শুরু করুন লাভজনক পাইকারি ব্যবসা wholesale business

বাংলাদেশে গতানুগতিক ব্যবসায় পাইকারি ব্যবসা একটি গুরত্ত পূর্ণ ভুমিকা রাখে । পাইকারি ব্যবসা তারাই করতে পারবেন যারা অনেক বেশী টাকা  ইনভেস্ট করে ব্যবসা করতে চান। এই ব্যবসায় পুঁজি অনেক বেশী ইনভেস্ট করতে হবে কিন্তু লাভ খুব সীমিত আকারে আসবে। পাইকারি ব্যবসা করতে হলে আপানকে আগে থেকেই নির্ধারণ করে নিতে হবে কোন যায়গায় আপনি ব্যবসাটি করতে চান। গ্রামের ছোট খাট বাজারে পাইকারি ব্যবসা দেয়াটা তেমন একটা লাভজনক হবেনা। কারন পাইকারি ব্যবসা দেয়ার জন্য এমন একটা জায়গা বেছে নিতে হবে যেখানে সকল খুচরা বিক্রেতাগণ
পাইকারি পণ্য ক্রয় করতে আসে। পাইকারি ব্যবসা দেয়ার জন্য উৎকৃষ্ট স্থান হলো থানা শহর, জেলা শহর বা বিভাগীয় শহর গুলি।

পাইকারি ব্যবসায় কেমন ইনভেস্ট লাগবে?
পাইকারি ব্যবসা দিতে কেমন ইনভেস্ট করা লাগবে সেটা নির্ভর করে আপনার পণ্য, স্থানের উপর। আপনি যদি পাইকারি ব্যবসা কোন থানা শহরে খুলেন  তবে আপনাকে তেমন বেশী ইনভেস্ট করতে হবেনা। যদি মুদি মালের পাইকারি ব্যবসা করতে চান তবে ১০-১৫ লাখ টাকা মূলধন হলেই হবে। মুদি মালের পাইকারি ব্যবসা করার একটা বড় সুভিধা রয়েছে। আপনার ব্যবসাটা যদি পপুলার কোন যায়গায় হয় তবে বিভিন্ন কোম্পানি বাকিতে পণ্য সরবরাহ করে যাবে।
বড় বড় ভোগ্য প্রতিষ্ঠান যেমন প্রাণ, ফ্রেস ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান আপনার পাইকারি ব্যবসায় বাকিতে পণ্য দিয়ে যাবে। তবে আপনি যদি কাপড়ের পাইকারি ব্যবসা করতে চান তবে আপনাকে অনেক বেশী ইনভেস্ট করতে হবে। কারন কাপড় পাইকারি পাওয়া যায় ঢাকার ইসলামপুর । সেখানে আপনি পরিচিত না হলে বাকিতে পণ্য দিবেনা । কাপড়ের পাইকারি ব্যবসা শুরু করতে ২০-৩০ লাখ টাকা আপনাকে ইনভেস্ট করতে হবে।

পাইকারি ব্যবসায় কেমন লাভ হবে?

পাইকারি ব্যবসা করলে আপনি খুচরা ব্যবসার মত লাভ করতে পারবেন না। পাইকারি ব্যবসাতে ১-৫% লাভ করতে পারবেন আপনি। এখানে লাভ বেশী করতে পারবেন না আপনি। তবে বিক্রি বেশী হয় বিধায় পাইকারি ব্যবসা করে লাভ অনেক বেশী হয়। ১ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি করতে পারলে আপনি ১০০০-৫০০০ টাকা সর্বোচ্চ লাভ করতে  পারবেন। আর পাইকারি ব্যবসায় প্রতিদিন ১ লাখ টাকা বিক্রি করা খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। এই হিসাবে আপনি মাসে ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা আয় করতে পারবেন।

পাইকারি ব্যবসায় সমস্যা
পাইকারি ব্যবসা করতে ইনভেস্ট যেমন বেশী তেমনি পাইকারি ব্যবসায় সমস্যাও অনেক বেশী। পাইকারি দোকানের ভাড়া অনেক বেশী। আর কর্মচারী অনেক বেশী রাখতে হয়। যদি কোন কারনে দোকান বন্ধ থাকে তবে লস অনেক বেশী হয়ে যাবে। এছাড়া এই ব্যবসায় অনেক বেশী বাকি থাকে। খুচরা দকানদাররা অনেক সময় পাইকারি ব্যবসা থেকে পণ্য বাকি নেয়। তবে এই বাকি টাকার ২০% আর ফিরে পাওয়া যায় না । প্রতি বছর ভালো একটা পরিমাণ আপনাকে লস হিসাবে ছেড়ে দিতে হবে।

বিস্তারিত
অল্প টাকা দিয়ে গোল্ড স্পেশাল চায়ের ডিলার হয়ে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করুন Gold Special Tea

সরাসরি যোগাযোগ করতেঃ ০১৭৫২১২৮৮৯৪

চা একটি তৃপ্তিদায়ক পানীয়। বিশ্বের প্রায়  প্রতিটি দেশে চা এর প্রচলন রয়েছে। আমাদের দেশে অসংখ্য চায়ের দোকান রয়েছে। আর এ সব দোকানে প্রয়োজন হচ্ছে চা পাতা। বর্তমানে ছোট বড় মিলিয়ে অসংখ্য চা পাতা বিপনন কারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। চা পাতার চাহিদা বেশী হওয়ায় বিক্রির ঝামেলা কম। এ ব্যবসাটি শুরু করতে আপনার তেমন বেশী পুজির প্রয়োজন হবে না। তো আপনি চাইলে গ্রামে বসে এ ব্যবসাটি শুরু করে মাসে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় করতে  পারবেন।


কিভাবে শুরু করবেন??

