eibbuy.com

আপনার পোষ্ট এখানে লিখুন

পোষ্ট লেখতে লগইন করুন

ইসরায়েল সম্পর্কে বাংলাদেশের মনোভাব
Admin | 01:26am 16/05/21
ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ একবার বলেছিলেন, 'ইসরায়েল হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের একটি বিষবৃক্ষ, এটিকে উপড়ে ফেলা উচিৎ'। সময় যত গড়িয়েছে, ইসরায়েল এটা প্রমাণ করে দিয়েছে যে আহমেদিনেজাদের উক্তিটি কতটা সঠিক ছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পরপরই ইসরায়েল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করেছিল,কিন্তু তখন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার লিখিতভাবে ইসরায়েলের স্বীকৃতি প্রত্যাখ্যান করেছিল। আর্যজাতি,বৃটিশ- জমিদার এবং সর্বশেষ পশ্চিম পাকিস্তানিদের কতৃক আপন ভূখণ্ডে সীমাহীন বঞ্চনা ও অত্যাচারের শিকার বাঙালি জাতির চেয়ে আর কে স্বাধীনতার যথাযথ মর্ম ভালো বুঝতে পারে?সেইজন্য বাংলাদেশ একদম শুরু থেকেই ফিলিস্তিনের মানুষের স্বাধীনতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে অকুন্ঠ সমর্থন দিয়ে গেছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫নং অনুচ্ছেদের (খ)(গ) ধারায় উল্লেখ আছে, (খ) রাষ্ট্র প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং (গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷ ফিলিস্তিনের মানুষের স্বাধিকার আন্দোলনকে সমর্থন এবং ইসরায়েলের সাম্রাজ্যবাদ-ঔপনিবেশিকতাবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ বাংলাদেশের সংবিধান কতৃক স্বীকৃত একটি বিষয়। সেইজন্য গতবছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় কিছু গাদ্দার মুসলিম রাষ্ট্র ইসরায়েলের সাথে "আব্রাহাম একর্ড" নামক চুক্তির মাধ্যমে যখন স্বীয় সতীত্ব ইসরায়েলের হাতে তুলে দিয়েছিল, তখনো বাংলাদেশ ইসরায়েলকে স্বীকৃতি না দেয়ার সিদ্ধান্তে অনঢ় ছিল। ১৯৭৪ সালের ১৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনের ভাষণে পররাষ্ট্রনীতির ব্যাখ্যা করে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘আমরা আজ গর্বিত যে মধ্যপ্রাচ্যে আমরা আরব ভাইদের এবং প্যালেস্টাইনি ভাইদের পাশে রয়েছি। ইসরায়েলিরা তাদের ন্যায্য অধিকারে হস্তক্ষেপ করেছে। ইসরায়েলিরা জাতিসংঘের প্রস্তাব মানে নাই। তারা দখল করে বসে আছে আরবদের ভূমি। আরব ভাইদের এ কথা বলে দেবার চাই এবং তারা প্রমাণ পেয়েছে যে, বাংলার মানুষ তাদের পেছনে রয়েছে, আরব ভাইদের ন্যায্য দাবির পক্ষে রয়েছে। আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে তাদের সাহায্য করব।’ আজকের এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধুর এই কথাগুলোই বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের প্রাণের কথা।
বিস্তারিত পড়ুন
হিন্দু ধর্মের মনু ও ইহুদি-খ্রিষ্ট-ইসলাম ধর্মের নূহ কি একই ব্যক্তি?
বিসমিল্লাহ্ ভ্যারাইটিজ স্টোর | 01:01am 16/05/21
মনু কে ? মনু অর্থাৎ 'মানব জাতির পিতা।' সনাতন ধর্মে সময়কাল কে চার যুগে ভাগ করা হয়েছে। সেই চার যুগ হলো - "সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর এবং কলি। ৭১ চতুর্যুগে এক মন্বান্তর হয় (মন্বান্তর কথার অর্থ মনুর অন্তর) এবং ১৪ মন্বান্তরে এক কল্প হয়। এই এক কল্প সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার একদিন।" অর্থাৎ এক কল্পে ১৪ জন মনুর আবির্ভাব ঘটে। বর্তমানে 'শ্বেতবরাহ কল্প' চলছে, আর এই শ্বেতবরাহ কল্পের ১৪ জন মনু হলেন - "স্বয়ম্ভু, স্বারোচিশ, উত্তমী, তামস, ঋভু, চক্ষুস, বৈবস্বত, সাবর্ণি, ব্রহ্মসাবর্ণি, দক্ষসাবর্ণি, ধর্মসাবর্ণি, রুদ্রসাবর্ণি, বরুণসাবর্ণি এবং অগ্নিসাবর্ণি"(বিভিন্ন পুরাণে এদের ভিন্ন নাম)। বর্তমানে আমরা "বৈবস্বত মন্বান্তরের ২৮ তম কলিযুগে" বাস করছি। এই বৈবস্বত মন্বান্তরের আরম্ভের গল্প এখানে লিখছি। ব্রহ্ম পুরাণ মতে সূর্যদেবের দুজন পত্নি ছিল, যাদের নাম 'সংজ্ঞা এবং স্বর্ণা (ছায়া)'। এই দুই পত্নি থেকে সূর্যদেবের সাত পুত্র এবং চার কন্যা হয়, যাদের মধ্যে সবথেকে বড় ছিলেন 'সত্যব্রত।' চক্ষুস মন্বান্তরের একদম শেষদিকে সূর্যপুত্র সত্যব্রতকে পৃথিবীর অধিপতি নিযুক্ত করা হয়। এমন সময়ে সমগ্ৰ বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ভয়ানক ভাবে কেঁপে উঠলো। সকল দেবগণ ভয় পেয়ে পরমপিতা ব্রহ্মার কাছে জানতে চাইলেন যে সমগ্ৰ ব্রহ্মান্ড এভাবে কেন কেঁপে উঠলো। ব্রক্ষ্মা তাদেরকে বললেন "এই কম্পন ভগবান বিষ্ণু দ্বারা উৎপন্ন", সেই কারনে ব্রহ্মা সকল কে নিয়ে ভগবান বিষ্ণুর সরণাপন্ন হলেন। ভগবান বিষ্ণু তাদের বললেন "প্রলয়কাল আসন্ন, আমি এই কম্পনের মাধ্যমে তারই সংকেত দিয়েছি। সকল দেবগণ নিজ নিজ লোকে প্রস্থান করে সেই সময়ের অপেক্ষা করো।" ভগবান বিষ্ণুর আদেশে দেবগণ ফিরে গিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলেন। তখন 'হয়গ্ৰীব্' নামে এক অসুরও প্রলয়ের সেই সংকেত বুঝতে পারে তাই সে অমরত্ব লাভের আশায় ব্রহ্মার ধ্যানমগ্ন অবস্থায় থাকা কালীন বেদ চুরি করে সমুদ্রে লুকিয়ে পরে। ভগবান বিষ্ণু সবকিছু দেখছিলেন। তিনি ছোট্টো মাছ রূপে নদীতে অবতীর্ণ হলেন। সেই সময় 'রাজা সত্যব্রত' সূর্যদেবকে অর্ঘ দান করেছিলেন, তখন তার হাতে এক ছোট্ট মাছ উঠলো। তিনি সেই মাছটি আবার জলে ছাড়তে যেতেই সেই মাছটি মানুষের ভাষায় প্রার্থনা করলো, " আমাকে জলে ছাড়বেন না, ছাড়লে বড়ো মাছ আমাকে গিলে খাবে। আমি আপনার শরনাপন্ন।" রাজা সত্যব্রত তখন মাছটিকে কমন্ডুলে ভরে নিজের প্রাসাদে নিয়ে একটি ছোট পাত্রে রেখে দিলেন। মাছটিকে রেখে পেছন ঘুরতেই মাছটি রাজাকে ডেকে উঠলো, রাজা ঘুরে দেখলেন মাছটি নিমেষেই বড়ো হয়ে গেছে। তখন রাজা তাকে একটি বড়ো পাত্রে রাখলেন, কিন্তু আবার তার আকার এক নিমেষে বেড়ে গেলো। এইভাবে মাছের আকার বাড়তে থাকে এবং রাজা পাত্র পরিবর্তন করতে থাকেন, কিন্তু শেষে মাছটি এতই বড়ো হয়ে যায় যে রাজা তাকে প্রাসাদের সরোবরে রাখতে বাধ্য হলেন। কিন্তু কিছুক্ষনের মধ্যেই সেই সরোবরও তার জন্য ছোট হয়ে গেলো তখন রাজা বাধ্য হয়ে তাকে সমুদ্রে নিয়ে যান। কিন্তু সমুদ্রে রাখতেই সেই মাছ বিশাল সমুদ্রের আকার ধারণ করে। রাজা তখন হাতজোড় করে বলেন " আপনি কোন সাধারণ মাছ হতে পারেন না, নিঃসন্দেহে আপনি কোন দৈবশক্তি, কৃপা করে বাস্তব রূপে দর্শন দিন।" তখন সেই মাছ "চতুর্ভুজ অর্ধমানব অর্ধমৎস" রূপে অবতীর্ণ হলো, রাজা সত্যব্রত বুঝতে পারলেন এই মৎস স্বয়ং "পরমেশ্বর ভগবান বিষ্ণু।" ভগবান বিষ্ণু রাজাকে বললেন "মন দিয়ে শোন, আজ থেকে ঠিক সাতদিন পর প্রলয় আরম্ভ হবে, তার ফলে সম্পুর্ণ পৃথিবী জলমগ্ন হবে। তুমি সপ্তর্ষি, বিভিন্ন প্রকার ঔষধি দ্রব্য এবং প্রত্যেক প্রাণীর এক এক জোড়া নিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু জায়গা হিমালয় শিখরে অপেক্ষা করবে। প্রলয় জল সেই উচ্চতা ছুয়ে গেলে আমার প্রেরনায় এক বিরাট নৌকা তোমার কাছে আসবে, তখন তুমি সকলকে নিয়ে সৈই নৌকা আরোহন করবে। আমি সেই নৌকা সহ তোমাদের নিয়ে প্রলয় জলে বিচরণ করতে থাকবো।" ভগবান বিষ্ণু এতটা বলে অন্তর্ধ্যান করলেন, এবং সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থাকা হয়গ্ৰীব অসুরকে বধ করে ব্রহ্মাকে বেদ ফিরিয়ে দিলেন। ঠিক সাতদিন পর ভগবান বিষ্ণুর আদেশে প্রলয় আরম্ভ হলো। রাজা সত্যব্রত ভগবানের কথা মতো তৈরি হয়ে নৌকায় আরোহণ করলেন। প্রলয়ের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে নৌকা ডুবে যাওয়ার উপক্রম হল ভগবান বিষ্ণু "শৃঙ্গ বিশিষ্ট বিশাল সোনালী মৎস্য" রূপে আবির্ভূত হলেন। তখন 'নাগরাজ বাসুকি' কে নৌকার এবং শিং এর সাথে বেঁধে দেওয়া হলো। প্রলয় থামা পর্যন্ত ভগবান তাদের নিয়ে প্রলয় জলে বিচরণ করতে থাকলেন। সেই সময় ভগবান বিষ্ণু তাদের বিভিন্ন জ্ঞান প্রদান করেছিলেন। প্রলয় থামলে রাজা সত্যব্রত নতুন জগতের প্রথম মানব হলেন। তার নাম হলো 'বৈবস্বত মনু।' বৈবস্বত অর্থাৎ 'বিবস্বানের (সূর্যদেব) পুত্র', আর মনু অর্থাৎ 'মানব জাতির পিতা।' এই বৈবস্বত মন্বান্তরের ২৮ তম কলিযুগে বর্তমানে আমরা বাস করছি। পুরাণ মতে যুগ, মন্বান্তর এবং কল্পের বিবরন। বৈবস্বত মনুর পরিচয় এবং মৎস্য অবতার কথা। According to the Puranas, the details of Yuga, Manvantar and Kalpa. The identity of Vaibaswat Manu and the incarnation of Matsya. নূহ সম্পর্কে আমি বিশেষ কিছু জানি না। যতটা জানতে পারলাম ইন্টারনেট থেকে সেই লিংক টা দিলাম।
বিস্তারিত পড়ুন
ইহুদি ধর্মের সাথে ইসলাম ধর্মের কী কী অমিল রয়েছে?
বিসমিল্লাহ্ ভ্যারাইটিজ স্টোর | 12:59am 16/05/21
১. ইহুদীরা যীশু খ্রিষ্টকে মরিয়মের অবৈধ সম্পর্কের ফলে জন্ম নেয়া সন্তান মনে করে। মরিয়মকে ইহুদীরা সতী নারী মনে করে না। মরিয়মের পরিবার মরিয়মের অবৈধ সম্পর্ক ঢাকতে যীশু ইয়াহওয়ের (ঈশ্বর) এর সন্তান , কোনো মানব পুরুষের না এটা প্রচার করেন। ইহুদীরা যীশু খ্রিষ্টকে ভন্ড মসীহ মনে করে এবং তারা মনে করে যীশু ইহুদীদের একটি অংশকে বিভ্রান্ত করে খ্রিষ্টান বানিয়ে দেন এবং নিজে বানিয়ে বানিয়ে গোসপেল বা নিউ টেস্টামেন্ট লিখেন। মুসলিমরা যীশু খ্রিষ্টকে মরিয়মের বৈধ সন্তান মনে করেন এবং মরিয়মকে এ জগতের সবচেয়ে সতী ও পবিত্র নারী বিশ্বাস করেন। যীশু খ্রিষ্টকে সত্যিকারের মসীহ ও আল্লাহর নবী মান্য করেন তবে তিনি আল্লাহর পুত্র না। আল্লাহ অলৌকিকভাবে মরিয়মের গর্ভে যীশুকে পাঠান কোনো পুরুষের সাহায্য ছাড়াই। যীশুর গোসপেল বা নিউ টেস্টামেন্ট সত্য বানী তবে তা কালের বিবর্তনে বিকৃত হয়ে যায়। ২. ইহুদীরা ইসলাম ধর্মের প্রচারক মুহাম্মদ (সঃ)কে নবী মানেন না। ওনাকে ভুয়া নবী মনে করেন যা মুসলিমদের অনেক কষ্ট দেয়। ইহুদীরা ইসলামকে আরবদের ধর্ম মনে করেন এবং মুহাম্মদ (সঃ)কে ইহুদী ধর্ম দ্বারা ব্যাপক প্রভাবিত এক আরব নেতা মনে করেন এবং কোরআনের মূল উৎস মনে করেন। মুসলিমরা ইহুদি ধর্মের প্রধান নবী মোজেসকে নবী মূসা নামে ডাকেন এবং আল্লাহর অন্যতম প্রভাবশালী নবী হিসেবে মান্য করেন। ৩. ইহুদীদের ধর্ম একটি অঞ্চল ও জাতি ভিত্তিক ধর্ম। হিব্রু জাতির লোকেরা ইহুদি ধর্মের লোকজন। ইসলাম ধর্ম অঞ্চলভিত্তিক যাত্রা শুরু করলেও সেটা আরব থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সব অঞ্চল, মধ্য এশিয়া ও দক্ষিন এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ইহুদি ধর্ম একটি নির্দিষ্ট জাতির মাঝেই সীমাবদ্ধ। ইহুদিদের একটি যিশুপন্থী অংশ পরে খ্রিষ্টান হয়ে ইউরোপ, আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে। ৪. ইহুদিরা নিজেদের ইয়াহওয়ে ঈশ্বরের সবচেয়ে আশীর্বাদপুষ্ট জাতি মনে করেন এবং নিজেদের অন্য সব জাতির চাইতে প্রভাবশালী মনে করেন যেটা ঈশ্বর কর্তৃৃক প্রাপ্ত। মুসলিমরা ইহুদীদের আল্লাহর বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত জাতি মনে করলেও তারা সেই মর্যাদা রাখেন নি বিধায় ইহুদীদের মুসলিমরা অভিশপ্ত জাতি মনে করেন। ৫. ইহুদীদের কাছে ইজরায়েল ভূমি ধর্মীয় তীর্থস্থান। বিশেষ করে জেরুজালেম। মুসলিমদের কাছে আরবের মক্কা ও মদীনা ধর্মীয় তীর্থস্থান। সেই সাথে জেরুজালেমকেও পবিত্র নগরী মনে করেন। ৬. মুসলিমদের হালাল খাবার ইহুদীদের কোশার খাবার দ্বারা প্রভাবিত হলেও হালালের চেয়ে কোশার বেশি কঠোর। ৭. ইহুদী ও ইসলাম ধর্ম ব্যাপকভাবে সাদৃশ্যপূর্ন। মূলত যীশু খ্রিষ্ট ও মুহাম্মদ (সাঃ)কে প্রকৃত নবী না মানার কারনে ইহুদীরা মুসলিম সাদৃশ্য হয়েও মুসলিম না।
বিস্তারিত পড়ুন
জায়োনিজম (Zionism) বলতে আসলে কী বোঝায়?
বিসমিল্লাহ্ ভ্যারাইটিজ স্টোর | 12:58am 16/05/21
ইহুদিদের নিজস্ব রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।
বিস্তারিত পড়ুন
ইসরায়েলকে আমেরিকা এত সমর্থন করে কেন?
