্তু এগুলোর মান নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন আছে। মাত্র কয়েক বছরেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এসব ভারতীয় গাড়ী। অন্য দিকে জাপানের ৫ বছরের পুরোনো গাড়িও অনায়াসে বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৫ বছর ব্যবহার করা যায়। যদিও ভারতের মানুষ নিজের দেশের গাড়ি তেমন ব্যবহার করছে না। তাই ভারতের উৎপাদকেরা তাদের নিম্নমানের গাড়িগুলি বাংলাদেশে একরকম জোর করে পাঠাচ্ছে ।


বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) নেতারা  বলেন, গত চল্লিশ বছর ধরে তাদের আমদানী করা রিকন্ডিশন্ড গাড়ি দেশের ৯০ শতাংশ যানবাহনের জোগান দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বাজেটে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি নিরুৎসাহিত করতে বিদ্যমান অবচয়-সুবিধা বছরভিত্তিক ৫ শতাংশ হারে হ্রাস করা হয়েছে। এমন সিদ্ধান্তে তারা স্তম্ভিত ও ব্যথিত।’


বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) নেতারা আরো বলেন আগামী  বাজেটে ১ থেকে ১৬০০ সিসির স্তরকে ১৮০০ সিসি পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। তবে পরিবেশ ও জ্বালানি সহায়ক হাইব্রিড গাড়ি আমদানির পথ সুগম হয়েছে। এ জন্য অর্থমন্ত্রীকে তারা ধন্যবাদ দিয়েছেন । তবে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) নেতারা প্রস্তাবিত শুল্কহার পুনর্বিবেচনার দাবি করছেন ।
বিস্তারিত
ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন ব্যবসা ।। Use of Trichoderma in Agriculture

আনেকেই এই ট্রাইকোডার্মা ভার্মিকম্পোষ্ট কেঁচো সার সম্পর্কে জানেন ৷ জমিতে রাসয়নিক সার ব্যবহার করার ফলে জমির উর্ভরতা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে ৷ ফলে জমিতে ফসল উৎপাদনে দেখা দিচ্ছে নানান জটিলতা ৷ এসব কিছু থেকে মুক্তি দিবে ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার ৷ সম্পুর্ন প্রাকৃতিক ভাবে এ সার উৎপাদন করা হয় ৷


কিভাবে শুরু করবেন এ ব্যবসা

এটা শুরু করা তেমন কোন কঠিন কাজ না ৷ প্রথমে শিখতে হবে কিভাবে ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার তৈরি করতে হয় ৷ ইউটিউবে প্রচুর ভিডিও পাবেন এসব নিয়ে ৷ এ ছাড়া নিকটস্থ কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার তৈরির পদ্ধতি জেনে নিতে পারবেন ৷


ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার ব্যবহারে উপকারীতা সমূহ

১|মাটির জৈব চাহিদা পুরন করে।

২|মাটির স্বাস্হ্য রক্ষা করে।

৩|মাটিকে বন্ধ্যাত্বের হাত হতে রক্ষা করে।

৪|মাটির অম্লত্য ও খারত্ব 'কে সঠিক রাখে।

৫|পানির ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৬|অনুজৈবিক কার্যাবলী বৃদ্ধি পায়।

৭| বীজ সহজে গজায়।

৮|শেকড় কে শক্ত করে।

৯|খাদ্য গ্রহন সহজলভ্য হয়।

১০| রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

১১|মাটির প্রয়োজনীয় তাপমাএা রক্ষা করে।

১২। ট্রাইকোডার্মা মিশ্রিত থাকায় গাছের মাটিবাহিত সকল ফাংগিসাইড নিয়ন্ত্রন ও ধ্বংস করে।


গোল্ড এবং সিলভার ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার এর মধ্যে পার্থক্য:

গোল্ড ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার হলো চুক্তিভিত্তিক কিছু প্রোফেশনাল কোম্পানির নিজস্ব সেটআপে অতি যত্নসহকারে সকল প্রকার নিয়ম, ব্যাবসায়িক গোপনিয় কিছু টেকনিক ও গুনগত মান বজায় রেখে তৈরি করা হয় যা ব্যায়বহুল। যা সাধারন খামারিদের উৎপাদিত ভার্মির চেয়ে অধিক কার্যকরি। 