প্রথম অবস্থায় আপনার গ্রামে দিয়ে এ ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন। আপনার আশে পাশের এ রকম ২০ টি চায়ের দোকান, এবং ৫০ টি মুদির দোকান ঠিক করবেন। যারা আপনার কাছ থেকে ১ কেজি বা আধা কেজি চা পাতা নিবে। প্রথমে একটু কষ্ট হবে। তবে আপনার প্রচার এর উপর কাস্টমার বাড়বে। মার্কেট প্লেস ভালোবাবে সৃষ্টি হলেই এ ব্যবসাটি শুরু করবেন।



কিভাবে বিক্রি করবেনঃ

বাজারে আনেক নামী দামী কম্পানির চা পাতা রয়েছে, তাই তাদের সাথে প্রতিযোগিতা দিতে হলে আপনাকে মানসম্মত চা পাতা ক্রয় করতে হবে এবং তাদের চেয়ে একটু কম দামে ছাড়তে হবে। বাজারে সাধারণত ১ কেজি বা আধা কেজি চা পাতার প্যকেট বেশি প্রচলিত। চেস্টা করবেন অন্যদের চেয়ে একটু ভিন্ন ভাবে তৈরি করতে। প্রথমিক আবস্থায় কিছু পুরুস্কার এর ব্যবস্থা রাখতে পারেন।  এতে আপনার বিক্রি বেশী হবে।


কোথায় থেকে পাইকারি চা পাতা কিনবেন??

চা পাতার বড় পাইকারি বাজার হলো, সিলেট ও  চট্টগ্রাম। এ ছাড়া দেশের ভিবিন্ন স্থানে ডিলারা পাইকারি দরে বিক্রি করে থাকে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে  পারেন।


বাংলাদেশে খান কনজুমার প্রোডাক্ট নিয়ে এসেছে গোল্ড স্পেশাল চা।  সরাসরি বাগান থেকে আহরন করে তৈরি করা হয় উন্নত মানের গোল্ড স্পেশাল চা ।আপনি নতুন করে প্যাকেট করা লাগবেনা।


কত টাকা ইনভেস্ট কর‍তে হবে??

প্রাথমিক অবস্থায় আপনি গোল্ড স্পেশাল চা ৫০ কেজি কিনে শুরু করতে পারবেন তবে আপনি পাইকারি বাজার দর  প্রতি কেজি  গোল্ড স্পেশাল চা ৩০০ টাকা করে কিনতে পারবেন। মোট ১৫০০০ টাকা দিয়ে আপনি ডিলার নিয়ে শুরু করতে পারবেন। প্রতি কেজি গোল্ড স্পেশাল চা দোকানদারদের কাছে বিক্রি করবেন ৩৫০ টাকা করে । কেজি প্রতি আপনি লাভ করতে পারবেন ৫০ টাকা করে । ৫০ কেজি গোল্ড স্পেশাল চা বিক্রি করে আপনি ২৫০০ টাকা খুব সহজেই লাভ করতে পারবেন।  চায়ের গায়ে খুচরা মূল্য ২০০ টাকা হাফ কেজি। প্রতি কেজি ৪০০ টাকা করে বিক্রি হবে। প্রতিদিন যদি ২০ জন চা দোকানদারের কাছে পাইকারি দরেও ২০ কেজি চা পাতা দিতে পারেন তবে প্রতি দিন আপনি ১০০০ টাকা করে আয় করতে পারবেন। আর মাসে ১৫-২০০০০ টাকা আয় করতে পারবেন খুব সহজেই।


কিভাবে খান কনজুমার প্রোডাক্টের গোল্ড স্পেশাল চায়ের ডিলার হবেন?

গোল্ড স্পেশাল চায়ের ডিলার হওয়া খুব সহজ কাজ। যে কেউ চাইলে এই প্রডাক্টের ডিলার হতে পারবেন। মাত্র ৫০ কেজি চা পাতা ক্রয় করতে হবে আপনাকে।  খান কনজুমার প্রোডাক্ট আপনার ঠিকানায় পণ্য পাঠিয়ে দিবে। টাকা লেনদেন খুব নিরবিগ্নে করতে পারবেন। যদি কোন প্রকার প্রবলেম মনে করেন তবে আমাদের মাধ্যমে করতে পারেন। আমরা আপনাকে পণ্য পাবার নিশ্চয়তা দিবো। কোন ফি দিয়া লাগবেনা।

বিস্তারিত
৪ লাখ টাকায় শুরু করুন থার্মোকল ওয়ান টাইম কাপ,প্লেট,গ্লাস উৎপাদন ব্যবসা Thermocol plate manufacturing business

এখন থার্মোকল ওয়ান টাইম থালা বা প্লেট বাটির খুব চাহিদা। কারণ কাগজের ওয়ান টাইম থালা বা প্লেট বাটির থেকে থার্মোকল ওয়ান টাইম থালা বা প্লেট বাটি
ভালো। আজকাল যেকোনো পার্টি, বিয়ে বা অনুষ্ঠানে এই থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেটের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলছে। থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেটের মদ্যে
অনেক সময় ধরে খাবার গরম ঠাণ্ডা রাখা যায় । এই সব সুবিধার জন্য এই থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেটের ব্যাপক চাহিদা। বিভিন্ন পিকনিকে বা অনুষ্ঠানে একসাথে
অনেক গুলি প্যাকেট বেঁধে নেয়া যায় এই থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেট দিয়ে। থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেট বিভিন্ন সাইজের হয়ে থাকে।

তাহলে কিভাবে শুরু করবেন এই থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেটের উৎপাদন ব্যবসা, কি কি মেশিন লাগবে এই থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেট উৎপাদন করতে?
মেশিনের দাম কত ? কত টাকা লাভ করা সম্ভব এসব বিষয় নিয়েই আজকের পোষ্ট।


কিভাবে ব্যবসা শুরু করবেন?
ব্যবসা শুরু করার আগে আপনাকে বাজার সম্পর্কে আইডিয়া নিতে হবে। বাজার সম্পর্কে আইডিয়া মানে বাজারে কি পরিমাণ এই থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেটের
চাহিদা আছে ? কোথায় বিক্রি করা যাবে? ইত্যাদি নিয়ে ভালো ধারণা থাকতে হবে।
আসলে থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেট বহুল প্রচলিত একটি বস্তু । তাই এই পণ্য বিক্রি নিয়ে তেমন কষ্ট করতে হবেনা।শুরু করার জন্য আপনাকে ঢাকা বা বাংলাদেশের
মফস্বল শহর গুলিতে একটি কারখানা স্থাপন করতে হবে। এই মেশিন বসাতে বেশী জায়গার প্রয়োজন হয়না। অল্প কিছু যায়গা নিয়েই শুরু করা যাবে।
যেখানে সড়ক বা নদী পথে মোটামুটি ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে সে রকম জায়গায় থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেট তৈরির কারখানা স্থাপন করতে হবে।
এছাড়া এ প্রকল্পের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগের প্রয়োজন হয়। সেজন্য বিদ্যুতের ব্যবস্থা আছে সে রকম এলাকায় কারখানা স্থাপন করতে হবে।

