মাত্র ৫০০০ টাকায় আমদানি কিভাবে আমদানি ব্যবসা শুরু করবেন ??

আসসালামুয়ালাইকুম ভিজিটর, আসাকরি সবাই ভালো আছেন ৷  একজন আমাকে আমাকে করে প্রশ্ন করেছিল কিভাবে মাত্র ৫০০০ টাকা দিয়ে তিনি আমদানি ব্যবসা শুরু করতে পারবেন ?  তো চলুন দেখা যাক কিভাবে মাত্র ৫০০০ টাকা দিয়ে আমদানী ব্যবসা শুরু করা যায় ৷ আমদানি ব্যাবসার দুইটি ধাপ রয়েছে ৷ প্রথমটি হলো পণ্য নির্বাচন , দ্বিতীয়টি পণ্য ক্রয় এবং চতুর্থটি হলো পণ্য বিক্রি ৷ 


আসুন আমার পণ্য নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করি ৷ আমদানি করার শুরুতে আপনাকে জানতে হবে আপনি কোন পণ্য টি নিয়ে ব্যবসা শুরু করবেন ? অর্থাৎ কোন পণ্যটি আপনি আমদানি করে মার্কেটে বিক্রি করতে পারবেন ৷ এজন্য প্রথমে আপনাকে পণ্য নির্বাচনের কাজটি করে নিতে হবে ৷ এক্ষেত্রে আপনি মার্কেটে গিয়ে দেখতে পারেন কোন কোন পণ্য চায়না থেকে মার্কেটে এনে বিক্রি করা যাবে ৷


আসুন  আমরা  কয়েকটা পন্য নিয়ে  আলোচনা  করি  যেগুলোর বাজার মূল্য অনেকটা কম ৷ 


কম মুল্যের পণ্যের মধ্যে আমি দুই ধরণের পণ্য নির্বাচন করতেছি ৷ 


একটি হলো মোবাইল সামগ্রী আরেকটি হলো ইলেকট্রিক গেজেট ৷

আপনার নিশ্চই জানেন যে মোবাইলের বিশাল মার্কেট বাংলাদেশে রয়েছে ৷ এই পন্য এখন এক ধরণের নিত্য ব্যাবহৃত সামগ্রীর মতো ৷ আপনি চাইলে এটি নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন কারণ এতে ইনভেস্টমেন্ট কম লাগবে  ৷ এছাড়াও রয়েছে ইলেকট্রিক গ্যাজেট যা আমরা সাধারণত মোবাইলের মতই ব্যবহার করে থাকি ৷ আপনারা বিভিন্ন ই কমার্স সাইট থেকেও এগুলি দেখে নিতে পারবেন ৷


পণ্য বাছাই করার পর আমাদের কাজ হলো পণ্য ক্রয় করা ৷ পণ্য ক্রয়ের জন্য বিভিন্ন ই কমার্স সাইট থেকে নিতে পারেন ৷ তবে বর্তমান সময়ে সচেয়ে পপুলার হলো আলী এক্সপ্রেস ৷ আলী এক্সপ্রেস হলো আলিবাবার একটি ওয়েবসাইট যেখানে আপনি ছোট ছোট পণ্য ক্রয় করতে পারেবন ৷


কিভাবে আলী এক্সপ্রেস এ পণ্য অর্ডার করতে হয় ?

প্রথমে আপনি এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন ৷ এরপর আপনার পণ্যটি লিখে সার্চ করুন ৷ এবার পণ্যের পশে দেখুন ফ্রি শিপিং লেখা আছে কিনা ৷ যদি থাকে তবে সেলারকে পে করুন ৷ পেমেন্ট মাস্টার কার্ড, ভিসা কার্ড দিয়েও নেয় ৷ আপনি চাইলে কারো মাধমে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন ও পরিশোধ করতে পারবেন 

বিস্তারিত
কিভাবে আলিবাবাতে টাকা পেমেন্ট করবেন ??

আগের দুটি পোষ্টে আমি দেখিয়েছিলাম কিভাবে আলিবাবা থেকে পন্য ক্রয় করবেন ৷ 

আজকে আমি দেখাবো কিভাবে আলিবাবাতে পন্যের মুল্য পরিশোধ করতে হয় ৷ 


আলিবাবাতে পন্যের মুল্য অনেক ভাবেই পরিশোধ করা যায় ৷ এদের মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ হলো LC করে পন্যের মুল্য পরিশোধ করা ৷ তবে এলসি করতে কিছু খরচাপাতি আছে ৷ প্রায় ১৫ হাজার টাকার মত অতিরিক্ত খরচ হয় ৷ যদি আপনার পন্যের আমদানী ভ্যালু কম হয় তবে LC করে পন্য আনাটা লোকসান জনক ৷


দ্বিতীয় নিরাপদ পেমেন্ট সিস্টেম হলো TT করা ৷ তবে সেটা এল সি করার চেয়ে কোন অংশেই কম ঝামেলার নয় ৷ এখানে শুবিধা হলো LC এর চেয়ে কম খরচ লাগবে ৷ আর কম পেপারস্ হলেই চলে ৷


দুটোর জন্যই আপনার আপডেট  IRC, VAT, TIN , Trade licence লাগবে ৷


তৃতীয় মাধ্যম হলো ক্রেডিট কার্ড ৷ তবে সেটা বাংলাদেশদী ক্রেডিট কার্ড না ৷ সেটা হতে হবে international credit card , আমাদের দেশে বিভিন্ন ব্যাংক এসব কার্ড ইস্যু করে থাকে ৷ তবে এসব কার্ডে পেমেন্ট করা খুবই রিক্সের ৷ অনেক সময় পেমেন্ট কমপ্লিট করেও পন্য পাওয়া যায়না ৷ তবে Ali express ইদানিং রিফান্ড পলিসি গ্রহন করেছে ৷ আপনি যদি কাঙ্খিত পন্য না পান , তবে টাকা ফেরত পাবেন ৷