বিসমিল্লাহ্ ভ্যারাইটিজ স্টোর | 12:38am 16/05/21
দুই-এক বছর আগে ইসরাইল সবসময় আমেরিকার সমর্থন পায় কেন তা নিয়ে ইংরেজী কোরায় বেশ কয়েকটি চমৎকার উত্তর পড়েছিলাম, ভেবেছিলাম সেগুলো একটু রিভিশন দিয়ে এসে আর কিছুক্ষণ গুগল ঘাটাঘাটি করে খুব সহজে উত্তরটি দিয়ে দেওয়া যাবে। কিন্তু বিধিবাম, ইংরেজি কোরায় গাদা গাদা প্রশ্ন মিলিত হয়ে সেই উত্তরগুলো আর খুঁজে পাওয়ার যো নেই। ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটি করেও খুব সহজে এই উত্তরের মূলে পৌঁছানো সম্ভব নয় কারণ বেশিরভাগ ওয়েবসাইটই প্রপাগান্ডার দৃষ্টিকোণ হতে লেখা এবং সবগুলো কারণ একসাথে গুছিয়ে পাওয়া যায় না। তবুও বিভিন্ন সূত্র ধরে ঘন্টার পর ঘন্টা ঘাটাঘাটি করে এবং স্মৃতিভান্ডার হাতড়ে একটি উত্তর দাড়া করালাম। আশা করি উত্তরটি যথেষ্ট নিরপেক্ষ এবং বিশ্লেষণধর্মী হয়েছে ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টান : আমেরিকার ইসরাইলের প্রতি সমর্থনের মূল কারণ খুব সম্ভবত এর ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টান সম্প্রদায়। ইভানজেলিক্যাল খ্রিষ্টান সম্প্রদায় হলো আমেরিকার সবচেয়ে বড় একক ধর্মীয় গোষ্ঠী যারা আমেরিকার মোট জনসংখ্যার ২৬ শতাংশ এবং মূলত দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে বাস করে ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টানদের ইজরাইলের কট্টর সমর্থক হওয়ার কারণ তারা মনে করে ইহুদিরা জেরুজালেমে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত পৃথিবীতে যিশুখ্রিস্টের পুনরাগমন হবে না। মুসলিমদের মত এরাও যিশুখ্রিস্টের পুনরুত্থানে বিশ্বাসী। যীশু খ্রীষ্ট নাকি পুনরায় পৃথিবীতে এসে আরমাগেডনের যুদ্ধে শয়তানকে পরাজিত করবে এবং ইহুদিরা খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করবে। এরপর এক হাজার বছর পৃথিবীতে শান্তি বিরাজ করবে। এই বিশ্বাসের কারণে ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টানেরা সবসময়ই ইসরাইলে ইহুদি বসতি স্থাপনের কট্টর সমর্থক এবং লবিং এর মাধ্যমে আমেরিকার রাজনীতিবিদদের উপর চাপ সৃষ্টি করে ইজরায়েলকে সমর্থন যোগানোর। নিচের ভিডিওটি দেখতে পারেন ইজরায়েল পন্থী লবিং : ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টানদের পাশাপাশি বিভিন্ন ইজরাইলপন্থী ইহুদি লবিং গ্রুপও সক্রিয় রয়েছে আমেরিকার ইসরাইলপন্থী নীতি গ্রহণের জন্য। ইজরাইল পন্থী লবিং গ্রুপগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল American Israel Public Affairs Committee - Wikipedia বা সংক্ষেপে আইপ্যাক যারা মূলত সিনেটর প্রার্থীদের রাজনৈতিক ক্যাম্পেইনে অর্থের যোগানের মাধ্যমে তাদের ইসরাইলকে সমর্থন জোগাতে বাধ্য করে। আইপ্যাক সরাসরি সিনেটরদের টাকা দেয় না তারা বরং ইসরাইলপন্থী ধনাঢ্য ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটির মাধ্যমে কংগ্রেসের সদস্য হতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের টাকা দেয় এই শর্তে যে তাদের ইসরাইলপন্থী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ব্যাপারটা আরেকটু খোলাসা করে বলা যাক, প্রতিবছর আইপ্যাকের বার্ষিক নীতিমালা নির্ধারণী কনফারেন্স যে হল রুমে বসে তার পাশের রুম গুলোতেই ধনাঢ্য দাতা এবং আইপ্যাক সমর্থিত নির্বাচনী প্রার্থীদের ডেকে আনা হয় কথা বলার জন্য। পাশের রুম গুলোর কার্যকলাপ সরাসরি আইপ্যাকের নামে পরিচালিত হয় না, সুতরাং এভাবে ইসরাইলপন্থী কংগ্রেস প্রার্থীদের অর্থের যোগান দেওয়াতে আইপ্যাকের ঘাড়ে দোষ পরে না। বিস্তারিত পড়ুন এখানে This Is How AIPAC Really Works আইপ্যাকের কংগ্রেসের উপর এতটাই প্রভাব যে এই ওপেন সিক্রেট নিয়ে কথা বলাও এক রকমের অপরাধ। এই বছরের শুরুর দিকে সোমালিয়ান বংশোদ্ভূত মার্কিন রিপ্রেজেন্টিভ ওমর ইলহান আইপ্যাকের লবিং নিয়ে কথা বললে তাকে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হতে হয়। তাকে ঢালাওভাবে "ইহুদি বিদ্বেষী" তকমা দেওয়া হয় এবং কংগ্রেসে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়। যেভাবে ডেমোক্রেট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষের কংগ্রেসম্যানেরাই তার পিছনে উঠে পড়ে লেগেছিল তাতেই প্রমাণিত আমেরিকার সিনেটে ইসরাইলি লবিং এর প্রভাব কতটা বেশি। ইন্টেলিজেন্স শেয়ারিং: ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এবং ইসরাইলের সাইবার নিরাপত্তা প্রদানকারী সংস্থা ইউনিট ৮২০০ হল বিশ্বসেরা যাদের সাথে কাজ করে আমেরিকা উপকৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে আমেরিকায় সক্রিয় থাকা এক হিজবুল্লাহ সদস্যকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য মোসাদের আমেরিকার সিআইএ'র সাথে ইন্টেলিজেন্স শেয়ারিং। এমনকি টুইন টাওয়ারে হামলার পূর্বাভাসও নাকি মোসাদ দিতে সক্ষম হয়েছিল। আর Operation Diamond - Wikipedia এর কথা তো না বললেই নয় যেখানে ইজরাইলের মোসাদ ইরাকি বিমান বাহিনী হতে একটি মিগ-২১ চুরি করে এনে আমেরিকার হাতে তুলে দেয়। ইসরাইল এবং আমেরিকা এই প্লেনের খুঁটিনাটি জেনে নেয়। কৃতজ্ঞতা স্বরূপ আমেরিকা ইসরাইলকে নিজের তৈরি এফ আর ফ্যান্টম যুদ্ধবিমান ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। সাইবার ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কথা বললে বলা যায় আমেরিকার সাইবার ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কাজ করা এনএসএ এবং ইজরাইলের ইউনিট ৮২০০ মিলে Stuxnet - Wikipedia নামে একটি ম্যালওয়ার তৈরি করে ইরানের নিউক্লিয়ার প্রোগ্রামের গতি শ্লথ করে দিতে। ইউনিট ৮২০০ তে কাজ করা অনেক যুবকই পরে সিলিকন ভ্যালিতে বিভিন্ন নামিদামি আইটি কোম্পানি খুলেছে (এমনকি আপনার ভাইবারও তাদের তৈরি) এটাও আমেরিকার ইজরায়েলের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার একটি বড় কারণ। আমেরিকার অস্ত্র পরীক্ষাগার : ইজরাইল আমেরিকার তৈরি অস্ত্রগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে কতটা পারফর্ম করবে তা পরীক্ষা করে দেওয়ার সুযোগ করে দেয় বিশেষ করে রাশিয়ার তৈরি অস্ত্রের বিরুদ্ধে। স্নায়ুযুদ্ধের সময় ইসরাইল ছিল মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মিত্র। মিশর, লেবানন, সিরিয়ার সাথে ইজরাইলের সামরিক সংঘাত লেগেই থাকত যারা সোভিয়েত ইউনিয়নের তৈরি অস্ত্র ব্যবহার করতো। মধ্যপ্রাচ্যে সোভিয়েত ইউনিয়নের মিত্রদের ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি আমেরিকায় প্রস্তুতকৃত অস্ত্র সোভিয়েত ইউনিয়নের অস্ত্রকে কতটা কাউন্টার দিতে পারবে তা পরীক্ষা করার বড় সুযোগ ইজরাইল এনে দিয়েছিল। ইসরাইলি প্রযুক্তি : আমেরিকা তার উন্নয়নের জন্য ইসরাইলি টেকনোলজির উপর নির্ভর করে। মাইক্রোসফট, আইবিএম, ইন্টেলের প্রধান প্রধান অনেক রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্ট সেন্টার ইজরাইলে রয়েছে। ইন্টেলের মাইক্রোপ্রসেসর উন্নয়নে ইজরায়েলি বিজ্ঞানীদের অসাধারণ অবদান রয়েছে। একটি মরুভূমি প্রধান দেশ হিসেবে ইজরাইল যেভাবে ড্রিপ সেচ, পানিকে আর্সেনিক এবং লবণমুক্ত করা সহ আরো বিভিন্ন টেকনোলজি আবিষ্কার করেছে তা আমেরিকা তার টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়ার মত মরু প্রধান উত্তপ্ত অঞ্চলগুলোতে কাজে লাগায়। ব্রাইটসোর্স ইন্ডাস্ট্রিস নামে একটি আমেরিকান কোম্পানি ইসরাইলি টেকনোলজি ব্যবহার করে সোলার প্যানেল তৈরি করছে যা আমেরিকার সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্বিগুণ করে দিবে How the U.S. Gains from Israel Alliance গণতন্ত্র : শুধু ইসরাইলপন্থী আমেরিকানদের নয় অন্যান্য গণতান্ত্রিক পাশ্চাত্য দেশের নাগরিকদেরও বলতে শুনেছি ইসরাইল হল আরব দেশের শরিয়া আইন দ্বারা বেষ্টিত (যা তাদের দৃষ্টিতে খারাপ), সন্ত্রাসী কবলিত অঞ্চলে একমাত্র গণতন্ত্র এবং শান্তির দিশারী। ইসরাইল ঠিক আমেরিকার মতোই জুডিও-ক্রিশ্চিয়ান মূল্যবোধের উপর গড়ে উঠেছে। একই সাথে এটি একটি গণতান্ত্রিক দেশও বটে যখন মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলো হয় স্বৈরতন্ত্র, রাজতন্ত্র বা অর্ধ গণতান্ত্রিক দেশ। ইজরায়েল পন্থী আমেরিকানদের অনেককেই ইসরাইলকে সমর্থন করার কারণ হিসেবে এই ব্যাপারটি উল্লেখ করতে দেখেছি তবে আমেরিকার রাষ্ট্র নীতিতে এর প্রভাব কতটা আমার জানা নেই কারণ আমেরিকা বছরের পর বছর ধরে নিজ স্বার্থে অনেক রাজতন্ত্র, স্বৈরশাসকদের পৃষ্ঠপোষকতা করে এসেছে। আমেরিকান ইহুদি গোষ্ঠী : এটা কারোরই অজানা নয় যে ইহুদীরা সংখ্যায় খুব কম হওয়া সত্বেও অত্যন্ত ধনী এবং মেধাবী। বিশ্ব জনসংখ্যার দশমিক ২ শতাংশ হওয়া সত্বেও নোবেল পুরস্কারের ২০ শতাংশই পেয়েছে ইহুদিরা। আমেরিকার ৪০০ বিলিয়নিয়ারের ৩৫% বিলিনিয়রই ইহুদি যদিও তারা সংখ্যায় আমেরিকার জনসংখ্যার দুই শতাংশেরও কম। অবশ্য বর্তমানের মার্কিনী ইহুদিরা ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক রক্ষায় আমেরিকার ওপর খুব চাপ প্রয়োগ করছে কিনা তা নিয়ে আমি নিশ্চিত নই। আমেরিকার ইহুদিদের সিংহভাগই ডেমোক্রেটকে ভোট দেয় যারা রিপাবলিকানদের তুলনায় তুলনামূলক কম ইসরাইলপন্থী। পিউ রিসার্চ অনুযায়ী আমেরিকান ইহুদিদের ৪০ শতাংশের মত মনে করে ইসরাইল প্যালেস্টাইনে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করছে। নতুন প্রজন্মের ইহুদিদের মধ্যে তীব্র ইজরাইলপ্রেম তুলনামূলক কম দেখা যায়। তবে এটা ধরে নেওয়া রিস্কি কিছু নয় যে আমেরিকার প্রভাবশালী ইহুদি সম্প্রদায় আমেরিকার ইসরাইলকে সমর্থন যোগানোর একটি মূল কারণ। আমেরিকান ইহুদিরা ইসরাইলকে নিয়ে কি ভাবে তা বিস্তারিত জানতে হলে নিচের লিংকটি পড়তে পারেন Jewish Americans' Connection With and Attitudes Toward Israel মুসলিম বিদ্বেষ : এসকল কারণ ছাড়াও আরেকটা ব্যাপার মাথায় আসছে তা হল মার্কিনীদের ইসলাম বিদ্বেষ। শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু বলে তো একটা কথা আছে, বিভিন্ন উগ্রপন্থী ইসলামিক গোষ্ঠী যেমন আইএস, তালেবান, আল-কায়েদার কারণে মুসলিমদের সম্পর্কে আমেরিকায় খুবই নেতিবাচক মনোভাব বিদ্যমান। যেহেতু ইসরাইল মুসলিমদের একটি শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচিত হয় তাই সাধারণভাবেই আমেরিকার জনসাধারণ ইজরায়েলের পক্ষালম্বন করে। মোদ্দা কথা বলতে গেলে আমেরিকা ইসরাইলের সম্পর্ক এত ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণ সেই অঞ্চলের জিওপলিটিক্স। ইসরাইল প্যালেস্টাইন সংকটের কারণে খুব দ্রুতই ইজরায়েলের আমেরিকার প্রভাব বলয় হতে বেরিয়ে যাবার কোন সম্ভাবনা নেই, আর এই সমস্যার সমাধান হলেও যে দুই দেশের সম্পর্কে খুব একটা পরিবর্তন আসবে তা আমি মনে করি না। কারণ হিসেবে বলবো উভয় দেশের কমন মূল্যবোধ এবং প্রযুক্তি নির্ভরতা যেখানে আরবদেশগুলো রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল এবং আমেরিকার সাথে সম্পর্ক ভালো রাখার ক্ষেত্রে অনেকটাই নিজেদের তৈল সম্পদের উপর নির্ভরশীল যার কোনটাই স্থায়ী নয়। তবে আমেরিকার ইসরাইলকে চির সমর্থন যোগানোর কারণ হিসেবে ইভানজেলিক্যাল খ্রিষ্টানেরা এবং আইপ্যাকের লবিংই মূল ভূমিকা পালন করছে। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
বিস্তারিত পড়ুন
ইসরাইল ফিলিস্তিন এর উপর কত অত্যাচার করে, ফিলিস্তিন প্রতিবাদ করে না কেন? তাদের কি নিজেদের সেনাবাহিনী বলতে কিছু নেই?
বিসমিল্লাহ্ ভ্যারাইটিজ স্টোর | 12:35am 16/05/21
এই প্রশ্নের উত্তর দেবার অনুরোধ পাবার পরও উত্তর দেবার ইচ্ছা ছিল না। কারণ এসব প্রশ্নের উত্তরের জন্য অনলাইনে ঘাটাঘাটি করলেই অনেক ডিস্টার্বিং তথ্য দেখলে মন টা খারাপ হয়ে যায়। মানবতা বলে কিছু দুনিয়াতে নেই, জোর যার মুল্লুক তার" এই কথাটিই চিরসত্য বলে মনে হয়। [1] ফিলিস্তিনিদের উপর অত্যচার গুলো খুবই হৃদয় বিদারক। অনলাইনে জায়গাটির নাম লিখলেই তাদের সাথে হয়ে যাওয়া হাজারো এমন খবর,ভিডিও চোখে পড়বে যা সুস্থ মানুষের দেখতেও কষ্ট লাগে। ➤ যেমন একটি ভিডিও তে দেখতে পেলাম একজন ফিলিস্তিন যুবক কাধে ব্যাগ নিয়ে কোথাও যেতে চাইলে একজন ইসরায়েলী সেনা তার পথ আটকে দায় এবং বন্দুক উঁচিয়ে সে যে পথ দিয়ে এসেছে সেই পথেই ফিরে যেতে বাধ্য করে। কিছু দূর যেতে ইসরায়েলী সেনাটি হঠাৎ তার উপর পেছনে থেকে গুলি করে মেরে ফেলনো!!! অথবা একটি প্রশ্ন জিজ্ঞাস করার কারণে ফিলিস্তিনির একটি লোককে মারতে থাকে ইসরায়েলের সেনারা। [2] ◑ ➤ কোভিক-১৯ এর এই সময় ফিলিস্তিনি কোভিক-১৯ এর পরিক্ষা করা যায় এমন একমাত্র হাসপাতাল ঘুরিয়ে দিয়েছে ইসরায়েলীরা যেন ফিলিস্তিনিরা কোভিক-১৯ এর টেস্ট না করতে পারে। তথ্যসূত্রঃফুটনোটের ( [3] ) নম্বর লিংক দেখুন । ◑ ➤ আবার দেখা গেল এক ফিলিস্তিনির বাড়ি তাদের চোখের সামনে ভেঙ্গে ফেলছে ইসরায়েলিরা। ফিলিস্তিনের পরিবারটি কান্নাকাটি করছে আর বলছে হায়! ঈশ্বর, আমরা এখন কোথায় যাব। বাড়ির মালিক হয়তো ইসরায়েলের জেলে বন্দি অথবা ইসরায়েলের গুলিতে মারা গেছে। শেষে মহিলাই লাঠি হাতে নেমে আসে বাড়িটা রক্ষা করতে। তথ্যসূত্রঃফুটনোটের ( [4] ) নম্বর লিংক দেখুন । এছাড়াও [5] ◑ ➤ এক ছোট ছেলে ক্লাস ৩-৪ হবে এমন বাচ্চা কে ইসরায়েলীরা সেনা ধরে নিয়ে যাচ্ছে।