তবে আপনি চাইলে পাইকারি কিনেও ব্যবসা শুরু করতে পারবেন পাইকারি ওয়ান টাইম প্লেট গ্লাস , থার্মোকল বক্স ইত্যাদি।


থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেট তৈরির মেশিনের দাম কত ??
থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেট তৈরির জন্য দুই ধরনের মেশিন কিনতে পারেন । একটি ফুল অটোম্যাটিক মেশিন আরেকটি সেমি অটোম্যাটিক মেশিন।
একটি ফুল অটোম্যাটিক থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেট তৈরির মেশিন দাম ১৫ লাখ টাকা পড়বে। চায়না থেকে এই মেশিন আমদানি করতে হবে।
এছাড়া দেশে তৈরি সেমি অটোম্যাটিক মেশিন কিনতে পারবেন ৪ লাখ টাকায়।

কোথায় থেকে মেশিন ক্রয় করবেন ?
সকল ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিন ক্রয় করতে আমাদের ওয়েবসাইটে এখানে ক্লিক করুন

ঢাকার নবাবপুরে এসব মেশিনের দেশীয় ভার্সন পাবেন আরও কম দামে।

কাঁচা মাল কোথায় পাবেন ?
পুরান ঢাকায় বিক্রি হয় এই থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেট তৈরির প্ল্যাস্টিক সীট গুলি । তবে যেখান থেকে মেশিন কিনবেন তারাই বলে দিবে কোথায় থেকে রাবার শীট কিনতে হবে।
সুতরাং প্ল্যাস্টিক শীট কিনা নিয়ে তেমন ছিন্তা করতে হবেনা।

কোথায় সেল করবেন ?
পণ্য উৎপাদন করা করা খুব সহজ কিন্তু বিক্রি করা খুব কঠিন। তাই বিক্রির মার্কেট আগেই ঠিক করে নিতে হবে। গ্রামে বা শহরে মুদি দোকান গুলিতে বিক্রি হয় এই
থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেট । এছাড়া মফস্বলের পাইকারি দোকান গুলিতেও
বিক্রি করতে পারবেন। তবে আপনি চাইলে একজন লোক দিয়ে মার্কেটিং করেও বিক্রি করতে পারবেন।

কত টাকা লাভ হতে পারে ?
এই ৪ লাখ টাকা দামের সেমি অটোম্যাটিক মেশিন দিয়ে আপনি যদি প্রতিদিন ৪০০০-৫০০০ পিস তৈরি করতে পারবেন। সে হিসাবে মাসে পাবেন
১৫০০০০ হাজার পিস অনয়সে তৈরি করতে পারবেন।
মেশিন পরিচালনা করতে আপনি সহ এক জন লোক লাগবে। প্রত্যেকটি থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেটে .২৫ পয়সা থেকে ।৩০ পয়সা লাভ করা যাবে।
১ লাখ ৫০ হজার প্লেট থেকে সে হিসাবে আপনি প্রতি মাসে ৪০০০০-৪৫০০০ টাকা আয় করতে পারবেন।


বিদ্যুৎ, লেবার সহ এক জোড়া রাবার স্যান্ডেল বানাতে খরচ পড়বে সব মিলিয়ে ৩০-৩৫ টাকার মত খরচ। পাইকারি দরে বিক্রি করলে প্রতি জোড়া
৪০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন। জোড়া প্রতি ৫ টাকা লাভ করলে মাসে ১০০০০০-১২০০০০ টাকা লাভ করতে পারবেন।
সব কিছু ঠিক থাকলে প্রতিদিন ৩০০০-৪০০০ টাকা লাভ করা যাবে।

সাবধানতা
এই সব থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেট পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর । সরকার এসব থার্মোকল ওয়ান টাইম প্লেট যে কোন সময় ব্যান করে দিতে পারে । তাই
খুব সাবধানে এই ব্যবসা শুরু করতে হবে। এছাড়া এখন বাজারে কাগজের ওয়ান টাইম প্লেট পাওয়া যায়। তাই আপনার এই পণ্য প্রতিযোগিতার সামনে
পড়তে পারে।

বিস্তারিত
হাওয়াই মিঠাই তৈরি করে ব্যবসা করুন ।। Howyai Mithai

যারা সল্প পুজি নিয়ে বিজনেস করতে চান আজকের আইডিয়াটি তাদের জন্য। যারা নতুন নতুন বিজনেস আইডিয়া পেতে তারা এ সাইটি বিজিট করুন।  আজকে আমি যে বিজনেস আইডিয়া শেয়ার করব তা হলো হাওয়াই মিঠাই বিজনেস আইডিয়া। হাওয়াই মিঠাই এর সাথে আমরা প্রায় সকলে পরিচিত বিশেষ করে ছোটরা বেশি পরিচিত। ছোটদের জন্য এটি প্রিয় জিনিস। শহর, গ্রামে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সামনে হাওয়াই মিঠাই এর দোকান লক্ষ করা যায়। এ বিজনেসটি শুরু করতে যেমন কম পুজির লাগে তেমনি লাভ ও বেশি। আবার আপনি চাইলে সাইড বিজনেস হিসেবেও শুরু করতে পারেন। এবং দোকান দিলেও হবে আবার আপনি চাইলে ফেরি করেও বিক্রয় করতে পারেন। তো চলুন বিস্তারিত আলোচনা শুরু করা যাক।

কিভাবে শুরু করবেন? 