পেপল দিয়েও পেমেন্ট করা যাবে ৷ কিন্তু আমাদের দেশে পেপলের সার্ভিস নেই ৷


এছাড়া Western Union দিয়েও টাকা পেমেন্ট করা যায় ৷ বিদেশে কেউ থাকলে তাকে দিয়ে পেমেন্ট করিয়ে নিতে পারবেন ৷ কারন আমাদের দেশে Western Union দিয়ে টাকা আনা যাবে কিন্ত পাঠানো যাবেনা ৷ তবে এটাও অনিরাপদ পেমেন্ট সিস্টেম ৷ 


আপনি আপনার নিজের রিক্সে এসব মাধ্যমে পেমেন্ট করবেন ৷ তবে সেম্পল আনতে চাইলে আপনি ফ্রীতে আনতে পারবেন ৷ কারন বড় কোন ওর্ডার করার ক্ষেত্রে আপনাকে ফ্রী সেম্পল ওরাই দিবে ৷ আপনি কেবল ভাড়া পরিশোধ করবেন ৷



আর যদি ছোট খাট ব্যবসা করতে চান তবে Ali express থেকে পন্য আনাই ভালো হবে ৷ এটা নিয়ে আমি আগেও অকটি পোষ্ট করেছিলাম ৷ কিভাবে মাত্র ৫০০০ টাকায় আমদানী ব্যবসা শুরু করতে পারেন ৷ 


ধন্যবাদ পোষ্ট টি পড়ার জন্য। পোষ্ট থকে আপনি সহজ তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে ১০০ ডলার সমমানের আমদানি করা আকর্ষণীয় গিফট সামগ্রী একটি পেতে পারেন। আপনিও অংশ গ্রহন করুন আর পুরস্কার জিতে নিন। কমেন্ট বক্স এ নিচের তিনটি প্রশ্নের উত্তর লেখুন নিজের মন মত করে। আর মাস শেষে বিজয়ীকে দেয়া হবে পুরস্কার।

এই মাসের ( আগস্ট ২০১৮) পুরস্কারটি এখান থেকে দেখে নিতে পারেন। 


প্রশ্ন ১ঃআলিবাবাতে পন্যের মুল্য কত ভাবে পরিশোধ করা যায়?

প্রস্ন২ঃ দ্বিতীয় নিরাপদ পেমেন্ট সিস্টেম কি ছিল? 

প্রশ্ন৩ঃ আপনার কাছে কোন সিস্টেম নিরাপদ মনে হয় এবং কেন?  

বিস্তারিত
আমদানী রপ্তানি লাইসেন্স ফি কত এবং কত দিন সময় লাগতে পারে?

আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের পোস্টে ক্লিক করার জন্য। এর আগে আমরা দেখিয়েছিলাম কিভাবে আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স করতে হয় ?? অনেকেই আমাকে মেইল করে বলেছেন যে আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স ফি কত টাকা এবং কত সময় লাগতে পারে ?? 


এবারের পোস্টে আমি আপনাদেরকে এসব নিয়ে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করবো। প্রথমেই আলোচনা করে নেই আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স ফি কত ? তবে এসব তথ্য আপনারা সরকারী ওয়েবসাইট থেকেও পেতে পারেন।


আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স ফি কত টাকা ?? 


সরকার রপ্তানি করার জন্য রপ্তানিকারকদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করে থাকে। কারন রপ্তানি কারীরা দেশের জন্য প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করে থাকেন। এজন্য  সরকার রপ্তানী লাইসেন্স ফি করা বাবদ আপনার থেকে মাত্র ৮০০০/- টাকা নিবে।  * ১৫% ভ্যাট চালান প্রযোজ্য।


আমদানি করার চেয়ে রপ্তানি করার চেষ্টা করুন। দেশের ও নিজের কল্যাণ করুন।


এবার আলোচনা করবো কিভাবে আমদানি লাইসেন্স করতে হয়। তবে এটার জন্য সরকার ভিন্ন ভিন্ন ফি নির্ধারণ করেছে । আপনার আমদানি টাকার সীমা অনুযায়ী এই ফি নির্ধারণ করা করা হয়েছে।  


আপনার বার্ষিক মোট আমদানির সর্বোচ্চ মূল্য সীমা ৫,০০,০০০ টাকা হলে প্রাথমিক নিবন্ধন ফিস ৬০০০/- টাকা।  সাথে ১৫% ভ্যাট ৯০০ টাকা সহ মোট ৬৯০০ টাকা দিতে হবে। 


আপনার বার্ষিক মোট আমদানির সর্বোচ্চ মূল্য সীমা ২৫,০০,০০০ টাকা হলে প্রাথমিক নিবন্ধন ফিস ১১,০০০/- টাকা।  সাথে ১৫% ভ্যাট ১৬৫০ টাকা সহ মোট ১২৬৫০ টাকা দিতে হবে। 


 আপনার বার্ষিক মোট আমদানির সর্বোচ্চ মূল্য সীমা ৫০,০০,০০০ টাকা হলে প্রাথমিক নিবন্ধন ফিস ১৯,০০০/- টাকা।  সাথে ১৫% ভ্যাট ২৮৫০ টাকা সহ মোট ২১৮৫০ টাকা দিতে হবে।


আপনার বার্ষিক মোট আমদানির সর্বোচ্চ মূল্য সীমা ৫০,০০,০০০ টাকা হলে প্রাথমিক নিবন্ধন ফিস ১৯,০০০/- টাকা।  সাথে ১৫% ভ্যাট ২৮৫০ টাকা সহ মোট ২১৮৫০ টাকা দিতে হবে।


