eibbuy.com

সাম্প্রতিক পোষ্ট গুলি

কিভাবে হবেন একজন সফল নারী উদ্যোক্তা

বিস্তারিত পড়ুন

৫ টি জনপ্রিয় পার্টটাইম ব্যবসার আইডিয়া

বিস্তারিত পড়ুন

কিভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে পারবেন

বিস্তারিত পড়ুন

অ্যামাজন এক টেক মাফিয়ার ইতিহাস

বিস্তারিত পড়ুন

কিভাবে শুরু করবেন নদীতে খাঁচায় মাছ চাষ

বিস্তারিত পড়ুন

সাম্প্রতিক পণ্য

router price in bd

৳১৩৫০ টাকা - ৳১৩৫০ টাকা

বিস্তারিত পড়ুন

router bd price

৳২৩৫০ টাকা - ৳২৩৫০ টাকা

বিস্তারিত পড়ুন

আপনি কি আপনার কাংখিত পণ্যটি খুজে পাচ্ছেন না?

ষ্টেশনারী আইটেম

ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিনারি

গার্মেন্টস আইটেম

ক্ষুদ্র মেশিনারি

কসমেটিক্স পণ্য

ভোগ্য পণ্য

স্পোর্টস আইটেম

কিচেনওয়ার আইটেম

টুলস এবং হার্ডওয়্যার

কৃষি মেশিনারি

কৃষি পণ্য

মোবাইল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স

ডিজিটাল পণ্য ও সেবা

মধু

কাঠ বাদাম

সরিষার তৈল

দই

মশলা

চুই ঝাল অনলাইন থেকে ক্রয় করুন

চুই ঝাল অনলাইন থেকে ক্রয় করুন

৳৯৯ টাকা (১০০ গ্রাম) - ৳৯৯ টাকা (১০০ গ্রাম)