এ বিজনেসটি আপনি কয়েক ভাবে শুরু করতে পারেন। আপনি নিজে বিক্রি করে বা কারো মাধ্যমে বিক্রি করে বা পাইকারি দরে বিক্রি করে। তবে বিজনেসটি শুরু করার পূর্বে অবশ্যই ভেবে চিন্তে শুরু করবেন। হাওয়াই মিঠাই বিজনেস যেহেতু উৎপাদন বিজনেস তাই আপনাকে প্রথমে বিক্রির স্থান বের করতে। এবং আপনি কিভাবে বিক্রি করবেন তা চিন্তা করতে হবে। তো এসব বিষয় মাথায় নিয়ে আপনি চাইলে এ বিজনেসটি শুরু করতে পারেন। 


হাওয়াই মিঠাই উৎপাদন ও বিক্রয় প্রক্রিয়া ঃ

হাওয়াই মিঠাই উৎপাদন করতে আপনাকে তেমন বেশি আবিজ্ঞতা লাগবে না। এটির মুল কাচামাল হলো চিনি। মেশিনের মাধ্যমে চিকন সুতার মত এক ধরনে আশ তৈরি হবে যা হাওয়াই মিঠাই।  বিক্রি এর ক্ষেত্রে আপনি দুই সাইজ করে নিতে পারেন যেমন, ১০ টাকা ২০টাকা।  তবে এর পরিমান সম্পর্কে আপনার আশেপাশে ব্যবসায়ীদের থেকে যেনে নিবেন। এরপর এগুলো কেউ পলিবেগে করে বিক্রি করে আবার কেউ খোলা ও বিক্রি করে। 


কোথায় বিক্রয় করবেন?

হাওয়াই মিঠাই একটি মুখরোচক মিস্টি জাতীয় খাবার। এর প্রধান ভোক্তা হলো চোট শিশুরা। তবে এটি বড়দের ও প্রিয় খাদ্য। এটি যে কোন স্থানে বিক্রি করা যায়। আপনার আশেপাশে যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,  বা জনকীর্ন স্থানে,  বা কোন রাস্তার মোডে, বা জনবহুল বাজারে বিক্রি করতে পারেন। আবার আনেকে ভ্যনে করেও বিক্রি করে থাকে আপনি চাইলে সেভাবে বিক্রি করতে পারেন। খেয়াল রাখবেন আপনার পন্যটি যেন আন্যদের চেয়ে একটু ভালো মানের হয়। 


প্রয়জনীয় র-মেটেরিয়াল এবং তা কোথায় পাবেন। 

এ বিজনেসটি শুরু করতে হলে আপনাকে প্রথম আবস্থায় একটি মেশিন ক্রয় করতে হবে।  যা দিয়ে আপনার পুরো বিজনেসটি চলবে। 

এর পর হাওয়াই মিঠাই তৈরি করার জন্য কাচামাল লাগবে, চিনি ও ফুড কালার।


 হাওয়াই মিঠাই তৈরি মেশিন আপনি আনলাইন থেকে কিনতে পারবেন। তবে আপনি  আপনার শহরের যে কোন স্থান থেকে কিনতে পারবেন। এর কাচামাল আপনার নিকটস্থ যে কোন বাজারে পেয়ে যাবেন। 


কত টাকা ইনবেস্ট করতে হবে? 

এ বিজনেসটির জন্য আপনাকে তেমন বেশি ইনবেস্ট কতে হবে না। আপনাকে প্রথম আবস্থায় মেশিন বাবাদ ১৫ হাজার টাকা ইনবেস্ট করতে হবে। আর যদি আপনি চায়না মেশিন কিনেন তাহলে আপার খরচ বেশি হবে। আর এর কাচামাল দৈনিক ১০০ থেকে ১৫০টাকার মত খরচ হতে পারে তবে সেটি আপনার  বিক্রিয় এর উপর নির্ভর করবে। এবং আপনি যদি ভ্যনে করে বিক্রি করেন তাহলে সে বাবদ আরো ১০ হাজার টাকা তো সব মিলিয়ে ২০ থেকে ২৫ টাকা ইনবেস্ট করলেই হবে। তবে আপনার বিক্রি উপর ইনবেস্ট নির্ভর করবে। 


লাভ লোকসানঃ

প্রথমে আলোচনা করা  যাক হাওয়াই মিঠাই তৈরি করতে কত খরচ হয়।  প্রতিটি  হাওয়াই মিঠাই তৈরি করতে ৫ থেকে ১০ টাকা খরচ হবে। তবে সেটি আপনার উপর নির্ভর করবে। এ বিজনেসটিতে তেমন লোকসান নেই তবে আপনার কারনে আপনার লোকসান হতে পারে। আপনি যদি সব আইটেম থেকে ১০০ পিস  দৈনিক বিক্রি করতে পারেন তাহলে আপনি সেখান থেকে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা খরচ বাদে  দৈনিক লাভ করতে পারবেন।তবে সেটি আপনার বিক্রি উপর নির্ভর করবে।
বিস্তারিত
কিভাবে শুরু করবেন অনলাইন টি শার্ট বিজনেস ।। Online Tshirt Business

এখন অনেকেই ই কমার্স ব্যবসা করে থাকে । সৌখিন ব্যবসার মধ্যে অনলাইন টি শার্ট বিজনেস একটি জনপ্রিয় ব্যবসা। অনেকেই
অনলাইন টি শার্ট বিজনেস করে থাকেন । আমাদের দেশে এই অনলাইন টি শার্ট বিজনেস দিন দিন আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠতেছে।
কারণ অনলাইন টি শার্ট বিজনেস খুব কম মূলধনে শুরু করা সম্ভব। আজকে আমি আপনাদের দেখানোর চেষ্টা করবো কিভাবে খুব
সহজেই একটি অনলাইন টি শার্ট বিজনেস শুরু করতে পারবেন।

কিভাবে অনলাইন টি শার্ট বিজনেস শুরু করবেন ?
অনলাইন টি শার্ট বিজনেস শুরু আপনি দুই ভাবে করতে পারবেন
১। ওয়েবসাইট খুলে ।
২। ফেসবুক পেজ খুলে ।

কিভাবে ওয়েবসাইট খুলে অনলাইন টি শার্ট বিজনেস করতে হবে
ওয়েবসাইট খুলে অনলাইন টি শার্ট বিজনেস শুরু করতে আপনাকে ১০-২০ হাজার টাকা খরচ করতে হবে। এজন্য প্রথমে আপনাকে একটি ই কমার্স সাইট খুলতে হবে।
একটি ই কমার্স সাইট খুলে সেখানে পণ্য গুলি লিস্টিং করে ওয়েবসাইটের এস ই ও করে গুগোলের রাঙ্কিং আনতে আরও ১০-২০ টাকা খরচ হবে। সব মিলিয়ে
ওয়েবসাইট দিয়ে একটি অনলাইন টি শার্ট বিজনেস শুরু করতে ৩০-৪০ হাজার টাকা খরচ করতে হবে। এতেও রিস্ক থেকে যায় । কারণ এই ধরনের অনেক ওয়েবসাইট
গুগলে অলরেডি রাঙ্ক করা আছে। আপনি নতুন করে রাঙ্ক পেতে অনেক সময় লাগবে।