আপনার বার্ষিক মোট আমদানির সর্বোচ্চ মূল্য সীমা ১০০,০০,০০০ টাকা হলে প্রাথমিক নিবন্ধন ফিস ৩১,০০০/- টাকা।  সাথে ১৫% ভ্যাট ৪৬৫০ টাকা সহ মোট ৩৫৬৫০ টাকা দিতে হবে।


আপনার বার্ষিক মোট আমদানির সর্বোচ্চ মূল্য সীমা ৫০০,০০,০০০ টাকা হলে প্রাথমিক নিবন্ধন ফিস ৪৬,০০০/- টাকা।  সাথে ১৫% ভ্যাট ৬৯০০ টাকা সহ মোট ৫২৯০০ টাকা দিতে হবে।


আপনার বার্ষিক মোট আমদানির সর্বোচ্চ মূল্য সীমা ৫০০,০০,০০০ টাকার উর্দ্ধে হলে প্রাথমিক নিবন্ধন ফিস ৬১,০০০/- টাকা।  সাথে ১৫% ভ্যাট ৯১৫০ টাকা সহ মোট ৭০১৫০ টাকা দিতে হবে।
লাইসেন্স করার পর প্রতি বছর একটা রিনিও ফি দিতে হবে আপনাকে। তবে সেই ফি আপনি নিজেও ব্যাংকে জমা দিতে পারবেন। 


কিভাবে আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স করতে হয় তা নিয়ে আমাদের পোস্ট আছে আপনি দেখে নিতে পারেন । 


কতদিন লাগবে আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স করতে?


আমি আগের পোস্টে বলেছিলাম যদি দ্রুত করতে চান তবে কাউকে দিয়ে আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স করিয়ে নিতে। কারন আপনি নিজে আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স করতে গেলে অনেক সময় লাগবে। তবে কাউকে দিয়ে করালে ৩ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে। বা বেশীও লাগতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি যাকে দিয়ে কাজটি করাবেন তার সাথে ভালো ভাবে কথা বলে নিবেন।

বিস্তারিত
সি এন্ড এফ কি ?? আমদানী করতে কেন সি এন্ড এফ দরকার ?

সি এন্ড এফ কি ??

C&F মানে Custom clearing and forwarding agent. এই প্রতিষ্ঠান গুলি আমদানী পন্যের কাষ্টমস প্রসিডিউর সম্পন্য করে সরকারী ট্যাক্স প্রদানে আমদানীকারককে সহযোগীতা করে ৷ এরা সরকার কতৃক বিশেষ লাইসেন্স প্রাপ্ত ৷

যে কেউ চাইলেই এই লাইসেন্স করতে পারবেননা ৷ মিনিমাম ১৪ বছরের অভিজ্ঞতা দরকার এই লাইসেন্স নিতে ৷ এছাড়া এখন সরকার এই লাইসেন্স কে অনেক কঠিন করে ফেলেছে ৷

এছাড়া বিশাল অংকের একটি টাকা আপনাকে সরকারী হিসাবে জামানত রাখতে হয় ৷ ভুল বা অসদুপায় অবলম্বন করলে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে ৷

আমদানী করতে কেন সি এন্ড এফ দরকার ?

আমদানী করতে বিভিন্ন মাধ্যমের সহযোগীতা দরকার হয় ৷ যেমন নদী পথে যদি আমদানী করতে চান তবে আপনার প্রথমেই দরকার হবে শিপিং লাইনের সহযোগীতা, এর পর বন্দর কতৃপক্ষের সহযোগীতা, এর পর বার্থ অপারেটরের সহযোগীতা এবং সর্বশেষ কাষ্টমসের ৷

সি এন্ড এফ একটু ভিন্ন কাজে আপনাকে সহযোগীতা করবে ৷ আসলে সি এন্ড এফ আপনাকে যে সহযোগীতা করবে তা আপনি নিজেও করতে পারতেন ৷ কিন্তু আপনার পক্ষে এই জটিল বিষয়টি রপ্ত করতে আপনাকে প্রচুর জ্ঞান লাগবে ৷ সরকার সি এন্ড এফ কে নিয়োগ দিয়েছে এই জটিল কাজটিকে সহজ করতে ৷

সি এন্ড এফ কে সরকার একটি লাইসেন্স দিয়ে থাকে ৷ তাদের কাজ হলো সঠিক HS কোড নির্ধারন করে , যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাষ্টমসে আমদানী পেপার সাবমিট করা ৷

উদাহরন স্বরুপ বলা যায় , আপনি যখন ঢাকা এয়ারপোর্ট দিয়ে পন্য আমদানী করবেন তখন পন্য আসার পর আপনার প্রথম কাজই হলো আপনার সমস্ত ডকুমেন্ট সি এন্ড এফ কে প্রদান করা ৷

সি এন্ড এফ তার লাইসেন্সের ইউনিক কোডের মাধ্যমে সমস্ত পেপার অনলাইনে কাষ্টমসে সাবমিট করবে ৷ সরকার আপনার ডকুমেন্ট গুলি একটি C-Number দিয়ে চিহ্নিত করবে ৷ এবার আপনার পেপারটি সি এন্ড এফ কাষ্টমসে নিয়ে যাবে ডিউটি এ্যসেসমেন্ট করতে ৷

এ্যসেসমেন্ট শেষ হলে এবার ডিউটি পরিশোধ করে পন্য ডেলিভারীর ব্যবস্থা করবে ৷

এই কাজের জন্য আপনি সি এন্ড এফ কে আপনি একটি ফি দিতে হবে ৷

সি এন্ড এফ ছাড়া আপনি কোনভাবেই পন্য ছাড়াতে বা সরকারী ট্যাক্স দিতে পারবেননা ৷

বিশ্বস্ত সি এন্ড এফ সার্ভিস নিতে এই পেইজে যোগাযোগ করতে পারেন পেইজ লিংক

বিস্তারিত
সহজ ভাষায় LC কি ?? LC করার সহজ নিয়ম

সহজ ভাষায় LC তাকে বলে যা ব্যবহার করে বিদেশে টাকা পরিশোধ করা যায় ৷ আপনি যখন বিদেশ থেকে পন্য আমদানী করতে চাইবেন তখন অবশ্যই আপনাকে একটি লিগাল পথে সেলারের টাকা পরিশোধ করতে হবে ৷ সরকার দুই ভাবে আপনাকে টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা করেছে ৷ তার মধ্যে LC খুবই নির্ভরযোগ্য মাধ্যম ৷ LC বিশ্ব ব্যাপি গ্রহনযোগ্য একটি পেমেন্ট সিস্টেম ৷