বিস্তারিত পড়ুন

চাল

খেজুর

আম

আমদানি রপ্তানি বা ব্যবসা নিয়ে যে কোন প্রশ্ন করুন

ইসরায়েল সম্পর্কে বাংলাদেশের মনোভাব
Admin | 01:26am 16/05/21
ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ একবার বলেছিলেন, 'ইসরায়েল হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের একটি বিষবৃক্ষ, এটিকে উপড়ে ফেলা উচিৎ'। সময় যত গড়িয়েছে, ইসরায়েল এটা প্রমাণ করে দিয়েছে যে আহমেদিনেজাদের উক্তিটি কতটা সঠিক ছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পরপরই ইসরায়েল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করেছিল,কিন্তু তখন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার লিখিতভাবে ইসরায়েলের স্বীকৃতি প্রত্যাখ্যান করেছিল। আর্যজাতি,বৃটিশ- জমিদার এবং সর্বশেষ পশ্চিম পাকিস্তানিদের কতৃক আপন ভূখণ্ডে সীমাহীন বঞ্চনা ও অত্যাচারের শিকার বাঙালি জাতির চেয়ে আর কে স্বাধীনতার যথাযথ মর্ম ভালো বুঝতে পারে?সেইজন্য বাংলাদেশ একদম শুরু থেকেই ফিলিস্তিনের মানুষের স্বাধীনতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে অকুন্ঠ সমর্থন দিয়ে গেছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫নং অনুচ্ছেদের (খ)(গ) ধারায় উল্লেখ আছে, (খ) রাষ্ট্র প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং (গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷ ফিলিস্তিনের মানুষের স্বাধিকার আন্দোলনকে সমর্থন এবং ইসরায়েলের সাম্রাজ্যবাদ-ঔপনিবেশিকতাবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ বাংলাদেশের সংবিধান কতৃক স্বীকৃত একটি বিষয়। সেইজন্য গতবছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় কিছু গাদ্দার মুসলিম রাষ্ট্র ইসরায়েলের সাথে "আব্রাহাম একর্ড" নামক চুক্তির মাধ্যমে যখন স্বীয় সতীত্ব ইসরায়েলের হাতে তুলে দিয়েছিল, তখনো বাংলাদেশ ইসরায়েলকে স্বীকৃতি না দেয়ার সিদ্ধান্তে অনঢ় ছিল। ১৯৭৪ সালের ১৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনের ভাষণে পররাষ্ট্রনীতির ব্যাখ্যা করে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘আমরা আজ গর্বিত যে মধ্যপ্রাচ্যে আমরা আরব ভাইদের এবং প্যালেস্টাইনি ভাইদের পাশে রয়েছি। ইসরায়েলিরা তাদের ন্যায্য অধিকারে হস্তক্ষেপ করেছে। ইসরায়েলিরা জাতিসংঘের প্রস্তাব মানে নাই। তারা দখল করে বসে আছে আরবদের ভূমি। আরব ভাইদের এ কথা বলে দেবার চাই এবং তারা প্রমাণ পেয়েছে যে, বাংলার মানুষ তাদের পেছনে রয়েছে, আরব ভাইদের ন্যায্য দাবির পক্ষে রয়েছে। আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে তাদের সাহায্য করব।’ আজকের এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধুর এই কথাগুলোই বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের প্রাণের কথা।
বিস্তারিত পড়ুন
হিন্দু ধর্মের মনু ও ইহুদি-খ্রিষ্ট-ইসলাম ধর্মের নূহ কি একই ব্যক্তি?
বিসমিল্লাহ্ ভ্যারাইটিজ স্টোর | 01:01am 16/05/21