অভিযোগ সে পাথর ছুড়েছে। কয়েকজন মহিলা এসে সেনাদের সাথে ধস্তাধস্তি করছে ছেলেটাকে রক্ষার জন্য। সেনারা ফাকাগুলি ছুড়ে মহিলাগুলোকে সরানোর চেষ্টা করছে। তথ্যসূত্রঃ https://youtu.be/-4YkYVYGezw এছাড়াও [6] ◑➤ আরেক জায়গায় এক ফিলিস্তিনিকে রাস্তায় শুতে বলে বন্দুক চালিয়ে দিল ইসরায়েলের সেনা। ফিলিস্তিনিদের রাস্তার যেখানে সেখানে ধরে বন্দুক উচিয়ে হত্যার হুমকি দেয়া হয় এবং এমন খবরও নতুন নয়। ◑ ➤ এক মহিলার বাড়ির তার নিজের বাড়ির সামনের বাগান থেকে খাবার পানি নিয়ে আসতে পারে না। ইসরায়েলের সেনার অনুমতি ছাড়া। যখন তখন তল্লাশির নামে সেনারা ফিলিস্তিনি এলাকায় তাদের বাড়ি তল্লাসি করে। বাড়ির বৃদ্ধ এর প্রতিবাদ করতে গেলে তার উপর গুলি চালিয়ে দেওয়া হয়। [7] এছাড়াও [8] ◑➤ চোখের সামনে বাড়ি ঘুড়িয়ে দিলেও কিছু করার থাকে না ফিলিস্তিনিদের। বেদখল হয়ে যায় তাদের জায়গা একটু একটু করে কমতে থাকে ফিলিস্তিনি বাড়তে থাকে ইসরায়েল। ছবি ও তথ্য সূত্রঃ Israel's Occupation: 50 Years of Dispossession pic-2 ◑ ➤ প্রতিবছর সারা বিশ্ব থেকে ইহুদিরা ইসরায়েলের মাইগ্রেশন করে আর একটু একটু করে ফিলিস্তিনিদের জমি দখল হয়ে যায়। ইসরায়েলের ইমিগ্রেশন সাইটের ২০১৭ সালের তথ্যা মতে ২২,৯০০ জন সিরিয়ার হতে দখলকৃত গোলান মালভূমি (গোলানহাইট)এবং ২,১৫,৯০০ জন পূর্ব জেরুজালেমে বসতি-স্থাপন করেছে। ছবি ও তথ্য সূত্রঃFacebook যাইহোক, প্রশ্ন টি আসলে ফিলিস্তিনিদের কিভাবে অত্যাচার করা হয় সেটা নয়। তো কথা হচ্ছে ফিলিস্তিনিরা প্রতিবাদ করে না কেন? কথা হচ্ছে ফিলিস্তিনিরা করার মত তো কেবল এক প্রতিবাদই করতে পারে। আর বড় জোড় গেলে পাথর মারতে পারে এছাড়া তাদের আর কি করার আছে।যে রাষ্ট্রের পেছনে আমেরিকা আছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেও কি আদৌ ফিলিস্তিনিরা কিছু আদায় করতে পেয়েছে আজ পর্যন্ত? ধীরে ধীরে অল্প অল্প করে জমি দখল হয়েছে, সন্তানেরা ইসরায়েলের জেলে বন্দি হয়েছে। ছবি ও তথ্য সূত্র: Recent demolitions and the announcement of more Israeli settlement units in the Occupied West Bank বিশ্বের নানান প্রান্ত থেকে ইহুদিরা মাইগ্রেড করে ইসরায়েলে চলে যায় সেখানে তারা ফিলিস্তিনির অঞ্চলের ভেতরে বস্তিস্থাপন করছে। আদৌতে তারা স্বাধীন নয় আর তাদের প্রতিবাদে কিছু যায় আসে না। তাদের ব্যবসা বানিজ্য কেড়ে নেয়া হয়েছে। এখন তারা পেট বাচাতে বাধ্য হয়ে ইসরায়েলের স্থাপন করা কোম্পানিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে। প্রতিবাদ করতে গিয়ে অনেক ফিলিস্তিনি গুলি খেয়ে মারা যায়। অনেকের বাবা, ভাই জেলে বন্দি থাকে। নিচের লিংকে গিয়ে দেখতে পারেন কিভাবে পরিবারের পুরুষদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। ➤➤➤ link:فتاة حرة পরিবারের বাবা, ভাই না থাকলে পরিবার কিভাবে চলে সেটা তারাই ভাল করে জানে। যেখানে জমির অধিকার নেই। ব্যাবসার সুযোগ নেই। সেখানে বেকারত্ব বেশি। তার উপরও যখন ইসরায়েলের বোমায় রাতের আধারে ঘুমন্ত অবস্থায় সারা ভবন ধসে পড়ে তখন হাজারো ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়। অনেকের প্রতিবাদ করতে গিয়ে হাত, পা হারায় তাই বলে প্রতিবাদ তো আর থেমে নেই। তবে তারা প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেছে কিন্তু শুনার নেই কেউ। OIC বিবৃতি আর UN এর নিন্দা ছাড়া তাদের কান্না ও চিৎকার কোন কাজে আসে নি আজ পর্যন্ত । ✪✪✪ এক সময় ইহুদিরা ইউরোপে আক্রমণের শিকার হয়েছিল। ইউরোপে ইহুদিদের একটি সমস্যা হিসেবে দেখা হত। ২য় বিশ্ব যুদ্ধের সময় ইহুদিরা জীবন বাচাতে জেরুজালেমে আসতে শুরু করে। আজ ইউরোপের ইহুদি সমস্যা শেষ হয়েছে। কিন্তু এখন ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সমস্যা শুরু হয়েছে। যেহেতু ইউরোপের ইহুদি আপদ অন্যের ঘাড়ে গিয়েছে তাই ইউরোপীয়রা এ নিয়ে চিন্তা করতে চান না। অথচ ইসরায়েল- ফিলিস্তিনি সমস্যায় ইউরোপের ইহুদি নিধনের কারণেই শুরু হয়। তাদের সেনাবাহিনী নেই? তারা কিছু করে না? ফিলিস্তিনিদের আসল রাজনৈতিক সমস্যা কি সেটা আমরা আদৌ বুজি না। আমরা অনেকেই মনে করি ফিলিস্তিনি একটা দেশ। কিন্তু যখন দেখি ফিলিস্তিনিরা আন্দোলন করছে Free Palestine বলে তখন মাথায় চক্কর কাটে যে এরা যদি দেশ হয় তাহলে এমন স্লোগান কেন। ফিলিস্তিনি দুটি ভাগ একটি West bank অপরটি গাজা উপত্যকা। দুটি জায়গার মানুষ একজন আরেকজন থেকে বিচ্ছিন্ন। তাদের ফিলিস্তিনি সংগ্রামের জন্য দুটি বাহিনী আছে একটি হামাস অন্য টি ফাতাহ। হামাস গাজা উপত্যকার একটি মিলিশিয়া বাহিনী যেটি গাজার সেনাবাহিনীর কাজ করে। মানে গাজাকে ইসরায়েলের হাত থেকে রক্ষা করে। (#) ফাতাহ west bank এর মিলিশিয়া বাহিনী । বর্তমানে তাদের কর্মকান্ড খুব একটা চোখে পড়ে না। ফিলিস্তিনির স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতা ইয়াসির আরাফাত মৃত্যুর পর ফাতাহ এর কর্মকাণ্ড ধীরে ধীরে কমে এসেছে। ফিলিস্তিনি নিজেদের মধ্যে বর্তমানে Palestine National security Force গঠন করেছে Oslo agreement অনুযায়ী । এরা ফিলিস্তিনিদের মিলিটারি বাহিনী বলা হলেও এদের আসলে আর দশটা দেশের মিলিটারি বাহিনীর সাথে তুলনা দেয়া যায় না। কারণ এদের সে রকম সক্ষমতা নেই। এদের প্রশিক্ষণ হয় অনেকটা পুলিশ বাহিনীর মত। অস্ত্র যা আছে তা ইসরায়েলের তুলনার কিছুই নয়। নেই আধুনিক ট্যাংক রেজিমেন্ট। আসলে এরা আমেরিকা ও তার মদপুষ্ট ইসরায়েলের কাছে কিছুই না। এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনির স্বাধীনিতা সংগ্রামের জন্য তাদের অনেক প্রাণ দিতে হয়েছে। (#) গাজা উপত্যকার হামাস বাহিনী দ্বারা ইসরায়েলে রকেট হামলার কথা সবাই জানি। তবে আদৌতে তাদের যেসব রকেট আছে সেগুলো হাতে তৈরী। সেগুলোর কেবল আর্টিলারি রকেটের মত ছোড়া যায়। রকেট ছোড়ার পর কোথায় গিয়ে পড়বে কেউ জানে না। এগুলো খুবই নিম্ন মানের। তথ্যসূত্রঃWikipedia এছাড়া হামাসের ছোট বাহিনীর কাছে কিছু অস্ত্র,সুট আছে সেগুলো বলার মত না। ইসরায়েল দ্বারা একপ্রকার ক্যাম্পের মত আটকে থাকার কারণ তাদের নিরুপায় অবস্থায় মার খাওয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই। তবুও হামাসের সংগ্রাম থেমে থাকে না। মাঝেমাঝে ঘুড়ি তে বোমা লাগিয়ে সেই ঘুড়ি উড়িয়ে অথবা বেলুন ফুলিয়ে তাতে বোমা লাগিয়ে ইসরায়েল বিমান হামলার জবাব দেবার চেষ্টা করতে দেখা যায়। সবশেষে এ থেকে বুজা যায় তাদের সেভাবে কোন সেনাবাহিনীর নেই। যা সেনাবাহিনীর আছে সেটা আসলে পুলিশ বাহিনীর সমতুল্য যেটা যে কোন প্রকার সামরিক প্রতিবাদ গড়ে তুলতে সক্ষম নয়। Dr norman finkelstein একজন ইহুদি। যার পরিবার জার্মান হিটলারের ইহুদি নির্যাতিত ক্যাম্পগুলোতে ছিলেন। তার একটি উক্তি দিয়ে উত্তর শেষ করছি " তোমার যদি একটি হৃদয় থেকে থাকে তবে সেটি ফিলিস্তিনিদের জন্য কাদবে " ধন্যবাদ ফুটনোটগুলি [1] https://youtu.be/Ygi--Mnys24 [2] https://youtu.be/-p0jOkDgmP8 [3] Israel soldiers destroy Palestinian coronavirus testing centre [4] Soapbox [5] https://youtu.be/UZF6hDJ645k [6] https://youtu.be/-4E4-RZ28j8 [7] https://youtu.be/EgbyaKKJ_r8 [8] https://youtu.be/acuZBuGkcwQ
বিস্তারিত পড়ুন
ফিলিস্তিনের বাইরে, ইসরাইলে কি মুসলিম বসবাস করে? তাদের পরিস্থিতি কি ফিলিস্তিনিদের মতোই?