LC করার সহজ নিয়ম
ঘুরিয়ে পেচিয়ে না বলে আজকে সহজ ভাবে LC করার পদ্ধতি বলবো ৷ LC করার জন্য আপনাকে অবশ্যই IRC করতে হবে ৷ কিভাবে IRC করতে হয় তা নিয়ে বিশদ ভাবে আগের পোষ্ট গুলিতে বলা আছে ৷

LC করার প্রথমে আপনাকে সেলারের সাথে দরদাম ঠিক করে একটি PI আনতে হবে ৷ PI হলো এক ধরনের ইনভয়েস যাতে আপনার পন্যের বিস্তারিত বর্ননা থাকবে ৷ সেলারের ব্যাংক কোড, মালের দাম, ওজন, HS কোড ইত্যাদি সব কিছু ৷



এবার আপনি এই PI নিয়ে কোন ব্যাংকের AD  ব্রাঞ্চে চলে যান ৷ সব ব্যাংকের সব ব্রাঞ্চে কিন্তু LC করেনা ৷ LC করার সময় কিন্তু আপনাকে পেমেন্টের টাকা পুরোটা পরিশোধ করতে হবে ৷

প্রতি LC করতে খরচ হবে ১০ হাজার টাকার মতো ৷ তাই LC করার আগে অবশ্যই নিয়ম কানুন ব্যাংক থেকে জেনে নিবেন ৷ আবার অনেক সময়  ব্যাংক LC করতে চায়না ৷ কারন কম ভেলুর LC করতে তাদের ঝামেলা বেশী কিন্তু প্রফিট কম ৷ তাই LC করতেও ব্যাংক সিলেক্ট করতে হবে

LC করার পর আপনি নিরাপদ ৷ আপনাকে সেলার পন্যের ইনভয়েস, প্যাকিং লিষ্ট, বি এল ইত্যাদি পাঠিয়ে দিবে ৷

LC করার ব্যাপারে ব্যাংক আপনাকে সকল সহযোগীতা করবে ৷ আপনাকে এসব নিয়ে চিন্তা করতে হবেনা ৷

বিস্তারিত
কোন পন্যের কত ট্যাক্স ?? বের করার সহজ ফর্মুলা

ট্যাক্স নিয়ে সবাইকে কমবেশী ঝামেলায় পড়তে হয় ৷ আসলে আমরা যদি পন্যের সঠিক HS code জানতে পারি তাহলে যে কোন পন্যের ট্যাক্স বের করা সহজ হবে৷

পন্যের ট্যাক্স বের করতে আপনার প্রথম পর্বে জানতে হবে HS বের করার সহজ পদ্ধতি নিয়ে ৷ বিশ্বে আমদানী রপ্তানি যোগ্য সকল পন্যের একটি HS Code থাকে ৷

প্রতি বছর এটা আপডেট হয় বিধায় নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যায়না ৷ যাহোক আমরা যেহেতু স্মার্ট ফোনের লোক তাই আপনার প্রথম কাজ হলো অনলাইন থেকে Bangladesh customs tariff.pdf -2017/2018  ডাউনলোড করে নিতে হবে ৷



এবার আপনার পন্যের ইংরেজি নামটি দিয়ে গুগলে HS  Code সার্স করুন ৷ যেমন কলমের HS কোড সার্স করবেন "pen HS code" লিখে ৷ jauba নামে একটি ভারতীয় ওয়েবসাইট আছে তারা মোটামুটি উপমহাদেশীয় HS কোড গুলি দেখাবে ৷

এর পর আপনি ডাউনলোড করা  Bangladesh customs tariff.pdf -2017/2018 গিয়ে ওয়েবসাইটে পাওয়া HS কোডের সাথে মিলান ৷ মনে রাখবেন অনলাইনের সব সংখ্যা সঠিক নাও মিলতে পারে ৷ আপনি কাছাকাছি কোন একটা মিলিয়ে নিবেন ৷

এবার Bangladesh customs tariff.pdf -2017/2018 এর ডান পাশে দেখবেন TTI লেখা আছে ৷ সেই সংখ্যার পরিমান টাকাই আপনাকে শতকরা পরিশোধ করতে হবে ৷

বিস্তারিত
১০-৫০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগের সময় উপযোগী সৌখিন ব্যবসার আইডিয়া

Re-circulation Aquaculture system (RAS) technology হলো বাংলাদেশে মাছ চাষের জন্য নতুন একটি প্রযুক্তি ৷ ১০ লাখ থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত এই খাতে ইনভেষ্ট করা সম্ভব ৷ মাত্র ৩২০০ Sqf একটি ট্যাংক প্রজেক্ট থেকে বছরে ১০ টন মাছ উৎপাদন করা সম্ভব ৷


কি প্রযুক্তি  Re-circulation Aquaculture system (RAS) technology ??