মনু কে ? মনু অর্থাৎ 'মানব জাতির পিতা।' সনাতন ধর্মে সময়কাল কে চার যুগে ভাগ করা হয়েছে। সেই চার যুগ হলো - "সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর এবং কলি। ৭১ চতুর্যুগে এক মন্বান্তর হয় (মন্বান্তর কথার অর্থ মনুর অন্তর) এবং ১৪ মন্বান্তরে এক কল্প হয়। এই এক কল্প সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার একদিন।" অর্থাৎ এক কল্পে ১৪ জন মনুর আবির্ভাব ঘটে। বর্তমানে 'শ্বেতবরাহ কল্প' চলছে, আর এই শ্বেতবরাহ কল্পের ১৪ জন মনু হলেন - "স্বয়ম্ভু, স্বারোচিশ, উত্তমী, তামস, ঋভু, চক্ষুস, বৈবস্বত, সাবর্ণি, ব্রহ্মসাবর্ণি, দক্ষসাবর্ণি, ধর্মসাবর্ণি, রুদ্রসাবর্ণি, বরুণসাবর্ণি এবং অগ্নিসাবর্ণি"(বিভিন্ন পুরাণে এদের ভিন্ন নাম)। বর্তমানে আমরা "বৈবস্বত মন্বান্তরের ২৮ তম কলিযুগে" বাস করছি। এই বৈবস্বত মন্বান্তরের আরম্ভের গল্প এখানে লিখছি। ব্রহ্ম পুরাণ মতে সূর্যদেবের দুজন পত্নি ছিল, যাদের নাম 'সংজ্ঞা এবং স্বর্ণা (ছায়া)'। এই দুই পত্নি থেকে সূর্যদেবের সাত পুত্র এবং চার কন্যা হয়, যাদের মধ্যে সবথেকে বড় ছিলেন 'সত্যব্রত।' চক্ষুস মন্বান্তরের একদম শেষদিকে সূর্যপুত্র সত্যব্রতকে পৃথিবীর অধিপতি নিযুক্ত করা হয়। এমন সময়ে সমগ্ৰ বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ভয়ানক ভাবে কেঁপে উঠলো। সকল দেবগণ ভয় পেয়ে পরমপিতা ব্রহ্মার কাছে জানতে চাইলেন যে সমগ্ৰ ব্রহ্মান্ড এভাবে কেন কেঁপে উঠলো। ব্রক্ষ্মা তাদেরকে বললেন "এই কম্পন ভগবান বিষ্ণু দ্বারা উৎপন্ন", সেই কারনে ব্রহ্মা সকল কে নিয়ে ভগবান বিষ্ণুর সরণাপন্ন হলেন। ভগবান বিষ্ণু তাদের বললেন "প্রলয়কাল আসন্ন, আমি এই কম্পনের মাধ্যমে তারই সংকেত দিয়েছি। সকল দেবগণ নিজ নিজ লোকে প্রস্থান করে সেই সময়ের অপেক্ষা করো।" ভগবান বিষ্ণুর আদেশে দেবগণ ফিরে গিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলেন। তখন 'হয়গ্ৰীব্' নামে এক অসুরও প্রলয়ের সেই সংকেত বুঝতে পারে তাই সে অমরত্ব লাভের আশায় ব্রহ্মার ধ্যানমগ্ন অবস্থায় থাকা কালীন বেদ চুরি করে সমুদ্রে লুকিয়ে পরে। ভগবান বিষ্ণু সবকিছু দেখছিলেন। তিনি ছোট্টো মাছ রূপে নদীতে অবতীর্ণ হলেন। সেই সময় 'রাজা সত্যব্রত' সূর্যদেবকে অর্ঘ দান করেছিলেন, তখন তার হাতে এক ছোট্ট মাছ উঠলো। তিনি সেই মাছটি আবার জলে ছাড়তে যেতেই সেই মাছটি মানুষের ভাষায় প্রার্থনা করলো, " আমাকে জলে ছাড়বেন না, ছাড়লে বড়ো মাছ আমাকে গিলে খাবে। আমি আপনার শরনাপন্ন।" রাজা সত্যব্রত তখন মাছটিকে কমন্ডুলে ভরে নিজের প্রাসাদে নিয়ে একটি ছোট পাত্রে রেখে দিলেন। মাছটিকে রেখে পেছন ঘুরতেই মাছটি রাজাকে ডেকে উঠলো, রাজা ঘুরে দেখলেন মাছটি নিমেষেই বড়ো হয়ে গেছে। তখন রাজা তাকে একটি বড়ো পাত্রে রাখলেন, কিন্তু আবার তার আকার এক নিমেষে বেড়ে গেলো। এইভাবে মাছের আকার বাড়তে থাকে এবং রাজা পাত্র পরিবর্তন করতে থাকেন, কিন্তু শেষে মাছটি এতই বড়ো হয়ে যায় যে রাজা তাকে প্রাসাদের সরোবরে রাখতে বাধ্য হলেন। কিন্তু কিছুক্ষনের মধ্যেই সেই সরোবরও তার জন্য ছোট হয়ে গেলো তখন রাজা বাধ্য হয়ে তাকে সমুদ্রে নিয়ে যান। কিন্তু সমুদ্রে রাখতেই সেই মাছ বিশাল সমুদ্রের আকার ধারণ করে। রাজা তখন হাতজোড় করে বলেন " আপনি কোন সাধারণ মাছ হতে পারেন না, নিঃসন্দেহে আপনি কোন দৈবশক্তি, কৃপা করে বাস্তব রূপে দর্শন দিন।" তখন সেই মাছ "চতুর্ভুজ অর্ধমানব অর্ধমৎস" রূপে অবতীর্ণ হলো, রাজা সত্যব্রত বুঝতে পারলেন এই মৎস স্বয়ং "পরমেশ্বর ভগবান বিষ্ণু।" ভগবান বিষ্ণু রাজাকে বললেন "মন দিয়ে শোন, আজ থেকে ঠিক সাতদিন পর প্রলয় আরম্ভ হবে, তার ফলে সম্পুর্ণ পৃথিবী জলমগ্ন হবে। তুমি সপ্তর্ষি, বিভিন্ন প্রকার ঔষধি দ্রব্য এবং প্রত্যেক প্রাণীর এক এক জোড়া নিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু জায়গা হিমালয় শিখরে অপেক্ষা করবে। প্রলয় জল সেই উচ্চতা ছুয়ে গেলে আমার প্রেরনায় এক বিরাট নৌকা তোমার কাছে আসবে, তখন তুমি সকলকে নিয়ে সৈই নৌকা আরোহন করবে। আমি সেই নৌকা সহ তোমাদের নিয়ে প্রলয় জলে বিচরণ করতে থাকবো।" ভগবান বিষ্ণু এতটা বলে অন্তর্ধ্যান করলেন, এবং সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থাকা হয়গ্ৰীব অসুরকে বধ করে ব্রহ্মাকে বেদ ফিরিয়ে দিলেন। ঠিক সাতদিন পর ভগবান বিষ্ণুর আদেশে প্রলয় আরম্ভ হলো। রাজা সত্যব্রত ভগবানের কথা মতো তৈরি হয়ে নৌকায় আরোহণ করলেন। প্রলয়ের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে নৌকা ডুবে যাওয়ার উপক্রম হল ভগবান বিষ্ণু "শৃঙ্গ বিশিষ্ট বিশাল সোনালী মৎস্য" রূপে আবির্ভূত হলেন। তখন 'নাগরাজ বাসুকি' কে নৌকার এবং শিং এর সাথে বেঁধে দেওয়া হলো। প্রলয় থামা পর্যন্ত ভগবান তাদের নিয়ে প্রলয় জলে বিচরণ করতে থাকলেন। সেই সময় ভগবান বিষ্ণু তাদের বিভিন্ন জ্ঞান প্রদান করেছিলেন। প্রলয় থামলে রাজা সত্যব্রত নতুন জগতের প্রথম মানব হলেন। তার নাম হলো 'বৈবস্বত মনু।' বৈবস্বত অর্থাৎ 'বিবস্বানের (সূর্যদেব) পুত্র', আর মনু অর্থাৎ 'মানব জাতির পিতা।' এই বৈবস্বত মন্বান্তরের ২৮ তম কলিযুগে বর্তমানে আমরা বাস করছি। পুরাণ মতে যুগ, মন্বান্তর এবং কল্পের বিবরন। বৈবস্বত মনুর পরিচয় এবং মৎস্য অবতার কথা। According to the Puranas, the details of Yuga, Manvantar and Kalpa. The identity of Vaibaswat Manu and the incarnation of Matsya. নূহ সম্পর্কে আমি বিশেষ কিছু জানি না। যতটা জানতে পারলাম ইন্টারনেট থেকে সেই লিংক টা দিলাম।
বিস্তারিত পড়ুন
ইহুদি ধর্মের সাথে ইসলাম ধর্মের কী কী অমিল রয়েছে?
বিসমিল্লাহ্ ভ্যারাইটিজ স্টোর | 12:59am 16/05/21
১. ইহুদীরা যীশু খ্রিষ্টকে মরিয়মের অবৈধ সম্পর্কের ফলে জন্ম নেয়া সন্তান মনে করে। মরিয়মকে ইহুদীরা সতী নারী মনে করে না। মরিয়মের পরিবার মরিয়মের অবৈধ সম্পর্ক ঢাকতে যীশু ইয়াহওয়ের (ঈশ্বর) এর সন্তান , কোনো মানব পুরুষের না এটা প্রচার করেন। ইহুদীরা যীশু খ্রিষ্টকে ভন্ড মসীহ মনে করে এবং তারা মনে করে যীশু ইহুদীদের একটি অংশকে বিভ্রান্ত করে খ্রিষ্টান বানিয়ে দেন এবং নিজে বানিয়ে বানিয়ে গোসপেল বা নিউ টেস্টামেন্ট লিখেন। মুসলিমরা যীশু খ্রিষ্টকে মরিয়মের বৈধ সন্তান মনে করেন এবং মরিয়মকে এ জগতের সবচেয়ে সতী ও পবিত্র নারী বিশ্বাস করেন। যীশু খ্রিষ্টকে সত্যিকারের মসীহ ও আল্লাহর নবী মান্য করেন তবে তিনি আল্লাহর পুত্র না। আল্লাহ অলৌকিকভাবে মরিয়মের গর্ভে যীশুকে পাঠান কোনো পুরুষের সাহায্য ছাড়াই। যীশুর গোসপেল বা নিউ টেস্টামেন্ট সত্য বানী তবে তা কালের বিবর্তনে বিকৃত হয়ে যায়। ২. ইহুদীরা ইসলাম ধর্মের প্রচারক মুহাম্মদ (সঃ)কে নবী মানেন না। ওনাকে ভুয়া নবী মনে করেন যা মুসলিমদের অনেক কষ্ট দেয়। ইহুদীরা ইসলামকে আরবদের ধর্ম মনে করেন এবং মুহাম্মদ (সঃ)কে ইহুদী ধর্ম দ্বারা ব্যাপক প্রভাবিত এক আরব নেতা মনে করেন এবং কোরআনের মূল উৎস মনে করেন। মুসলিমরা ইহুদি ধর্মের প্রধান নবী মোজেসকে নবী মূসা নামে ডাকেন এবং আল্লাহর অন্যতম