কিভাবে ফেসবুক পেজ দিয়ে অনলাইন টি শার্ট বিজনেস ব্যবসা শুরু করবেন ?
ফেসবুক দিয়ে ব্যবসা করা এখন খুব জমজমাট । ফেসবুকে বুস্ট করে অনলাইন টি শার্ট বিজনেস অনেকে শুরু করেছেন । এক্ষেত্রে আপনি ফ্রিতে একটি ফেসবুক পেজ
খুলে নিতে হবে। এর পর আপনার টি শার্ট গুলির ছবি সুন্দর করে তুলে ফেসবুক পেজে টি সার্টের দাম এবং অন্যান্য তথ্য দিয়ে পোষ্ট করুন। আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে যত
বন্ধু আছে তাদের বলুন আপনার পেজ লাইক দিতে। দুই একশো লাইক পেলে ফেসবুকে পোষ্ট বুস্ট করা শুরু করুন। প্রতি বুস্টে আপনাকে ৮০০-১০০০ টাকা খরচ
করতে হবে।      

বিস্তারিত
সহজ এবং বিশ্বস্ত সি এন্ড এফ কনসাল্টিং ফার্ম ঢাকা এয়ারপোর্ট সার্ভিস ।। C&F Agent Bangladesh Dhaka Airport
বাংলাদেশে এখনও অনেকেই আছেন যারা পণ্য আমদানি করে বার বার সরকারী ট্যাক্সের ঝামেলায় পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। এর কারণ খুজতে গিয়ে অনেকেই নিজের অজ্ঞতাকে দোষারোপ করেছেন। এটা সম্পূর্ণ একটা ভুল ধারণা। কখনই আপনি নিজে সব কিছু জানা সম্ভভ না।যেমন আপনি একটা পণ্যের সঠিক এইস এস কোড কি হবে তা বের করতে যত কষ্ট হবে তার চেয়ে সহজ হবে একজন  সি এন্ড এফের । কারণ তারা এই এইস এস কোড নিয়ে সবসময় কাজ করে।  একজন আমদানি কারককে লাভের মুখ দেখাতে পারে কেবল সি এন্ড এফ। কারক আমদানি কিভাবে আমদানি করলে সকারের  ঝামেলা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে তা কেবল সি এন্ড এফেই বলতে পারবে।


 আমাদের প্রচুর সাবস্ক্রাইবার আর ভিজিটরদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা হয়ত কিছু না বুঝেই পণ্য আমদানি করে নিয়ে আসছেন। আমরা আমাদের সকল সাবস্ক্রাইবার আর ভিজিটরদের ঢাকা এয়ারপোর্ট, চট্টগ্রাম সি পোর্ট, বেনাপোল ল্যান্ড পোর্ট এবং আইসিডি কমলাপুরে সকল প্রকার সি এন্ড এফ সেবা প্রদানের জন্য চালু করেছি সহজ এবং বিশ্বস্ত সি এন্ড এফ কনসাল্টিং ফার্ম ঢাকা সার্ভিস "" Double S Corporation""


"" Double S Corporation"" যেসব  সি এন্ড এফ সেবা প্রদান করে থাকেঃ
> পেপার জটিলতা সম্পন্ন কুরিয়ার পণ্য দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা করা।
> ভ্যাট, আই আর সি ছাড়া ব্যক্তি নামে কুরিয়ারের আমদানি করা পণ্য দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা করা ।
> গার্মেন্টস বন্ডের পণ্য দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা করা।
>মেশিনের পার্টস কম ট্যাক্সে খালাস করা ।
> এলসি পেপার কম খরছে দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা করা ।
> আই পি পণ্যের আই পি করা এবং দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা করা ।

  সি এন্ড এফ নিয়ে যেকোনো সমস্যা সমাধানে বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করুন : 01531173930 অথবা ফেসবুকে মেসেজ করুনঃ fb.com/cnfdhakaair

 ইমেইল md.shafiullah08@gmail.com
বিস্তারিত
২০১৯ সালের সেরা পার্টটাইম ব্যবসা ।। Best part time business in 2019

আজকাল চাকরিজীবীরা পেশার পাশাপাশি বাড়তি আয় করতে কিছু একটা পার্টটাইম ব্যবসা করতে চান ৷ এই পার্টটাইম ব্যবসা দ্বারা সংসারে বাড়তি কিছু আয়ও করা সম্ভব ৷ এছাড়া অনেকে আছেন যারা সোসাল ওয়ার্ক করতে ভালোবাসেন ৷ পার্টটাইম ব্যবসা থেকে করা আয় দ্বারা আপনিও পারবেন সমাজের মানুষের উপকারে নিজেকে বিলিয়ে দিতে ৷ চলুন বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে কিছু  পার্টটাইম ব্যবসা সম্পর্কে আলোচনা করি ৷ 


পার্টটাইম ব্যবসা আসলে কি ?

আসলে পার্টটাইম ব্যবসা মানে আপনি কিছু একটা করেন ৷ অবসর সময়ে কিছু করে বাড়তি আয় করতে চান ৷ অথবা ছোট আকারে কোন ব্যবসা শুরু করে সেটাকে পরবর্তিতে ফুল টাইম ব্যবসা হিসাবে দাড় করাতে চান ৷ 


কিভাবে শুরু করবেন ?? 

পার্টটাইম ব্যবসা শুরু করার আগে আপনাকে প্রথমে জানতে হবে কোন সময়টাতে আপনি ব্যবসাটি করবেন ? যেমন আপনি যদি চাকুরিজীবী হন তবে অবশ্যই সন্ধার পর সময় পাবেন ৷ আবার স্টুডেন্ট হলে সপ্তায় কিছু দিন সময় পাবেন ৷ আপনার সময় অনুসারে আপনার ব্যবসা ঠিক করতে হবে ৷

কিভাবে পার্টটাইম ব্যবসা নির্বাচন করবেন ?