এটা হলো আবদ্ধ স্থানে পানি রিসাইক্লিন করে মাছ চাষ করার একটি প্রক্রিয়া ৷ এই প্রযুক্তিতে তিনটি অংশ থাকে


১.পানি পাম্পিং

২.মাছের ট্যাংক

৩.পানি রি সাইক্লিন


প্রথম অংশে পানি পাম্প করার জন্য মটর থাকে ৷ এই পাম্প রিসাইক্লন করা পানি পুনরায় মাছের ট্যাংকে প্রবেশ করায় ৷ এটা কন্টিনিয়াসলি হতে থাকে ৷ তবে এটার জন্য ভালোমানের মোটর লাগে ৷


এবার দ্বিতীয় অংশে থাকে মাছ ৷ এটা বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরি ৷ এখানে খুব পরিমিত মাত্রায় খাদ্য সরবরাহ করা হয় ৷ আর ভাসমান খাদ্য ব্যবহার করা হয় ৷ যাতে পানি রিসাইক্লন করতে সহজ হয় ৷


তৃতীয় যে অংশ তার কাজ মাছের ব্যাংকের পানি পরিষ্কার করা ৷ এই অংশটাই খুব ব্যায়বহুল ৷ এখানে সেডিমেন্ট ফিল্টারে পানি ফিল্টার করে তা আল্ট্র ফিল্টার দিয়ে ক্লিয়ার করে পুনরায় পাম্পিং ট্যাংকে ফিল করা হয় ৷ এই প্রসেসটাই ব্যয় বহুল ৷ তবে আমার মতে গ্রামে এসবের দরকার নাই ৷ সরাসরি পুকুর থেকে পানি পাম্পিং করা যাবে ৷


কি কি মাছ চাষ করা যাবে ??


এই প্রযেক্টে দামি এবং দ্রুত বর্ধনশীল মাছ চাষ করতে হবে ৷ দেশী মাগুর, ভেটকি, কোরাল, তেলাপিয়া, পাবদা ইত্যাদি Re-circulation Aquaculture system (RAS) technology তে খুববেশী উপযোগী ৷


কেন এটা ভালো?

যদিও আমাদের চিন্তা এখনও সে রকম হয়নি , কারন গ্রামে এখনও প্রচুর খালি পুকুর আছে ৷ এই প্রযুক্তিতে আপনি খাদ্য কম খরচ করে বেশী মাছ উৎপাদন করতে পারবেন ৷ এক কেজি মাছ উৎপাদন করতে ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরকার হয় ৷


বিদ্যুতের যে সমস্যা তা আপনি সৌর প্লান্ট দ্বারা সহযেই লাগব করতে পারেন ৷ নির বিচ্ছিন্ন বিদ্যুত লাগবে ৷ বিশেষ করে রিসাইক্লন করতে প্রচুর প্রেসারের পাম্প লাগবে ৷


তবে বর্ষার দিনে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করতে পারলে বিদ্যুত খরচ অনেকটাই বাচবে ৷ এছাড়া হ্যান্ড পাম্পের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে ৷ তবে বিদ্যুত ছাড়া এই প্লান্ট দেয়া সম্ভব না ৷ সৌর বিদ্যুত বিকল্প না ৷


শহরে বাড়ির ছাদে এই প্লান্ট একটি আদর্শ ব্যবসা ৷ তবে সৌর সোলারের ব্যবস্থা রাখবেন ৷


কেমন খরচ হবে ??

আসলে খরচ কেমন হবে তা সঠিক ভাবে বলাটা অসম্ভব ৷ কারন আপনার প্লান্টের আকার, স্থান, কাল ভেদে খরচের তারতম্য হবে ৷ যেমন শহরে হলে বেশী খরচ হয় ৷ কারন পানি রিসাইক্লন সমস্যা ৷ এটা গ্রামে পুকুর বা কুয়ার পানি দিয়ে চালিয়ে নেওয়া যায় ৷ একটা প্লান্ট কম পক্ষে ১০ লাখ টাকা খরচ হয় ৷ ভালো মানের প্লান্ট করতে ৫০ লাখ টাকা খরচ হবে ৷


লাভ লোকসান

লাভ লোকসান পুরাটাই আপনার প্লান্ট ম্যানেজমেন্টের উপর নির্ভর করে ৷ বিশেষ করে খাদ্য প্রদান করাটা খুব কৌশলের সাথে করতে হবে ৷ এছাড়া সৌর প্লান্টের মাধ্যমে বিদ্যুত সরবরাহ করতে পারলে খরচ আরো কমবে ৷ প্রতি কেজি মাছ উৎপাদন করতে ৭০ থেকে ৮০ টাকা খরচ হবে ৷ তবে দেশীয় মেশিন ব্যবহার করলে আরো কম খরচে প্লান্ট করতে পারবেন ৷ আর পানি পরিশোধনে দেশীয় সেডিমেন্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে ৷ অনলাইন থেকে নিচের ঠিকানা সংগ্রহ করেছি ৷

JAK International, Dhaka, Bangladesh.

e-mail: mjali2004@yahoo.com


ওদেরকে আপনি ইমেইল করে দেখতে পারেন ৷ এছাড়া বাংলাদেশ সাইন্স ল্যাবরেটরিতে যোগাযোগ করতে পারেন ৷ তবে সাইন্স ল্যাবরেটরির প্লান্ট খুবই ব্যয়বহুল ৷ বেসরকারী গুলি ট্রাই করে দেখতে পারেন ৷

বিস্তারিত
মাত্র ৫০০০ টাকা পুঁজিতে উৎপাদন মুখী ব্যবসাটি শুরু করুন

এখন প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষতার যুগ চলতেছে৷ মানুষ বাড়ছে সাথে খাদ্য চাহিদাও প্রচুর পরিমানে বেড়েছে ৷ কিন্তু চাষাবাদ যোগ্য জমির পরিমান বাড়েনি ৷ 