প্রভাবশালী নবী হিসেবে মান্য করেন। ৩. ইহুদীদের ধর্ম একটি অঞ্চল ও জাতি ভিত্তিক ধর্ম। হিব্রু জাতির লোকেরা ইহুদি ধর্মের লোকজন। ইসলাম ধর্ম অঞ্চলভিত্তিক যাত্রা শুরু করলেও সেটা আরব থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সব অঞ্চল, মধ্য এশিয়া ও দক্ষিন এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ইহুদি ধর্ম একটি নির্দিষ্ট জাতির মাঝেই সীমাবদ্ধ। ইহুদিদের একটি যিশুপন্থী অংশ পরে খ্রিষ্টান হয়ে ইউরোপ, আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে। ৪. ইহুদিরা নিজেদের ইয়াহওয়ে ঈশ্বরের সবচেয়ে আশীর্বাদপুষ্ট জাতি মনে করেন এবং নিজেদের অন্য সব জাতির চাইতে প্রভাবশালী মনে করেন যেটা ঈশ্বর কর্তৃৃক প্রাপ্ত। মুসলিমরা ইহুদীদের আল্লাহর বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত জাতি মনে করলেও তারা সেই মর্যাদা রাখেন নি বিধায় ইহুদীদের মুসলিমরা অভিশপ্ত জাতি মনে করেন। ৫. ইহুদীদের কাছে ইজরায়েল ভূমি ধর্মীয় তীর্থস্থান। বিশেষ করে জেরুজালেম। মুসলিমদের কাছে আরবের মক্কা ও মদীনা ধর্মীয় তীর্থস্থান। সেই সাথে জেরুজালেমকেও পবিত্র নগরী মনে করেন। ৬. মুসলিমদের হালাল খাবার ইহুদীদের কোশার খাবার দ্বারা প্রভাবিত হলেও হালালের চেয়ে কোশার বেশি কঠোর। ৭. ইহুদী ও ইসলাম ধর্ম ব্যাপকভাবে সাদৃশ্যপূর্ন। মূলত যীশু খ্রিষ্ট ও মুহাম্মদ (সাঃ)কে প্রকৃত নবী না মানার কারনে ইহুদীরা মুসলিম সাদৃশ্য হয়েও মুসলিম না।
বিস্তারিত পড়ুন
জায়োনিজম (Zionism) বলতে আসলে কী বোঝায়?
বিসমিল্লাহ্ ভ্যারাইটিজ স্টোর | 12:58am 16/05/21
ইহুদিদের নিজস্ব রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।
বিস্তারিত পড়ুন
ইসরায়েলকে আমেরিকা এত সমর্থন করে কেন?
বিসমিল্লাহ্ ভ্যারাইটিজ স্টোর | 12:38am 16/05/21
দুই-এক বছর আগে ইসরাইল সবসময় আমেরিকার সমর্থন পায় কেন তা নিয়ে ইংরেজী কোরায় বেশ কয়েকটি চমৎকার উত্তর পড়েছিলাম, ভেবেছিলাম সেগুলো একটু রিভিশন দিয়ে এসে আর কিছুক্ষণ গুগল ঘাটাঘাটি করে খুব সহজে উত্তরটি দিয়ে দেওয়া যাবে। কিন্তু বিধিবাম, ইংরেজি কোরায় গাদা গাদা প্রশ্ন মিলিত হয়ে সেই উত্তরগুলো আর খুঁজে পাওয়ার যো নেই। ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটি করেও খুব সহজে এই উত্তরের মূলে পৌঁছানো সম্ভব নয় কারণ বেশিরভাগ ওয়েবসাইটই প্রপাগান্ডার দৃষ্টিকোণ হতে লেখা এবং সবগুলো কারণ একসাথে গুছিয়ে পাওয়া যায় না। তবুও বিভিন্ন সূত্র ধরে ঘন্টার পর ঘন্টা ঘাটাঘাটি করে এবং স্মৃতিভান্ডার হাতড়ে একটি উত্তর দাড়া করালাম। আশা করি উত্তরটি যথেষ্ট নিরপেক্ষ এবং বিশ্লেষণধর্মী হয়েছে ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টান : আমেরিকার ইসরাইলের প্রতি সমর্থনের মূল কারণ খুব সম্ভবত এর ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টান সম্প্রদায়। ইভানজেলিক্যাল খ্রিষ্টান সম্প্রদায় হলো আমেরিকার সবচেয়ে বড় একক ধর্মীয় গোষ্ঠী যারা আমেরিকার মোট জনসংখ্যার ২৬ শতাংশ এবং মূলত দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে বাস করে ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টানদের ইজরাইলের কট্টর সমর্থক হওয়ার কারণ তারা মনে করে ইহুদিরা জেরুজালেমে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত পৃথিবীতে যিশুখ্রিস্টের পুনরাগমন হবে না। মুসলিমদের মত এরাও যিশুখ্রিস্টের পুনরুত্থানে বিশ্বাসী। যীশু খ্রীষ্ট নাকি পুনরায় পৃথিবীতে এসে আরমাগেডনের যুদ্ধে শয়তানকে পরাজিত করবে এবং ইহুদিরা খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করবে। এরপর এক হাজার বছর পৃথিবীতে শান্তি বিরাজ করবে। এই বিশ্বাসের কারণে ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টানেরা সবসময়ই ইসরাইলে ইহুদি বসতি স্থাপনের কট্টর সমর্থক এবং লবিং এর মাধ্যমে আমেরিকার রাজনীতিবিদদের উপর চাপ সৃষ্টি করে ইজরায়েলকে সমর্থন যোগানোর। নিচের ভিডিওটি দেখতে পারেন ইজরায়েল পন্থী লবিং : ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টানদের পাশাপাশি বিভিন্ন ইজরাইলপন্থী ইহুদি লবিং গ্রুপও সক্রিয় রয়েছে আমেরিকার ইসরাইলপন্থী নীতি গ্রহণের জন্য। ইজরাইল পন্থী লবিং গ্রুপগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল American Israel Public Affairs Committee - Wikipedia বা সংক্ষেপে আইপ্যাক যারা মূলত সিনেটর প্রার্থীদের রাজনৈতিক ক্যাম্পেইনে অর্থের যোগানের মাধ্যমে তাদের ইসরাইলকে সমর্থন জোগাতে বাধ্য করে। আইপ্যাক সরাসরি সিনেটরদের টাকা দেয় না তারা বরং ইসরাইলপন্থী ধনাঢ্য ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটির মাধ্যমে কংগ্রেসের সদস্য হতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের টাকা দেয় এই শর্তে যে তাদের ইসরাইলপন্থী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ব্যাপারটা আরেকটু খোলাসা করে বলা যাক, প্রতিবছর আইপ্যাকের বার্ষিক নীতিমালা নির্ধারণী কনফারেন্স যে হল রুমে বসে তার পাশের রুম গুলোতেই ধনাঢ্য দাতা এবং আইপ্যাক সমর্থিত নির্বাচনী প্রার্থীদের ডেকে আনা হয় কথা বলার জন্য। পাশের রুম গুলোর কার্যকলাপ সরাসরি আইপ্যাকের নামে পরিচালিত হয় না, সুতরাং এভাবে ইসরাইলপন্থী কংগ্রেস প্রার্থীদের অর্থের যোগান দেওয়াতে আইপ্যাকের ঘাড়ে দোষ পরে না। বিস্তারিত পড়ুন এখানে This Is How AIPAC Really Works আইপ্যাকের কংগ্রেসের উপর এতটাই প্রভাব যে এই ওপেন সিক্রেট নিয়ে কথা বলাও এক রকমের অপরাধ। এই বছরের শুরুর দিকে সোমালিয়ান বংশোদ্ভূত মার্কিন রিপ্রেজেন্টিভ ওমর ইলহান আইপ্যাকের লবিং নিয়ে কথা বললে তাকে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হতে হয়। তাকে ঢালাওভাবে "ইহুদি বিদ্বেষী" তকমা দেওয়া হয় এবং কংগ্রেসে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়। যেভাবে ডেমোক্রেট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষের কংগ্রেসম্যানেরাই তার পিছনে উঠে পড়ে লেগেছিল তাতেই প্রমাণিত আমেরিকার সিনেটে ইসরাইলি লবিং এর প্রভাব কতটা বেশি। ইন্টেলিজেন্স শেয়ারিং: ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এবং ইসরাইলের সাইবার নিরাপত্তা প্রদানকারী সংস্থা ইউনিট ৮২০০ হল বিশ্বসেরা যাদের সাথে কাজ করে আমেরিকা উপকৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে আমেরিকায় সক্রিয় থাকা এক হিজবুল্লাহ সদস্যকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য মোসাদের আমেরিকার সিআইএ'র সাথে ইন্টেলিজেন্স শেয়ারিং। এমনকি টুইন টাওয়ারে হামলার পূর্বাভাসও নাকি মোসাদ দিতে সক্ষম হয়েছিল। আর Operation