পক্ষান্তরে সিলভার ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার  দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাধারন খামারিদের থেকে কম দামে সংগ্রহ করা হয় যার কার্যকারিতা স্বাভাবিক মাত্রায় কম বেশি হয়ে থাকে, যার ১০০ ভাগ নিশ্চয়তা প্রদান করা কস্ট সাধ্য।

আপনি শুরু করলে গোল্ড ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার দিয়ে শুরু করতে পারেন ৷

ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার গুদামজাতকরন-

ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট সার শুষ্ক ও ছায়া যুক্ত স্থানে বস্তার মুখ বন্ধ রেখে ৬-৮ মাস পর্যন্ত রেখে দিত পারবেন ৷ ফলে অনেক দিন রেখেও বিক্রি করা সম্ভব ৷ এ ছাড়া আপনি এই ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার সারা দেশে বস্তুতে ভরে বিক্রি করতে পারবেন ৷


ভার্মি কম্পোস্ট তৈরির উপকরণ : বিশেষ প্রজাতির কেঁচো, গ্যাস মুক্ত তাজা গোবর, স্যানেটারি রিং বা পাকা হাউস অথবা পাকা চাড়ি, চালা দেয়ার জন্য টিন বা খড়।

রিং পদ্ধতিতে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরি : প্রথমে একটা উঁচু স্থান নির্বাচন করতে হবে, যেখানে সহজে পানি জমবে না বা সমতল জায়গার ওপর ১ ফুট উঁচু করে মাটি

ফেলতে হবে। মাটিকে ভালোভাবে পিটিয়ে শক্ত করে তার ওপর পলিথিন বিছিয়ে দিতে হবে। পলিথিনের ওপর পর্যায়ক্রমে ২টি স্যানেটারি রিং বসাতে হবে অথবা ৪

ফুটx৩ ফুট x ১.৫ ফুট (দৈর্ঘ্যx প্রস্থx গভীরতা) পাকা হাউস তৈরি করে তার ওপর টিন, খড় বা পলিথিন দিয়ে চালা দিতে হবে। রিং এর মাঝে ১ ইঞ্চি পরিমাণ ফাঁকা রাখতে হবে

যাতে করে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে।


পাকা হাউসের দেয়ালে ১ ফুট পরপর ১ ইঞ্চি সাইজের পিভিসি পাইপ কেটে বসানো যেতে পারে। রিং বা হাউসে তাজা গোবর ভরাট করে এক সপ্তাহ রেখে দিতে হবে। যাতে করে গোবরের গ্যাস বের হয়ে যায়। মাঝে মধ্যে গোবরগুলো নেড়ে-চেড়ে দিলে ভালো হয়। বিশেষ প্রজাতির কেঁচো প্রতি হাউসে ৫০০-৭০০টি করে ছাড়তে হবে। রিং বা হাউসের ওপরে চটের বস্তা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে এবং মাঝে মধ্যে আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য পানি ছিটিয়ে দিতে হবে। রিং বা হাউসের বাইরের চারিদিকে মাঝে

মধ্যে কেরোসিন ছিটিয়ে বা স্প্রে করে দিতে হবে, যেন কোন ধরনের পিঁপড়া আক্রমণ করতে না পারে।


এভাবে ৩ মাস থাকার পর রিং বা হাউসের রাখা গোবর

সম্পূর্ণ সার হয়ে যাবে। যা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার নামে পরিচিত। রিং বা হাউসের গোবর যখন দেখা যাবে চা পাতার ঝুরঝুরে হয়েছে, তখন রিং বা হাউস

থেকে তুলে নিয়ে চালুনি দিয়ে চালতে হবে। চালার পর চালুনের মধ্যে কেঁচো থেকে যাবে এবং সার নিচে পড়বে। সার পলি ব্যাগে প্যাকেট করে ১৮-২০% আদ্রতায়

রাখা যায় ১ বছর পর্যন্ত। সার থেকে কেঁচো বের করার পূর্বেই কিছু গোবর গ্যাসমুক্ত করে প্রস্তুত রাখতে হবে। তারপর সার থেকে কেঁচো সংগ্রহ করে ওই নতুন গোবর

কেঁচোগুলো কিছুদিন রাখা যাবে। তারপর পুনরায় রিং বা হাউসটি গোবর দিয়ে ভরাট করে কেঁচো ছাড়তে হবে। যা আগের মতো আবার সার হতে থাকবে।


কত মুলধন লাগবে ?