পৃথিবীর এই ক্রমবর্ধমান খাবারের চাহিদা মেটাতে প্রযুক্তি আমাদের জন্য আবিষ্কার করেছে হাইব্রিড ফসলের জাত৷ কম জমিতে, কম সময়ে, বৃষ্টি খরা সহ্যকারী ফসল হলো হাইব্রিড ৷ হাইব্রিডের ফলন অন্য জাতের চেয়ে অনেক ভালো ৷ কৃষকের জন্য এই ফসল বিনিয়োগবান্ধব ৷ আকারে দেশী ফসলের চাইতে দুই তিন গুন বড় হয়ে থাকে এই জাত ৷ কম সময়ে এই ফসল উৎপাদন হয় বলে কৃষকরা কয়েকবার জমিতে ফসল বুনতে পারে ৷ 




আপনারা অনেকেই থাই পেপের নাম শুনেছেন অথবা খেয়েও থাকতে পারেন ৷ থাই পেপের ভিতরটা তরমুজের মতো টকটকে লাল হয়ে থাকে ৷ পাকা পেপে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় কেজি বিক্রি হয় ৷ ঢাকার সুপারশপ গুলিতে এই পেপে প্রচুর বিক্রি হয় ৷


পেপের চাষ পদ্বতি 

এই পেপে দেশী পেপের মতোই চাষ করা যায় ৷ পেপে চাষের জন্য উচু জমি প্রয়জন৷ বর্ষায় পানি জমেনা এমন জমিতে পেপে চাষ করতে হবে ৷ পতিত জমি বা ভিটায় পেপে চাষ করতে পারবেন ৷ 


চারা উৎপাদন

থাই পেপের চারা করা একটু কঠিন ৷ নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে ৷ প্রথমে বীজ গুলি ১২ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে ৷ এর পর গামছা বা পাতলা কাপড়ে ছেকে রাখতে হবে ৫-৬ ঘন্টা ৷ যদি পলি প্যাকেট থাকে তাহলে প্রতি প্যাকেটে ১ টি করে বীজ বপন করতে হবে ৷ প্যাকেটের মাটি জৈব সার সহ ভরাট করে রাখতে হবে ৷ বীজ বপন করার পর খড় কুটো দিয়ে বীজ তলা ঢেকে রাখতে হবে ৷ কিছু দিন পর চারা গজাতে শুরু করবে ৷ 


বীজ কোথায় পাবেন ??

গ্রাম বা মফস্বল শহরগুলিতে অনেকেই হাইব্রিড জাতের বীজ বিক্রি করে ৷ আমাদের দেশে এখনও এই সব হাইব্রিড জাতের বীজ উৎপাদনের যথাযথ প্রযুক্তি না থাকার কারনে ৮০% বীজ বিদেশ থেকে আমদানী করা হয় ৷ 


অনেক প্রান্তিক কৃষক অভিযোগ করেন যে তারা হাইব্রিড বীজ বপন করেও সঠিক ফসল পাচ্ছেননা ৷ এর অন্যতম কারন বীজ ডিলারদের কারসাজি ৷ যেমন এক গ্রাম হাইব্রিড পেপে বীজের দাম ২০০ টাকা ৷ প্রতি ১০০ গ্রামে যদি ১০-২০ গ্রামও ভেজাল দেওয়া যায় তাহলে উপরি ২০০০-৩০০০ টাকা লাভ পাওয়া যায় ৷ অর্থাৎ ৫০০০ বীজে ৫০০ বীজ অনায়সে মিশিয়ে দেয় ৷ 


কিন্তু একজন প্রান্তিক কৃষকের বুঝার কোন উপায় নেই যে বুঝতে পারবে মিক্স বীজ আছে কি না ৷ ফলে বছর শেষে আশানুরুপ ফল পাননা এবং অপুরনীয় ক্ষতি তো আছেই ৷ আর বীজ কোম্পানিরও সুনাম নষ্ট হয়৷ 


আর এ জন্যই সরাসরি আমদানীকারক থেকে হাইব্রিড বীজ ক্রয় করতে হয়৷ কিছু আমদানীকারক তাদের নিজস্ব ফার্মে তিন বছর বীজ গুলি টেষ্ট করেন ৷ এর পর হাইব্রিড বীজ বিক্রি করেন ৷ তবে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ভেজাল শুরু হয় ডিলার থেকে গ্রামের খুচরা দোকান গুলি পর্যায়ে ৷ পীরের পানি পড়ার মত ভালো গুলির প্যাকেটে লোকাল বীজ ভরে বিক্রি করে ৷ উনাদের প্যাকেটের বীজ সারা বছরেও পুরায়না ৷ কারন মিক্স করে বিক্রি করে ৷ 




আমাদের চ্যানেলের পক্ষ থেকে প্রান্তিক কৃষকদের জন্য সকল প্রকার হাইব্রিড বীজের জন্য সরাসরি আমদানীকারকদের সহযোগীতায় বিক্রি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে ৷ 


নিচের  লিংকে ক্লিক করে নাম ঠিকানা কমেন্ট করে অথবা ইমেইল করে অথবা ফেসবুকে মেসেজ করে জানান৷ কুরিয়ারে পাঠালে মিনিমাম ১০০ টাকা চার্জ নেওয়া হবে৷ 


চারা রোপন 

প্যাকেটের চারা আলাদা করে মাটির আইল তৈরি করে রোপন করতে হবে ৷ মাটিতে পরিমান মত জৈব সার ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করতে হবে ৷ এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্ম কর্তার সহযোগীতা নিতে পারেন ৷ 


মুলধন

হাইব্রীড বীজ খুব দামী ৷ প্রতি গ্রাম প্রায় ২০০ টাকা ৷ কেজি ২০০,০০০ টাকা ৷ প্রতি গ্রামে ৩০-৪০ টা বীজ থাকে ৷ এই বীজ সরাসরি থাইলেন্ড থেকে আমদানী করতে হয় ৷ ৫০ টি গাছ উৎপাদনের জন্য দুই প্যাকেট বীজ যথেষ্ট ৷ দু প্যাকেটের দাম ৪০০ টাকা আর জৈব সার ও রাসয়নিক সার মিলিয়ে আরও ১০০০ টাকা ৷ আপাদত ২০০০ টাকা দিয়ে হাইব্রিড পেপের চাষ শুরু করতে পারবেন ৷ 