আসলে ব্যবসা হলো প্রাকটিক্যাল একটি বিষয় ৷ ব্যবসা শিখতে হলে আপনাকে ব্যবসার প্রাকটিক্যাল শিক্ষা নিতে হবে ৷ যারা জব করেন তারা তার জব রিলেটেড ব্যবসা বেছে নিতে পারেন ৷ যেমন কেউ গার্মেন্টে কমার্সিয়ালে জব করেন ৷ তিনি চেষ্টা করবেন কিভাবে ছোট ছোট আইটেম নিজে সাপ্লাই দিতে পারেন ৷ আবার কেউ এ্যাকাউন্ট সেকসনে কাজ করেন, আপনি চাইলে ভ্যাট প্রাকটিসনার হিসাবে কাজ করতে পারেন ৷ ভ্যাট নিয়ে একটা কোর্স করে এটা শুরু করতে পারেন ৷ যারা মার্কেটিং করেন তাদের জন্যতো মহা সুযোগ ৷ আপনি চাইলে কিছু প্রডাক্ট পাইকারী মার্কেট থেকে কিনে খুচরা দোকানে সেল করতে পারেন ৷ সবসময় চোখ কান খোলা রাখতে হবে ৷ চিন্তা করতে হবে কোন ব্যবসাটি সময়ের এবং কাজের সাথে ভালো মানাবে ৷ 


কি কি  পার্টটাইম ব্যবসা সবাই করতে পারবেন ??


ই-কমার্স ব্যাবসা 

এটা নিয়ে তেমন কিছু বলার নাই ৷ বাংলাদেশে অনেকেই পার্টটাইম ব্যবসা হিসাবে ই-কমার্স ব্যবসা করে ভালো আয় করে যাচ্ছেন ৷ মোটামুটি ৫০ হাজার টাকা দিয়েই আপনি একটা ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করতে পারবেন ৷ আপনি চাইলে আপনার সখের যে কোন একটি পন্য নিয়েই শুরু করেত পারেন এ ব্যবসা ৷ যেমন আপনি নতুন নতুন পারফিউম কিনতে ভালোবাসেন ৷ আপনি চাইলে পারফিউম নিয়ে একটা ই-কমার্স সাইট খুলে ব্যবসা শুরু করতে পারেন ৷ ঢাকার চক বাজারে প্রচুর পারফিউম পাইকারী পাওয়া যাবে ৷ এছাড়া অনেকে বিদেশ থেকে পারফিউম বাংলাদেশে আমদানী করে থাকে ৷ আপনি তাদের থেকেও পাইকারী দরে ক্রয় করে সেল করতে পারবেন ৷ বিশাল ওয়েবসাইট খুলে ই-কমার্স ব্যবসা করতে হবে তা কিন্তু নয় ৷ আপনি চাইলে ফেসবুকে একটা পেজ খুলে পরিচিতজনদের কাছে সেল করে পার্টটাইম ব্যবসা শুরু করতে পারেন ৷ 


আবার আপনি যদি মেয়ে হন তবে ই-কমার্স ব্যবসা আপনার জন্য একটা পারফ্যাক্ট পার্টটাইম ব্যবসা ৷ অনলাইনে মেয়েদের আইটেম গুলি খুবই ভালো বিক্রি হচ্ছে ৷ আপনি চাইলে মেয়েদের থ্রিপিস, হিজাব, ইমিটেশন, আন্ডারগার্মেন্ট ইত্যাদি আইটেমগুলি বিক্রি করতে পারেন ৷ চাকরির ফাকে ফাকে যে কেউ চাইলে ফেসবুকে পেজ খুলে পার্টটাইম ব্যবসা শুরু করতে পারেন ৷ 


ফ্রীল্যান্সিং 

এটা ঠিক ব্যবসা না ৷ পার্টটাইম জব বলতে পারেন ৷ ফ্রিল্যান্সিং এ সময়ের তারণ্যের একটি জনপ্রিয় পছন্দ হলো পার্টটাইম জব। সঠিক হিসেব না থাকলেও দেশের প্রায় ১ থে ২ লাখ তরুণ-তরুণী এই  পার্টটাইম জবের সাথে জড়িত থেকে অনেক অর্থ কামিয়ে নিচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিং কাজের মধ্যে রয়েছে সফটওয়্যার তৈরি ও উন্নয়ন, ওয়েবসাইট তৈরি ও ডিজাইন, মোবাইল অ্যাপস, গেমস, অ্যাপ্লিকেশন প্ল্যাটফর্ম, ভিওআইপি অ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যান্ট্রি, গ্রাফিক ডিজাইন, প্রি-প্রেস, ডিজিটাল ডিজাইন, সাপোর্ট সেবা, কাস্টমাইজড অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি এর সাথে আরও যুক্ত হতে পারে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ও সোশ্যাল মার্কেটিংয়ের কাজও।


তবে এসব কাজ রাত জেগে করতে হয় ৷ কারন বিদেশে যখন দিন থাকে আমাদের দেশে তখন গভীর রাত ৷ যারা চাকুরিজীবী তারা রাতের বেলায় পার্টটাইম জব করে টাকা আয় করাটা বেশ কঠিন ৷ 


কফিশপ 

পার্টটাইম ব্যবসা হিসাবে এটা মন্দ না ৷ যে কেউ চাইলে এটা শুরু করতে পারেন ৷ চোট্র একটা দোকান নিয়ে সাথে একজন হেল্পার নিলেই হবে ৷ সাধারনত বিকাল বেলাই এসব কফিশপ জমে উঠি ৷ আপনি অফিস শেষ করে এই পার্টটাইম ব্যবসায় সময় দিতে পারেন ৷ 

মোটামুটি ২ লাখ টাকা দিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন ৷ তবে এই ব্যবসা শুরু করতে আপনাকে কিছু প্রশিক্ষনও নিতে হবে ৷ কারন হুট করে প্রফেশনালি কফি বানানো অনেকটা কঠিন হবে ৷ 


আজকে আপাদত এতটুকুই আলোচনা করলাম ৷ তবে একটি কথা ভালো করে মনে রাখবেন, যারা চাকরি করেন তারাও কিন্তু মানুষ ৷ ৮-৯ ঘন্টা কাজের পর যদি আবার পার্টটাইম ব্যবসা করেন তবে পারসোনাল লাইফে অনেক সমস্যায় পড়বেন ৷ ওয়ার্ক লাইফ ব্যালেন্স করে চলতে হবে ৷ না হয় মুল চাকরিতেও উন্নতি করতে পারবেন না ৷ 



বিস্তারিত
আলিবাবা থেকে পণ্য কেনার নিয়ম (একাউন্ট পর্ব)

আলিবাবা alibaba.com হলো বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় B2B অনলাইন মার্কেট প্লেস ৷ এখানে বিশ্বের হাজার হাজার কোম্পানি তাদের পন্য পাইকারী বিক্রি করে ৷ এমন কোন পন্য নেই যা আলিবাবার ওয়েবসাইটে নেই ৷ দু টাকার কলম থেকে দু কোটি টাকার মেশিন ৷ সব আছে আলিবাবাতে ৷


আজকের আর্টিকেলে আমি আপনাদেরকে কিভাবে আলিবাবাতে এ্যাকাউন্ট করতে হবে সেটা নিয়ে ধারনা দিবো ৷


আলিবাবার এ্যাকাউন্ট দুই ধরনের হয় ৷ প্রথমটি হলো সেলার ৷ আরেকটি হলো বায়ার ৷


সেলার হলো আপনি বিক্রয় করবেন ৷ আর বায়ার হলো আপনি ক্রয় করবেন ৷ তবে আলিবাবাতে একটি এ্যাকাউন্ট দিয়ে বায়ার সেলার দুটোই হতে পারবেন ৷ প্রথমে এখান থেকে ক্লিক করুন ৷ এবার আপনার ইমেইল দিয়ে alibaba.com এ একটি এ্যাকাউন্ট করুন খুব সহজেই ৷


প্রথমে আপনি আপনার ইমেইল দিয়ে দিন। এবার তারা আপনাকে একটি ভেরিফিকেসন কোড পাঠাবে। ইমেইল থেকে সেন্ড লিঙ্ক এ ক্লিক করে বাকি তথ্য দিয়ে আকাউন্ট কনফার্ম করুন।  


আলিবাবাতে এ্যাকাউন্ট না খুলেও আপনি পন্য ক্রয় করতে পারবেন ৷ তবে যোগাযোগ প্রক্রিয়া নির্ভরযোগ্য করতে alibaba.com এ এ্যাকাউন্ট করতে হয় ৷


এ্যাকাউন্ট খুলা শেষ হলে আপনি সার্সবারে গিয়ে পন্য খুজুন ৷ যে পন্য চাইবেন ৷ যেহেতু আপনি বায়ার, সেহেতু তেমন কোন তথ্য দেবার প্রয়জনীয়তা নেই ৷ মন চাইলে দিবেন না হয় দিবেননা ৷


তবে আপনি যদি সকল তথ্য দিয়ে আকাউন্ট খুলেন তাহলে আপনার ইমেইল সেলারের কাছে ভালো গ্রহন যোগ্যতা পাবে। 


তবে আলিবাবাতে সেলার হিসাবে ফ্রি আকাউন্ট বর্তমানে বেস ঝামেলা করে। আগে এই ধরণের সমস্যা হয়নাই। এখন আলিবাবা ফেক সেলার চিহ্নিত করতে গিয়ে গোল্ড সাপ্লায়ার বাধ্যতা মূলক করতেছে। এজন্য ১০০০ ডলারের মত প্রতি বছর খরছ হয়।

বিস্তারিত
কিভাবে আলিবাবা থেকে পন্য ক্রয় করবেন

আমাদের আগের পোস্ট এ আমরা আপনাদের দেখিয়েছিলাম কিভবে আপনারা পন্য আমদানী করার জন্য
alibaba.com এ এ্যাকাউন্ট খুলবেন৷ এবার আমি দেখাবো সেই এ্যাকাউন্ট দিয়ে কিভাবে alibaba.com থেকে পন্য অর্ডার করতে হয়।

একটি কথা প্রথমেই বলে রাখি , আপনি alibaba.com একাউন্ট না করেও পন্য ক্রয় করতে পারবেন ৷ তবে আকাউন্ট করা থাকলে সহজে সেলারের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন ।

আলিবাবা থেকে পন্য ক্রয় করার জন্য প্রথমে alibaba.com ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন ৷ উপরে একটি সার্চ বার দেখতে পাবেন ৷ সেখানে আপনার কাঙ্ক্ষিত পন্য এর নাম লিখে সার্চ করুন । যেমন কলম কিনতে চাইলে pen লেখে সার্স করলে দেখবেন কয়েক শ , কলম সেলারের সাইট চলে আসবে ৷

এবারের কাজ হলো গোল্ড সাপ্লায়ার খুজে বের করা ৷ চেষ্টা করবেন 5 Years gold suppliers চিহ্ন আছে এরকম কাউকে বেছে নেবার জন্য । তবে আপনি চাইলে তার কমও নিতে পারেন ৷ কিন্তু সাবধানে কাজ করবেন ৷


কিন্তু একজন ফাইনাল সেলার নির্বাচন করার আগে যে কয়টি বিষয় খুব জরুরি তার মধ্যে গুরুত্ব পূর্ণ হলো

১৷ অবশ্যই তাদের গোল্ড সাপ্লায়ার থাকতে হবে ।

২৷ দাম কি FOB নাকি CFR এটা ভালো করে দেখে নিবেন ৷

৩৷ Country of origin কোথায়, এটাও দেখে নিবেন ৷ না হয় চায়না পন্য, তাইওয়ান বলে চালিয়ে দিতে পারে ৷ অনেক সময় তারা এক দেশের সেলার আরেক দেশের পণ্য সেল করে ।  এটা করা যায় । কিন্তু আপনি চেষ্টা করবেন যে দেশের পণ্য সে দেশের সেলার থেকে ক্রয় করতে ।

৪৷ পন্য তারা কি উৎপাদন করে নাকি সোর্সি করে এটাও জানবেন । যদি তারা পন্য নিজেরা উৎপাদন না করে তবে তারা দাম বেশী চাইবে ।  কারন তারা Middle man  হিসাবে কাজ করে । আর যদি তারা নিজেরা সরাসরি উৎপাদন করে তবে তারা অন্যদের চেয়ে কম দামে দিতে পারবে ।

যাহোক পন্য সিলেক্ট করলেই দেখবেন, পাশে Contact Seller বা Get latest price নামে সেলার কে মেসেজ বা ইমেইল করার বাটন আছে৷  বাটনে ক্লিক করে সেলারকে একটা মেসেজ করে আপনার কি পণ্য লাগবে সেটা বিস্তারিত বলুন।