Diamond - Wikipedia এর কথা তো না বললেই নয় যেখানে ইজরাইলের মোসাদ ইরাকি বিমান বাহিনী হতে একটি মিগ-২১ চুরি করে এনে আমেরিকার হাতে তুলে দেয়। ইসরাইল এবং আমেরিকা এই প্লেনের খুঁটিনাটি জেনে নেয়। কৃতজ্ঞতা স্বরূপ আমেরিকা ইসরাইলকে নিজের তৈরি এফ আর ফ্যান্টম যুদ্ধবিমান ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। সাইবার ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কথা বললে বলা যায় আমেরিকার সাইবার ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কাজ করা এনএসএ এবং ইজরাইলের ইউনিট ৮২০০ মিলে Stuxnet - Wikipedia নামে একটি ম্যালওয়ার তৈরি করে ইরানের নিউক্লিয়ার প্রোগ্রামের গতি শ্লথ করে দিতে। ইউনিট ৮২০০ তে কাজ করা অনেক যুবকই পরে সিলিকন ভ্যালিতে বিভিন্ন নামিদামি আইটি কোম্পানি খুলেছে (এমনকি আপনার ভাইবারও তাদের তৈরি) এটাও আমেরিকার ইজরায়েলের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার একটি বড় কারণ। আমেরিকার অস্ত্র পরীক্ষাগার : ইজরাইল আমেরিকার তৈরি অস্ত্রগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে কতটা পারফর্ম করবে তা পরীক্ষা করে দেওয়ার সুযোগ করে দেয় বিশেষ করে রাশিয়ার তৈরি অস্ত্রের বিরুদ্ধে। স্নায়ুযুদ্ধের সময় ইসরাইল ছিল মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মিত্র। মিশর, লেবানন, সিরিয়ার সাথে ইজরাইলের সামরিক সংঘাত লেগেই থাকত যারা সোভিয়েত ইউনিয়নের তৈরি অস্ত্র ব্যবহার করতো। মধ্যপ্রাচ্যে সোভিয়েত ইউনিয়নের মিত্রদের ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি আমেরিকায় প্রস্তুতকৃত অস্ত্র সোভিয়েত ইউনিয়নের অস্ত্রকে কতটা কাউন্টার দিতে পারবে তা পরীক্ষা করার বড় সুযোগ ইজরাইল এনে দিয়েছিল। ইসরাইলি প্রযুক্তি : আমেরিকা তার উন্নয়নের জন্য ইসরাইলি টেকনোলজির উপর নির্ভর করে। মাইক্রোসফট, আইবিএম, ইন্টেলের প্রধান প্রধান অনেক রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্ট সেন্টার ইজরাইলে রয়েছে। ইন্টেলের মাইক্রোপ্রসেসর উন্নয়নে ইজরায়েলি বিজ্ঞানীদের অসাধারণ অবদান রয়েছে। একটি মরুভূমি প্রধান দেশ হিসেবে ইজরাইল যেভাবে ড্রিপ সেচ, পানিকে আর্সেনিক এবং লবণমুক্ত করা সহ আরো বিভিন্ন টেকনোলজি আবিষ্কার করেছে তা আমেরিকা তার টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়ার মত মরু প্রধান উত্তপ্ত অঞ্চলগুলোতে কাজে লাগায়। ব্রাইটসোর্স ইন্ডাস্ট্রিস নামে একটি আমেরিকান কোম্পানি ইসরাইলি টেকনোলজি ব্যবহার করে সোলার প্যানেল তৈরি করছে যা আমেরিকার সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্বিগুণ করে দিবে How the U.S. Gains from Israel Alliance গণতন্ত্র : শুধু ইসরাইলপন্থী আমেরিকানদের নয় অন্যান্য গণতান্ত্রিক পাশ্চাত্য দেশের নাগরিকদেরও বলতে শুনেছি ইসরাইল হল আরব দেশের শরিয়া আইন দ্বারা বেষ্টিত (যা তাদের দৃষ্টিতে খারাপ), সন্ত্রাসী কবলিত অঞ্চলে একমাত্র গণতন্ত্র এবং শান্তির দিশারী। ইসরাইল ঠিক আমেরিকার মতোই জুডিও-ক্রিশ্চিয়ান মূল্যবোধের উপর গড়ে উঠেছে। একই সাথে এটি একটি গণতান্ত্রিক দেশও বটে যখন মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলো হয় স্বৈরতন্ত্র, রাজতন্ত্র বা অর্ধ গণতান্ত্রিক দেশ। ইজরায়েল পন্থী আমেরিকানদের অনেককেই