তবে জমি নিজের হওয়াটা বাঞ্চনীয় ৷ ভাড়া জমিতে চাষ করে লাভ করাটা কঠিন ৷ 


লাভ লোকসান

সঠিক ভাবে বীজ বপন না করতে পারলে চারা উৎপাদন করা সম্ভব না ৷ তাই খুব যত্ন করে বীজ তলা তৈরি করতে হবে ৷ এছাড়া পেপের আরেরটি সমস্যা হচ্ছে পুরুষ গাছে ফল আসেনা ৷ এজন্য পুরা গাছটি মাঝ বরাবর ভেঙ্গে দিলে নতুন  কুড়ি গজাবে ৷ সেই কুড়িতে ফল আসবে ৷

বিস্তারিত
মাত্র ৫ লাখ টাকা ইনভেষ্ট করে মাসে হাজার ৪০ টাকা আয় করুন

খুব বেশী দিন না, এই ব্যবসাটি সম্প্রতি খুব জনপ্রীয় হয়ে উঠছে ৷ এটা এক রকম সুপারশপের মতো ৷ আপনি খুচরা আইটেগুলি একটু ভিন্ন ভাবে এসব দোকান থেকে ক্রয় করতে পারবেন ৷ ঢাকাতে এসব দোকান প্রচুর পরিমানে আছে ৷ এছাড়া বিভাগীয় শহর, জেলা শহর এমনকি গ্রামের অনেক বড় বাজার গুলিতেও এসব দোকান খুব জমজমাট ব্যবসা করে যাচ্ছে ৷ 


আমি আজকে ৯ টু ৯৯ শপের কথা বিস্তারিত বলার চেষ্টা করবো ৷


কিভাবে শুরু করবেন ??

দোকান নির্বাচন করাটাই এই ব্যবসার আসল রহস্য ৷ স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার আশে পাশে যেখানে প্রচুর জনসমাগম হবে, এরকম স্থানে দোকান নির্বাচন করতে হবে ৷ আনেক বড় দোকান না হলেও চলবে ৷ তবে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরাই এই পন্যের প্রতি অধিক আগ্রহী ৷  তাই মেয়েদের স্কুল বা মাদ্রাসার পাশে এই ব্যবসা খুবই জমজমাট হবে ৷ 


কি পন্য বিক্রি করবেন ??

 আপনি যদি মেয়েদের আইটেম নিয়ে ব্যবসা দাড় করাতে চান তবে এই আইটেম গুলি রাখতে পারেন ৷ যেমন, ব্রেসলেট, নেলপলিশ, লিপিস্টিক, ক্লিপ, কানের দুল, চুড়ি, ফিতা, আংটি, চিরুনি, মেকাপ ইত্যাদি ৷ এছাড়া কসমেটিক্স সামগ্রীও বিক্রি করতে পারেন ৷ তবে কসমেটিক্স ফিক্সড দামে পাওয়াটা কঠিন তাই গায়ের মুল্যে বিক্রি করবেন ৷ মনে রাখবেন ৯৯ টাকা থেকে যেন বেশী দামী কোন পন্য না থাকে ৷ সেটা কসমেটিক্স আর যাই হোক ৷ গিফট্ আইটেমও রাখতে পারেন ৷ এছাড়া মেয়ের আন্ডার গার্মেন্ট, জুতা, ঘড়ি, ষ্টেশনারী আইটেম গুলিতেও ভালো লাভ করা যায় ৷ আর প্লাস্টিকের কিছু আসবাবপত্র রাখতে পারেন ৷ কোয়ালিটির ব্যাপারে আপোষ করা যাবেনা ৷ লাভ কম করে পন্যের কোয়ালিটি ভালো রাখার চেষ্টা করবেন ৷ 


কোথা থেকে পন্য ক্রয় করবেন ??

সকল পন্যই আপনি ঢাকার চক বাজারে পাবেন  একটু খুজে নিতে হবে ৷ তবে আপনার আশে পাশেও আনেক পাইকারী বিক্রেতা থাকতে পারে আপনি তাদের সাথে কথা বলতে পারেন ৷ 


কত টাকা মুলধন লাগবে?

এই ব্যবসায় তেমন মুলধন লাগবেনা ৷তবে দোকানের ডেকোরেশন খুবই দৃষ্টিনন্দন করতে হবে ৷ লাইটিং করতে হবে ৷ আর আশেপাশে বিজ্ঞাপন করতে হবে ভালোভাবে ৷

দোকানের এ্যাডভান্স, ডেকোরেশন আর বিজ্ঞাপন বাবদ ৩ লাখ টাকা যথেষ্ট ৷ তবে অবস্থান ভেদে এটা কয়েকগুন বাড়তে পারে ৷ 


২ লাখ টার মালামাল প্রাথমিকভাবে কিনলেই চলবে ৷ এর পর কাষ্টমারের চাহিদা অনুযায়ী নতুন সামগ্রী যোগ করতে পারবেন ৷

পাঁচ লাখ টাকা প্রাথমিকভাবে পুজি নিয়ে শুরু করে দিন ৷ 


লাভ ক্ষতিঃ

এই ব্যবসায় আপনি শতকরা গড়ে ২০% লাভ করতে পারবেন ৷ তবে পচনশীল বা নষ্ট পন্য না রাখাই উত্তম ৷ এছাড়া লট আকারে যদি পন্য ক্রয় করতে পারেন তবে তুলনামুলক কম দরে পন্য পাবেন ৷ প্রতিদিন ১০ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারলে মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ হবার সম্ভাবনা আছে ৷ যেহেতু দরাদরির ঝামেলা নাই, তাই নিজেই দোকান চালাতে পারবেন ৷