সাথে আপনার পারসোনাল ইমেইল আইডিটা দিয়ে দিবেন৷ যাতে তারা পরবরতিতে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে । তবে যা কিছু লেখবেন অবশ্যই সেটা English এ হতে হবে ।নাহয় তারা বুঝবেনা । তবে ইংরেজিতে এক্সপার্ট হওয়া লাগবেনা ৷
স্বাভাবিক ভাবে লেখলেই চলবে ৷

মেসেজে আপনি তাদের জিজ্ঞাসা করবেন কোন পন্য কত দামে তারা বিক্রয় করে । তবে তারা অনলাইনে যে দাম প্রদান করে তা অধিকাংশ সময়ই সঠিক থাকেনা। তাই অনলাইনে কম দাম দেখে এত বেসি উৎসাহি হবেননা ।

এবার হলো অপেক্ষা করার পালা ৷ দেখবেন কিছু দিন পর তারা ইমেইলে আপনাকে রিপ্লাই দিবে ৷ অথবা আলিবাবাতে এ্যাকাউন্ট থাকলে ইনবক্স চেক করতে পারেন ৷

দাম দর ঠিক করুন ৷ আর পেমেন্ট করা, এলসি করা , শিপিং সিস্টেম ইত্যাদি ঠিক করুন ৷

আপনার প্রথম ধাপ শেষ ৷ এবার এলসি বিষয়ে জানতে হবে ৷ কারন আমদানী করতে এলসি করতে হয়৷

বিস্তারিত
কিভাবে আমদানী রপ্তানি লাইসেন্স করতে হয় ?? এর জন্য কি কি কাগজ পত্র লাগবে ??

আমদানী রপ্তানি ব্যবসা একটি লাভজনক ব্যবসা ৷ দেশের উন্নয়নের সাথে সাথে আমদানী রপ্তানি প্রচুর পরিমানে বৃদ্ধি পেয়েছে ৷ অনেকেই আছেন যারা নতুন করে আমদানী রপ্তানি ব্যবসা শুরু করতে চান তাদের জন্য আজকে প্রথমিক কিছু ধারনা দেয়ার চেষ্টা করবো ৷ আজকে আমি দেখাবো কিভাবে আমদানী রপ্তানি লাইসেন্স করতে হয় ??


লাইসেন্সের প্রক্রিয়াটি সম্পন্য করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:


(যদি ব্যক্তিমালিকাধীন প্রতিষ্ঠান হয়)


১। মালিকের জাতীয় পরিচয়পত্র

এটা নিয়ে বিস্তারিত বলার কিছু নেই ৷ এখন সবখানেই প্রতিষ্ঠানের মালিকের জাতীয় পরিচয় পত্র বাধ্যতামুলক ৷


২। মালিকের ছবি

আপনার সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি ৷


৩। ট্রেড লাইসেন্স

ট্রেড লাইসেন্স বাধ্যতামুলক ৷ আপনি প্রথমেই ট্রেড লাইসেন্স করে নিবেন ৷ ট্রেড লাইসেন্স কিভাবে করতে হয় সেটা আপনারা সবাই কম বেশী জানেন ৷


৪। ট্রেড লাইসেন্স ঠিকানায় ব্যাংক সলভেন্সী

ট্রেড লাইসেন্স করার কাজ শেষ হলে ব্যাংক এ্যাকাউন্ট করার পালা ৷ ব্যাংকে আপনার প্রতিষ্ঠানের নামে একটি এ্যাকাউন্ট খুলবেন ৷ কোন মতেই ভিন্ন নাম দিবেননা ৷ এবার কিছু লেনদেন করুন ৷ কিছু দিন পর ব্যাংক কে বলবেন আপনাকে একটি ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট দিতে ৷


৫। ট্রেড লাইসেন্স ঠিকানায় ই-টিআইএন (টিন সার্টিফিকেট)

টিন সার্টফিকেট এখন অনলাইনে সহজেই পাওয়া যায় ৷ আপনি নিজেও আপনার টিন সার্টফিকেট নিতে পারবেন ৷ এটা করতে কোন ফি লাগেনা।


৬৷ ভ্যাট সার্টফিকেট

এখন প্রত্যেকটি উৎপাদন, সার্ভিস প্রদান কারী ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের জন্য ভ্যাট বাধ্যতামুলক ৷ অনলাইনে সহযেই ভ্যাট রেজিট্রেশন করা যায় ৷ তবে এক্সপার্ট কারো কাছে সাহায্য নিয়ে সহজেই কাজটি করে নিতে পারবেন ৷ 


৭। সংশ্লিষ্ট এসোসিয়েশনের সদস্যতা সনদ (মেম্বারশীপ সার্টিফিকেট) এবং সর্বশেষ আপনাকে যে কোন একটি ব্যবসায়ী সংঘঠনের থেকে সার্টফিকেট নিতে হবে ৷


তবে যদি আপনার লিমিটেড কোম্পানী হয় সে ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র। এছাড়া  মেমোরেন্ডাম আর্টিকেল, ইনকর্পোরেশন এবং ফরম-১২।


কোথায় করবেন আমদানী রপ্তানি লাইসেন্স?


এসব কিছু নিয়ে আপনি মতিঝিল সি সি ভবনে গিয়ে নিয়ম অনুযায়ী ফি দিয়ে আমদানী রপ্তানি লাইসেন্স করতে পারবেন ৷



তবে সবচেয়ে ভালো হলো কারো মাধ্যমে কাজটি করিয়ে নেওয়া ৷ কারন এগুলি প্রচুর সময় সাপেক্ষ কাজ ৷ কারো দ্বারা করালে কিছু টাকা বেশী নিতে পারে ৷ কিন্তু ঝামেলা বিহীন ভাবে অপনি লাইসেন্স পেতে পারেন ৷

মতিঝিল আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবন (এনএসসি টাওয়ার) ১৬ তলা,৬২/৩, পুরানা পল্টন,

ঢাকা-১০০০।

ই-মেইল controller.chief@ccie.gov.bd

ফোন-০২-৯৫৫৩৩৪৯ (হেল্প ডেস্ক) ফ্যাক্স-০২-৯৫৫০২১৭

 

বিস্তারিত
alibaba & Import Export expert

আমদানি,রপ্তানি,আলিবাবা নিয়ে যেকোনো সমস্যায় আমাকে ফেসবুকে মেসেজ করুন।

এখানে ক্লিক করুন
© 2020 eibbuy. All Rights Reserved.
Developed By Takwasoft