প্রথমিক ভাবে ৪০০০ কেজি ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন শুরু করতে ১ লক্ষ টাকা মুলধন লাগবে ৷ এছাড়া নিজস্ব জমির প্রয়োজন  হবে যেখানে ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন করা হবে ৷

লাভলোকসান


ভার্মি গোল্ড এর মুল্য:

প্রতি ৫০ কেজির ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সারের বস্তা ১১০০ টাকায় বিক্রি হয় ৷ এছাড়া প্রতি ১০ কেজির প্যাক ২৮০ টাকা দরে বিক্রি করা হয় ৷  ভার্মি সিলভার এর মুল্য ৫০ কেজির বস্তা ৭০০ টাকা ৪০০০ কেজি ট্রাইকোডার্মা ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন করতে খরচ হবে ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা ৷ বিক্রি করতে পারবেন ৭৫ থেকে ৮০ হাজার টাকা ৷ প্রতি বারে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার অনায়সে লাভ করতে পারবেন ৷

বিস্তারিত জানতে নিচের ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন ৷


GREEN PANDA AGRO FARM (Banasree Branch)

Block-A, Road-7, House-1, Banasree,Rampura,Dhaka., 01765-125-126


গ্রীন পান্ডা এগ্রো ফার্ম (বনশ্রী শাখা)

বাড়ি নং - ১, রোড নং - ৭, ব্লক নং - এ

০১৭৬৫-১২৫-১২৬

এফ-কমার্স পেজের লিংক


একজন ভার্মিকোম্পষ্ট উদ্যোগ্তা, গুনগত মানের সাথে আপস করিনা,যোগাযোগের ঠিকানা,মো:শাহাজান খাঁন চুয়াডাঙ্গা জেলা।মোবা:০১৯৩৬১৮০৪০০

বিস্তারিত
বাংলাদেশি বাইসাইকেল ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৮ টি দেশ সহ বিশ্বে রপ্তানি করা হচ্ছে ।। Bicycle Exoport From Bangladesh

যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) ২৮ দেশ সহ বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশি বাইসাইকেলের এখন ব্যাপক চাহিদা । সাইকেল রপ্তানিতে বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে  তৃতীয় অবস্থানে। শীর্ষ দুই অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে তাইওয়ান ও কম্বোডিয়া।


ইউরোপিয়ান কমিশনের তথ্যানুযায়ী ইইউভুক্ত ২৮ দেশ বিভিন্ন দেশ থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০৮ কোটি ইউরোর বাইসাইকেল কিনেছে । তার মধ্যে বাংলাদেশ  থেকেই ক্রয় করেছে প্রায় ৬ কোটি ৫৪ লাখ ইউরো বা ৬৪২ কোটি টাকার বাইসাইকেল । ২০১৬ সালে রপ্তানি হয়েছিল

৬ কোটি ৫১ লাখ ইউরোর বাইসাইকেল। সেই হিসাবে গত বছর রপ্তানি বেড়েছে দশমিক ৪৬ শতাংশ। ১০ বছর আগেও ইইউতে বাংলাদেশের  রপ্তানি ছিল মাত্র

আড়াই কোটি ইউরো। ইইউতে গত বছর সর্বোচ্চ বাইসাইকেল রপ্তানি করেছে তাইওয়ান। আর দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা কম্বোডিয়া। তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ।


কেবল ইইউ নয় এর বাইরেও বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ বাইসাইকেল রপ্তানি করে থাকে। বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হিসাবে গত অর্থবছরে

প্রায় ৮ কোটি ৫৭ লাখ ডলারের বাইসাইকেল রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। এই আয় তার আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেশি।