বিস্তারিত
চীনের aliexpress.com থেকে পণ্য কেনার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম

আমি এই পোষ্টের মাধ্যমে দেখাবো কিভাবে আপনাদের কাঙ্ক্ষিত পন্যটি আলিএক্সপ্রেস থেকে কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই  আমদানি করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ্ ।


অর্ডার করার নিয়মাবলীঃ 

প্রথমে Aliexpress ওয়েবসাইট অথবা Aliexpress অ্যাপ থেকে প্রবেশ করে আপনি যে পণ্যটি ক্রয় করতে চান তা সিলেক্ট করে সাথে আপনার প্রোডাক্টটির রঙ, সাইজ, পরিমাণ, কোড নাম্বার , সহ আরো আনুষঙ্গিক তথ্য ভালো ভাবে দেখে নিন। ফ্রী শিপিং পন্য ওর্ডার করার চেষ্টা করবেন ৷ তবে আপনি চাইলে শিপিং সহ পন্য ওর্ডার করতেও পারেন। 


কোনো পণ্য অর্ডার করার পূর্বে অবশ্যই ভালোভাবে যাচাই করে নিন। কোনো পণ্য অর্ডার করার পূর্বে বিক্রেতার রেটিং এবং ফিডব্যাক দেখে নিবেন। এছাড়া একই পণ্য অন্য বিক্রেতার কাছে কম দামে পেলেও রেটিং ও ফিডব্যাক যাচাই বাছাই করে নিবেন।


পেমেন্ট করার নিয়মঃ


Aliexpress টাকা বিভন্ন ভাবে পরিশোধ করার যায়। আপনার যদি আন্তর্জাতিক মানের ডুয়েল কারেন্সির মাস্টার বা ভিসা কার্ড থাকে তবে সেটা দিয়ে টাকা পরিশোধ করতে পারেবন ।তবে বাংলাদেশে এখন এই ধরনের ক্রেডিট কার্ড নিতে আপানকে অনেক টাকা খরচ করতে হবে। 


ইস্টার্ন ব্যাংক থেকে EBL MasterCard Aqua Prepaid Card নামে একটা কার্ড ইস্যু করে। এই কার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করতে পারেন। এই কার্ড ইস্যু করতে আপানকে খুব বেশী কষ্ট করতে হবেনা। আপনি জাস্ট ৭০০ টাকা দিলেই হবে।  তবে আপনার অবশ্যই পাসপোর্ট থাকতে হবে। না থাকলে টাকা এন্ডোরস করতে পারেবন না।


EBL MasterCard Aqua Prepaid Card

অর্ডার কনফার্ম কিভাবে হবেন?

আপনি অর্ডার কমপ্লিট করে পেমেন্ট করলে আপনাকে Aliexpress  একটা ট্র্যাকিং নম্বার দিবে। আপনি নিজেই আপনার পণ্য ট্র্যাকিং করতে পারবেন। এর মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারেবন আপনার পণ্য কোথায় আছে । 


পণ্য কোন ঠিকানায় ডেলিভারী হবে? 

অনেকেই অভিযোগ করেন যে Aliexpress পণ্য অর্ডার করে পণ্য পাননাই। আসলে আপানার পোষ্ট অফিস আপানকে পণ্যটি ডেলিভারি দেয়না। Aliexpress থেকে পণ্য পাঠায় না এটা লাখে ১০০ হবে। সেক্ষেত্রে আপনি টাকা ফেরত পাবেন। অবশ্যই আপনার পোষ্ট অফিসের সাথে যোগাযোগ রাখবেন । পণ্য আসবেই। তবে টেস্ট করার জন্য আপনি প্রথমে ১ ডলারের পণ্য অর্ডার করে দেখতে পারেন। 


পণ্য ডেলিভারী সময়কালঃ

সাধারণত কোনো প্রোডাক্ট আসতে কম পক্ষে ৩০ দিন সময় লাগে। তবে কিছু ক্ষেত্রে কম-বেশি হতে পারে।


ডেলিভারি চার্জঃ 

Aliexpress থেকে পণ্য আনতে পোষ্ট অফিসকে কোন টাকা দিতে হবেনা। সব কিছুই Aliexpress দিয়ে দিবে।  

ট্যাক্সঃ

পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে আনীত পন্য সাধারণত হালকা এবং কম মূল্যের পণ্যে কোন ট্যাক্স আসেনা।

তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভারী অথবা দামী পণ্যের (মোবাইল, কম্পিউটার এক্সেসরিজ, ট্যাব, স্মার্টওয়াচ, ক্যামেরা ইত্যাদি) ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত শুল্ক/ট্যাক্স ধার্য্য করা হতে পারে যা আপনাকেই পরিশোধ করতে হবে।

এক্ষেত্রে যদি পণ্যের উপর ট্যাক্স ধার্য্য করা হয় তাহলে পণ্যের সাথে ট্যাক্সের রশিদটি আপনাকে দেয়া হবে।


মূল্যফেরত বা রিফান্ড পলিসিঃ 

# অর্ডার করার ৬০ কর্ম দিবসের মধ্যে যদি পণ্যটি না পৌঁছায় তাহলে আপনি পুরো টাকাই ফেরত পাবেন। কিন্তু এক্ষেত্রে আপনাকে অতিরিক্ত ৮ - ১০ দিন অপেক্ষা করতে হবে। কারণ বিক্রেতা রিফান্ড করতে মাঝেমাঝে একটু দেরি করে।

বিস্তারিত
alibaba & Import Export expert

আমদানি,রপ্তানি,আলিবাবা নিয়ে যেকোনো সমস্যায় আমাকে ফেসবুকে মেসেজ করুন।

এখানে ক্লিক করুন
© 2020 eibbuy. All Rights Reserved.
Developed By Takwasoft