ইসরাইলকে সমর্থন করার কারণ হিসেবে এই ব্যাপারটি উল্লেখ করতে দেখেছি তবে আমেরিকার রাষ্ট্র নীতিতে এর প্রভাব কতটা আমার জানা নেই কারণ আমেরিকা বছরের পর বছর ধরে নিজ স্বার্থে অনেক রাজতন্ত্র, স্বৈরশাসকদের পৃষ্ঠপোষকতা করে এসেছে। আমেরিকান ইহুদি গোষ্ঠী : এটা কারোরই অজানা নয় যে ইহুদীরা সংখ্যায় খুব কম হওয়া সত্বেও অত্যন্ত ধনী এবং মেধাবী। বিশ্ব জনসংখ্যার দশমিক ২ শতাংশ হওয়া সত্বেও নোবেল পুরস্কারের ২০ শতাংশই পেয়েছে ইহুদিরা। আমেরিকার ৪০০ বিলিয়নিয়ারের ৩৫% বিলিনিয়রই ইহুদি যদিও তারা সংখ্যায় আমেরিকার জনসংখ্যার দুই শতাংশেরও কম। অবশ্য বর্তমানের মার্কিনী ইহুদিরা ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক রক্ষায় আমেরিকার ওপর খুব চাপ প্রয়োগ করছে কিনা তা নিয়ে আমি নিশ্চিত নই। আমেরিকার ইহুদিদের সিংহভাগই ডেমোক্রেটকে ভোট দেয় যারা রিপাবলিকানদের তুলনায় তুলনামূলক কম ইসরাইলপন্থী। পিউ রিসার্চ অনুযায়ী আমেরিকান ইহুদিদের ৪০ শতাংশের মত মনে করে ইসরাইল প্যালেস্টাইনে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করছে। নতুন প্রজন্মের ইহুদিদের মধ্যে তীব্র ইজরাইলপ্রেম তুলনামূলক কম দেখা যায়। তবে এটা ধরে নেওয়া রিস্কি কিছু নয় যে আমেরিকার প্রভাবশালী ইহুদি সম্প্রদায় আমেরিকার ইসরাইলকে সমর্থন যোগানোর একটি মূল কারণ। আমেরিকান ইহুদিরা ইসরাইলকে নিয়ে কি ভাবে তা বিস্তারিত জানতে হলে নিচের লিংকটি পড়তে পারেন Jewish Americans' Connection With and Attitudes Toward Israel মুসলিম বিদ্বেষ : এসকল কারণ ছাড়াও আরেকটা ব্যাপার মাথায় আসছে তা হল মার্কিনীদের ইসলাম বিদ্বেষ। শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু বলে তো একটা কথা আছে, বিভিন্ন উগ্রপন্থী ইসলামিক গোষ্ঠী যেমন আইএস, তালেবান, আল-কায়েদার কারণে মুসলিমদের সম্পর্কে আমেরিকায় খুবই নেতিবাচক মনোভাব বিদ্যমান। যেহেতু ইসরাইল মুসলিমদের একটি শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচিত হয় তাই সাধারণভাবেই আমেরিকার জনসাধারণ ইজরায়েলের পক্ষালম্বন করে। মোদ্দা কথা বলতে গেলে আমেরিকা ইসরাইলের সম্পর্ক এত ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণ সেই অঞ্চলের জিওপলিটিক্স। ইসরাইল প্যালেস্টাইন সংকটের কারণে খুব দ্রুতই ইজরায়েলের আমেরিকার প্রভাব বলয় হতে বেরিয়ে যাবার কোন সম্ভাবনা নেই, আর এই সমস্যার সমাধান হলেও যে দুই দেশের সম্পর্কে খুব একটা পরিবর্তন আসবে তা আমি মনে করি না। কারণ হিসেবে বলবো উভয় দেশের কমন মূল্যবোধ এবং প্রযুক্তি নির্ভরতা যেখানে আরবদেশগুলো রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল এবং আমেরিকার সাথে সম্পর্ক ভালো রাখার ক্ষেত্রে অনেকটাই নিজেদের তৈল সম্পদের উপর নির্ভরশীল যার কোনটাই স্থায়ী নয়। তবে আমেরিকার ইসরাইলকে চির সমর্থন যোগানোর কারণ হিসেবে ইভানজেলিক্যাল খ্রিষ্টানেরা এবং আইপ্যাকের লবিংই মূল ভূমিকা পালন করছে। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
বিস্তারিত পড়ুন

প্রশ্ন করতে লগিন করুন

আমাদের সেবা সমুহ

সি এন্ড এফ, আমদানি, আলিবাবা নিয়ে যেকোনো সমস্যার সমাধান পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করুন

এখানে ক্লিক করুন
2017 © 2021 eibbuy. All Rights Reserved.
Developed By Takwasoft