দেশের বাইসাইকেল রপ্তানিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে মেঘনা গ্রুপ। ১৯৯৬ সালে ঢাকার তেজগাঁওয়ে সরকারি বাইসাইকেল তৈরির প্রতিষ্ঠান কিনে নেয় তারা। তিন বছর পর রপ্তানি শুরু করে। বর্তমানে ট্রান্সওয়ার্ল্ড বাইসাইকেল, ইউনিগ্লোরি ও মাহিন সাইকেল ইন্ডাস্ট্রিজ নামে তিনটি ইউনিটে সাইকেল উৎপাদন করছে মেঘনা গ্রুপ।

এসব কারখানায় প্রতিটিতে ৪০০ শ্রমিক কাজ করেন। তা ছাড়া ইউনিগ্লোরি হুইলস নামের কারখানায় সিট, প্যাডেল, গ্রিপসহ সাইকেলের বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং মেঘনা

রাবার ইন্ডাস্ট্রিজে টায়ার ও টিউব উৎপাদন হচ্ছে। সব মিলিয়ে সাইকেলের ৯০ শতাংশ যন্ত্রাংশ তৈরি করছে মেঘনা গ্রুপ।

জানা যায়, মেঘনা গ্রুপ গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রায় সাড়ে চার কোটি ডলারের বাইসাইকেল রপ্তানি করেছে। এ ছাড়া তাদের কারখানায় উৎপাদিত টায়ার ও

টিউব বিশ্বের ১৮ দেশে সরাসরি রপ্তানি হয়েছে। যার পরিমাণ ২০ লাখ ডলারের কাছাকাছি। রপ্তানির পাশাপাশি দেশের বাজারেও সাইকেল বিক্রি করছে তারা।

বিস্তারিত
বাংলাদেশিদের ‘অন-অ্যারাইভাল’ ভিসা দেবে চীন ।। On Arraival China Visa For Bangladeshi People

বাংলাদেশিদের জন্য এতদিন চায়না ভিসা পেতে অনেক সমস্যা হত। অনেকেই ইচ্ছা থাকা সত্তেও চায়না ভিসা পাচ্ছেন না।
তবে খুশীর বিষয় হল বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন করে ‘প্রবেশ মাত্রই’ (অন অ্যারাইভাল) ভিসা দিবে চীন।
তার মানে যারা এখন চায়না যেতে চান তারা এখন থেকে কিছু শর্ত সাপেক্ষে চীনের অন-অ্যারাইভাল ভিসা পাবেন বাংলাদেশিরা।

২২-১১-২০১৮ তারিখে চায়নার পোর্ট-ভিসা ব্যবস্থা সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিয়ে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস।

এখন থেকে যে কেউ জরুরি এবং মানবিক প্রয়োজন, বাণিজ্যিক কাজ, প্রকল্প মেরামত, পর্যটন অথবা অন্য কোনো জরুরি কাজের জন্য চীনের
‘পোর্ট ভিসা’ সহজেই পাবেন।

আরও পড়ুন বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভ্রমণের জন্য সেদেশের পর্যটন সংস্থাগুলোর মাধ্যমে যেতে হবে এবং বাণিজ্যিক কাজ, প্রকল্পের মেরামত বা
অন্য কোনো জরুরি কাজের জন্য কোনো চীনা পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ পেতে হবে। অন্যথায় যেতে পারবেন না।

ঢাকায় চীনা দূতাবাসের রাজনৈতিক কাউন্সিলর চেন ওয়েই এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি বলেন, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সুবিধার্থে ‘পোর্ট-ভিসাব্যবস্থা’
তথা ‘অ্যারাইভাল ভিসা’ দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করেছে চীন সরকার। ‘গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের বহিরাগমন ও প্রবেশ প্রশাসন আইন’ অনুযায়ী, এই ব্যবস্থা কোনো  নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য করা হয়নি। এই ব্যবস্থা অনুসারে, বিদেশিরা শর্তসাপেক্ষে চীনের
বিমানবন্দরে এসে ‘পোর্ট ভিসা’র জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই ভিসার মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ৩০ দিন।

বিস্তারিত
alibaba & Import Export expert

আমদানি,রপ্তানি,আলিবাবা নিয়ে যেকোনো সমস্যায় আমাকে ফেসবুকে মেসেজ করুন।

এখানে ক্লিক করুন
© 2020 eibbuy. All Rights Reserved.
Developed By Takwasoft