বিসমিল্লাহ্ ভ্যারাইটিজ স্টোর | 12:34am 16/05/21
ধন্যবাদ প্রশ্নটির জন্য। হ্যাঁ, ফিলিস্তিনের বাইরে ইসরায়েল ভূখণ্ডে প্রায় কুড়ি শতাংশের মতো মুসলিম বসবাস করেন এবং তারা ইসরায়েলের নাগরিক। এর মধ্যে প্রায় আঠেরো শতাংশ মানুষ আরব অথবা মিশ্র আরব বংশোদ্ভুত। এছাড়াও নেজেভ মরুভূমিতে বিশাল সংখ্যক নেজেভ বেদুইন বসবাস করেন। সেই সাথে গ্যালিলি অঞ্চলে আছে রুশ সাম্রাজ্য থেকে বিতাড়িত ও অটোমানদের অনুগত সিরকাশিয়ান বা আদিগে’খের সম্প্রদায়। এরাও মুসলিম। আরব বংশোদ্ভুত ইসরায়েলি মুসলিমরা ফিলিস্তিনিদের চেয়ে ব্যতিক্রমী। তাদের কাছে আছে ইসরায়েলের সকল নাগরিক সুযোগসুবিধে, সেই সাথে ইসরায়েলের পাসপোর্ট। যদিও এ নাগরিক অধিকার পেতে তাদের সংগ্রাম করতে হয়েছে গত শতকের ষাটের দশকের শেষ পর্যন্ত। রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর ইসরায়েল তার আরব প্রতিবেশীদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় যার কারণে ইসরায়েলকে মেনে নেয়া আরব নাগরিকরা সন্দেহের শিকার হয়ে পড়ে। ১৯৬০ পর্যন্ত ধরপাকড়, সম্পত্তি বেদখল ও নির্যাতন ছিল ইসরায়েলে বসবাসরত আরবদের নিয়তি। অনেকেই জর্দান, লেবাননসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে স্থানান্তরিত হন। ১৯৬০ এর পরে ইসরায়েলের আরব মুসলিম নাগরিকরা ইসরায়েল কর্তৃপক্ষকে বোঝাতে সক্ষম হন যে তাঁরা ফিলিস্তিনি না কিংবা স্বাধীন ফিলিস্তিন নিয়ে তাঁদের কোনও মাথাব্যথা নেই। তাঁরা শুধু চান উপনিবেশের অবসান ঘটিয়ে আসা স্বাধীন সরকারের কাছে তাদের নাগরিক মর্যাদা ও ভোটাধিকার। অবশেষে, ১৯৬৬ সালে সামরিক আইন অবসানের পর, ইসরায়েলের আরব মুসলিমরা তাদের নাগরিক সুবিধে পেতে শুরু করেন। তবে বিভিন্ন ইস্যুতে প্রায়ই ইহুদি-আরব দাঙ্গার কথা শোনা যায়। শুধু তাই নয়, ২০০০ সালে ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলন (ইন্তিফাদা) ও ২০০৬ সালে হিজবুল্লার ইসরায়েল আক্রমণের সময়ে ইসরায়েলের আরব মুসলিমরা ইহুদি দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিকদের কাছে বিশ্বাসঘাতক অপবাদ লাভ করে। আরবরাও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে হিজবুল্লার হামলার সময়ে সুরক্ষা না দেয়ার জন্য ইসরায়েলকে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী বলে আখ্যা দেয়। ইসরায়েলের সংবিধান অনুযায়ী আরবি ইসরায়েলের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা ও উচ্চশিক্ষার মাধ্যম হওয়ায়, ইসরায়েলি আরব মুসলিমদের বেশিরভাগই উচ্চশিক্ষিত। যদিও এ সংখ্যা তাদের ইহুদি পড়শিদের তুলনায় কিছুটা কম। বেশিরভাগ ইসরায়েলি মুসলিম শিক্ষকতা, ব্যবসা, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও রাজনীতিতে জড়িত। প্রবাসী ইসরায়েলিদের খুব কম সংখ্যকই আরব। ইসরায়েলের সুরক্ষা বাহিনীতে আছে আরবদের জন্য আলাদা কোটা, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলো বেদুইন বিগ্রেড। নেজেভ বেদুইন আরবরা ইসরায়েল রক্ষা বাহিনীর হয়ে অনেক যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন, এমনকি ফিলিস্তিনের বিপক্ষেও। বিখ্যাত ট্রাভেল ভ্লগার ও ফেসবুকে নাস ডেইলি নামক বিখ্যাত পাতাটির জনক, নুসেইর ইয়াসিন একজন আরব বংশোদ্ভুত ইসরায়েলি মুসলিম। এবার আসি আরবদের পর অন্যতম বিখ্যাত ইসরায়েলি মুসলিম সম্প্রদায়, সিরকাশিয়ানদের ব্যাপারে। ককেশাস অঞ্চলে রুশ অভিযানের পর সিরকাশিয়ানরা রুশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। যুদ্ধে পরাজিত অনেক সিরকাশিয়ান রুশ সাম্রাজ্য থেকে বিতাড়িত হয়ে অটোমান সাম্রাজ্যে প্রবেশ করে। অটোমানরা এই বিপুল শরণার্থীকে পূর্ব আনাতোলিয়া ও পশ্চিম আর্মেনিয়া (দক্ষিণ পূর্ব আনাতোলিয়া) তে পুনর্বাসন করে। বিনিময়ে সিরকাশিয়ানরা অটোমানদের পূর্ণ অনুগত হওয়াতে, অটোমানরা গ্যালিলি অঞ্চলে বিশাল উর্বর ভূখণ্ড সিরকাশিয়ানদের স্থায়ী বসতির জন্য দান করে। মূলতঃ গ্যালিলি অঞ্চলে আরব বিচ্ছিন্নতাবাদীদের খর্ব করার জন্যই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। আরবরা কিন্তু উড়ে এসে জুড়ে বসা সিরকাশিয়ানদের মোটেই মেনে নেয়নি, যদিও সিরকাশিয়ানরাও ধর্মপ্রাণ মুসলিম। নিজেদের দক্ষতায় ফসলের ফলন ও রাজস্ব দুটোই বাড়ানোর মাধ্যমে অটোমানদের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করায় সিরকাশিয়ানরা আরবদের বিচ্ছিন্নতাবাদ দমনের দিকে মন দেয়। এ কাজে সহায়ক হিসেবে তারা পেয়ে যায় গ্যালিলি ইহুদিদের, যারা স্পেন ও ইতালি থেকে অটোমান সাম্রাজ্যে স্থানান্তরিত হয়েছিল উদার অটোমান শাসকদের সময়ে। সিরকাশিয়ান ও ইহুদিদের দাপটে আরবরা গ্যালিলির উর্বর অঞ্চল থেকে বিতাড়িত হয়ে মৃতসাগর ও জর্দন নদীর উপত্যকায় বসতি স্থাপন করে। অটোমানদের পতনের পর ব্রিটিশদের সাহায্যে আরবরা সিরকাশিয়ান গ্রামগুলোতে পুনরায় ফিরে আসে এবং হাঙ্গামা ও রক্তক্ষয়ের মাধ্যমে সিরকাশিয়ানদের বিতাড়িত করে। এ সময়ে অনেক সিরকাশিয়ান তাদের পুরোন দেশ ককেশাসে ফিরে যান, কারণ ততদিনে তাদের মূল শত্রু রুশ সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে। প্রথম থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাঝের সময়টুকু গ্যালিলি অঞ্চল প্রায় সিরকাশিয়ান শূন্য হয়ে পড়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গ্যালিলি পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে আরবদের বিপক্ষে ইহুদিদের সাহায্য চায় সেই মুষ্টিমেয় সংখ্যক সিরকাশিয়ানরা। পুরোন বন্ধু হিসেবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় ইহুদিরা। অবশেষে গ্যালিলি অঞ্চলে সম্ভব হয় সিরকাশিয়ানদের পুনর্বাসন। সেই সাথে সিরকাশিয়ানরা ইসরায়েল সুরক্ষা বাহিনীতে পাকাপোক্ত করে নেয় তাদের স্থান। এখনও ইসরায়েল সীমা সুরক্ষা বলে ইহুদিদের চেয়েও সিরকাশিয়ানদের স্থান সর্বাগ্রে। বিখ্যাত ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ -এও সিরকাশিয়ানদের নিয়োগ করা হয়। ক্রীড়াঙ্গনেও কম যায় না সিরকাশিয়ান ইসরায়েলিরা। ইসরায়েল ফুটবল দলের অধিনায়ক বিবরাস নাটখো একজন সিরকাশিয়ান। তার খুড়তুতো ভাই নীলি নাটখোও ইসরায়েলের পক্ষে খেলতেন, যিনি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। নিজেদের গ্রামকে ইসরায়েলের আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র করার জন্য সিরকাশিয়ানরা “আমার বাড়ি, আমার খাবার, পর্যটকদের জন্য” এই কর্মসূচী শুরু করেছে। সিরকাশিয়ানরা ২০০৯ সালে একটি বিক্ষোভ করে ইসরায়েল সরকারের বিরুদ্ধে। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা ও সরকারি সাহায্য না মেলাই এর মূল কারণ। আদিগে’খের বা সিরকাশিয়ান ভাষা যেহেতু ইসরায়েলের দাপ্তরিক ভাষা নয় তাই শিক্ষার ক্ষেত্রে সিরকাশিয়ানদের হিব্রু বা আরবি ভাষার ওপরে নির্ভর করতে হয়। তাই তাঁরা তাঁদের নিজেদের ভাষায় দাপ্তরিক অধিকার আদায়ের জন্য এ আন্দোলন করেন। অবশেষে ২০১৫ সালে আদিগে'খের বা সিরকাশিয়ান ভাষা ইসরায়েলের অন্যতম সংখ্যালঘু স্বীকৃত ভাষা হিসেবে মান্যতা পায় এবং সিরকাশিয়ানরা প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে হিব্রু/আরবি ছাড়াও সিরকাশিয়ান ভাষায় অধ্যয়নের সুযোগ পায়। এছাড়াও ইসরায়েল-সিরিয়া সীমান্তে গোলান অঞ্চলে কুর্দি ও কিছু তুর্কিও বসবাস করেন। লেবানন সীমান্তে শিয়া ও আলেবীদের দেখা মিলবে। আর তেলআবিবের উপকণ্ঠে আছে আহমদিয়া সম্প্রদায়ের বসবাস। ১৫% আরব ও অন্যান্য মুসলিম ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ করেন, যদিও তাঁদের মতে তাঁদের ইহুদি প্রতিবেশিরা তাঁদের প্রতি সদাচরণ ও সহানুভূতিশীল আচরণ করে থাকেন।
বিস্তারিত পড়ুন
শিয়ারা কি মুসলমান?
বিসমিল্লাহ্ ভ্যারাইটিজ স্টোর | 12:31am 16/05/21
শিয়ারা কি মুসলিম নাকি কাফির?-এই নিয়ে অনেকের মধ্যে সংশয় দেখা যায়. অনেকেই শিয়া-দেরকে আরেকটি মাজহাব বা আরেকটি হিজব হিসাবে ভেবে থাকেন। অনেকেই জানতে চান শিয়া-সুন্নীর মধ্যে পার্থক্যটা কি ? (বিশেষত সিরিয়া,ইরাক সহ বিভিন্ন জায়গায় শিয়া-সুন্নী যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এ প্রশ্নগুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাড়াচ্ছে) । এই প্রশ্নগুলোর সরাসরি উত্তর অনেকের পক্ষে “গোড়ামী” মনে হতে পারে, তাই প্রশ্নের উত্তরে না গিয়ে শিয়া বিশ্বাসের কিছু দিক তুলে ধরছি। নিজেরাই বিচার করে নেবেন শিয়ারা, মুসলিম কিনা। ১) শিয়া আকীদা এবং শিরক ১২ ইমাম-এ বিশ্বাস ইমামী শিয়াদের ঈমানের অংশ বা আরকানুল ইমান। তারা ইমামদের কিছু নির্দিষ্ট গুনাবলী, দৈব ক্ষমতা ইত্যাদিতে বিশ্বাস করে যা তাওহীদ এর পরিপন্থী এবং শিরক। প্রথমত, তারা বিশ্বাস করে যে ইমামরা সকল ভুলের উর্ধে (infalliable)। এমনকি দুর্ঘটনা বশতঃ অথবা মনের ভুলেও তারা কোনো ভুল কাজ, এমনকি ভুল চিন্তাও করতে পারে না। ১ অথচ শুধু আল্লাহই সকল ভুলের উর্ধে এবং আল্লাহর গুনাবলীর কোনো অংশীদার নেই। এটি শিরক-আল-আসমা ওয়াস-সিফাত এবং নিশ্চিতভাবে কুরআনের পরিপন্থী। فَاطِرُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ جَعَلَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا وَمِنَ الْأَنْعَامِ أَزْوَاجًا يَذْرَؤُكُمْ فِيهِ لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ وَهُوَ السَّمِيعُ البَصِيرُ তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের স্রষ্টা। তিনি তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্যে যুগল সৃষ্টি করেছেন এবং চতুস্পদ জন্তুদের মধ্য থেকে জোড়া সৃষ্টি করেছেন। এভাবে তিনি তোমাদের বংশ বিস্তার করেন। কোন কিছুই তাঁর অনুরূপ নয়। তিনি সব শুনেন, সব দেখেন। [আল কুরআন- ৪২-১১] শিয়ারা ইমামদের সর্ব-জ্ঞানী, সর্ব-দ্রষ্টা দাবী করে অর্থাত তারা অতীত,বর্তমান এবং ভবিষ্যতের সকল কিছু সম্পর্কে জ্ঞাত ১,২. । তারা বিশ্বাস করে ইমামরা নিজেদের মৃত্যুর স্থান-কাল সম্পর্কেও অবগত। অথচ শুধু আল্লাহই সর্বজ্ঞানী, আল আলীম. আল্লাহু কুরআন-এ বলেন: إِنَّ اللَّهَ عِندَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ وَيَعْلَمُ مَا فِي الْأَرْحَامِ وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ مَّاذَا تَكْسِبُ غَدًا وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ بِأَيِّ أَرْضٍ تَمُوتُ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ নিশ্চয় আল্লাহর কাছেই কেয়ামতের জ্ঞান রয়েছে। তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং গর্ভাশয়ে যা থাকে, তিনি তা জানেন। কেউ জানে না আগামীকল্য সে কি উপার্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন দেশে সে মৃত্যুবরণ করবে। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত। [আল কুরআন- ৩১:৩৪] ইমামী শিয়ারা বিশ্বাস করে যে সমগ্র সৃষ্টি বা মাখলুক, এমনকি এক একটি অনু-পরমানুও ইমামরা নিয়ন্ত্রন করেন ৩ (Al Wilayah at Takwiniyah)। এটি আল্লাহর রুবুবিয়াহ-এর ( তাওহীদ আর রুবুবিয়াহ) পরিপন্থী । আল্লাহু কুরআন-এ বলেন: قُلِ الْحَمْدُ لِلَّهِ وَسَلَامٌ عَلَى عِبَادِهِ الَّذِينَ اصْطَفَى آللَّهُ خَيْرٌ أَمَّا يُشْرِكُونَ أَمَّنْ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَأَنزَلَ لَكُم مِّنَ السَّمَاء مَاء فَأَنبَتْنَا بِهِ حَدَائِقَ ذَاتَ بَهْجَةٍ مَّا كَانَ لَكُمْ أَن تُنبِتُوا شَجَرَهَا أَإِلَهٌ مَّعَ اللَّهِ بَلْ هُمْ قَوْمٌ يَعْدِلُونَ বল, সকল প্রশংসাই আল্লাহর এবং শান্তি তাঁর মনোনীত বান্দাগণের প্রতি! শ্রেষ্ঠ কে? আল্লাহ না ওরা-তারা যাদেরকে শরীক সাব্যস্ত করে। বল তো কে সৃষ্টি করেছেন নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল এবং আকাশ থেকে তোমাদের জন্যে বর্ষণ করেছেন পানি; অতঃপর তা দ্বারা আমি মনোরম বাগান সৃষ্টি করেছি। তার বৃক্ষাদি উৎপন্ন করার শক্তিই তোমাদের নেই। অতএব, আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? বরং তারা সত্যবিচ্যুত সম্প্রদায়। [আল কুরআন- ২৭:৫৯-৬০] তারা এও বিশ্বাস করেন যে ইমামদের কাছে ইবাদত করা গ্রহণযোগ্য। এটি তাওহীদ আল ইবাদাহ-এর পরিপন্থী। ৪ আল্লাহু কুরআন-এ বলেন: وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَّسُولاً أَنِ اعْبُدُواْ اللّهَ وَاجْتَنِبُواْ الطَّاغُوتَ فَمِنْهُم مَّنْ هَدَى اللّهُ وَمِنْهُم مَّنْ حَقَّتْ عَلَيْهِ الضَّلالَةُ فَسِيرُواْ فِي الأَرْضِ فَانظُرُواْ كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الْمُكَذِّبِينَ আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে, তোমরা আল্লাহর এবাদত কর এবং তাগুত থেকে নিরাপদ থাক। অতঃপর তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যককে আল্লাহ হেদায়েত করেছেন এবং কিছু সংখ্যকের জন্যে বিপথগামিতা অবধারিত হয়ে গেল। সুতরাং তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ মিথ্যারোপকারীদের কিরূপ পরিণতি হয়েছে। [আল কুরআন-১৬:৩৬] আলাউই/নুস্রায়রী-রা আরো ভয়ানক শিরক করে থাকে. তারা (নাসারা-দের মতো ) ত্রিত্ব বা ট্রিনিটি-তে বিশ্বাস করে এবংতা তিনটি আরবী অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করে (ع ، م ، س) তাদের মতে, আলী(রা:)হচ্ছেন উপাস্য, রাসুল (সা: ) হচ্ছেন উপাস্যের সংসর্গ লাভের পথ এবং সালমান আল-ফার্সী (রা:)হচ্ছেন বিশ্বাসীদের আশ্রয়. তাদের মতে আল্লাহ এবং আলী এক এবং অভিন্ন। ৫ وَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنكُمْ وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَيَسْتَخْلِفَنَّهُم فِي الْأَرْضِ كَمَا اسْتَخْلَفَ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ وَلَيُمَكِّنَنَّ لَهُمْ دِينَهُمُ الَّذِي ارْتَضَى لَهُمْ وَلَيُبَدِّلَنَّهُم مِّن بَعْدِ خَوْفِهِمْ أَمْنًا يَعْبُدُونَنِي لَا يُشْرِكُونَ بِي شَيْئًا وَمَن كَفَرَ بَعْدَ ذَلِكَ فَأُوْلَئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসনকর্তৃত্ব দান করবেন। যেমন তিনি শাসনকতৃêত্ব দান করেছেন তাদের পূর্ববতীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে, যা তিনি তাদের জন্যে পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয়-ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদেরকে শান্তি দান করবেন। তারা আমার এবাদত করবে এবং আমার সাথে কাউকে শরীক করবে না। এরপর যারা অকৃতজ্ঞ হবে, তারাই অবাধ্য। [আল কুরআন-২৪:৫৫] ২) শিয়াদের কালিমা শিয়াদের কালিমা-ই-তায়িইবা আহলুস-সুন্নাহ-ওয়া’আল জামাহ থেকে ভিন্ন, সঠিক কালিমার সাথে তারা আরেকটি অতিরিক্ত অংশ যোগ করে । তাদের সম্পুর্ন কালিমা হলো: La ilaha illallaho Mohammad-ur Rasool Allah Ali-un Wali Ullah Wasi-o Rasool Allah wa Khalifato hu bila fasl. ৩) কুরআন এবং শিয়া বিশ্বাস শিয়ারা কুরআন-এর বিশুদ্ধতায় বিশ্বাস করেনা। তারা বিশ্বাস করে কুরআনকে বিকৃত করা হয়েছে, একে তারা বলে “তাহরীফ” । একাধিক ক্লাসিকাল বই-এ কুরআন-এর বিকৃতি বা “তাহরীফ” এর উল্লেখ করা হয়েছে। মোল্লা মুহসিন কাশানি এর উদৃতি দিয়ে বলা হয়: “আহলুল বায়ত এর প্রথা এবং হাদিস থেকে এটা নিশ্চিত যে রাসুল (সা: ) এর কাছে যে কুরআন কুরআন নাজিল হয়েছে তা সম্পূর্ণ আর সঠিক রূপে আজকে আর নেই। এমন আয়াত আছে যা সত্যিকার ওহীর সাথে সাংঘর্ষিক; এমন আয়াত আছে যা বিকৃত এবং এমনসব আয়াত আছে যেখান থেকে আলী এবং আহলুল বায়াত এর নাম মুছে ফেলা হয়েছে। মুনাফিকদের নাম গোপন করা হয়েছে. ২৭ শিয়াদের প্রধান তাফসীর গ্রন্থ আল-কুম্মী তে বলা হয়েছে: (মূল অর্থ ঠিক রাখার জন্য সরাসরি ইংরেজি দেওয়া হলো) “Therefore, part of the Qur’an is an Abrogator and Abrogated, part is clear (Muhkam) and part is ambiguous (Mutashabih), part is in the general context, and part is particularized, part of it was placed forward and part is placed in the rear, part of it is severed and part of is connected, part of it is a letter in a place of another, and part of it is contrary to the manner revealed by Allah. তাফসির আল আয়্য়াশী-তে ইমাম জাফর সিদ্দিকীর উধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, “আল্লাহর কালামে সংযোজন-বিয়োজন না করে হলে, ইমামতি-তে আমাদের অধিকার যেকোনো সুস্থ মানুষের কাছে প্রশ্নাতীত হত”। ২৮ এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে অনেক শিয়া, তাহরীফ অস্বীকার করেন. এটা একারণে হতে পারে যে ১) তারা ব্যাক্তিগত ভাবে তাহরীফ-এ বিশ্বাস করেন না অথবা ২) তারা সত্য গোপন করছে, যা তাদের ধর্ম-বিশ্বাস এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। (তাকিইয়াহ) শিয়াদের কুরআন সম্পর্কে মিথ্যা, বানোয়াট দাবীগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো: মূল কুরআন আলী (রা: ) দ্বারা সংকলিত। মূল কুরআন-এ ১৭০০০ আয়াত আছে এবং তা “ইমাম” মাহদীর কাছে আছে. তার আগমনের পর, আবার মূল কুরআন তেলাওয়াত করা হবে। ২৯ আবু বকর (রা:), উমার (রা: ) এবং উসমান (রা: ) কুরআন বিকৃত করেছেন।৩০ সুরাহ আহযাব- প্রকৃতপক্ষে সুরা বাকারা-এর মতো বড় একটি সুরাহ. কিন্তু এর থেকে রাসুল (সা: ) এর বংশ ( বায়ত) সংক্রান্ত আয়াত মুছে দেওয়া হয়েছে। ৩১ সুরাহ ইনশিরাহ এর শেষে “এবং আল্লাহ আলী-কে আপনার জামাতা বানিয়েছেন” আয়াতটি মুছে দেওয়া হয়েছে। ৩২ সুরাহ ফুরকান এর ৭৪ এ আছে (অর্থ) : “এবং আমাদের মুত্তাকীনদের ইমাম করে দিন ” শিয়ারা দাবী করে সুরা ফুরকান-এর আয়াত ৭৪ টি “ভুল”; এই আয়াতটি হওয়া উচিত: “এবং আমাদের মুত্তাকীনদের ভিতর থেকে ইমাম দিন” ৩২ এছাড়াও সুরা আর রহমান সহ আরো বিভিন্ন সুরাহ পরিবর্তিত বলে তারা বিশ্বাস করে। অথচ আল্লাহ কুরআন কুরআনের সম্পূর্ণতা এবং বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করেছেন। إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ আমি স্বয়ং এ উপদেশ গ্রন্থ অবতারণ করেছি এবং আমি নিজেই এর সংরক্ষক। [আল কুরআন-১৫:০৯] ৪)রাসুল (সা:) এবং শিয়া বিশ্বাস রাসুল (সা:) সম্পর্কে ইমামী শিয়াদের অবমাননাকর অবস্থান আছে । রাসুল (সা: ) এবং অন্য সব নবীদের থেকে তারা তাদের ইমামদের-কে উচ্চ পদমর্যাদার অধিকারী ভাবে৭। মোল্লা মোহাম্মদ বাকী মজলিসীর মতে, ইমাম মাহদীর আগমনের (তারা বিশ্বাস করে তিনি নগ্ন অবস্থায় আসবেন) পর তার থেকে প্রথমে মুহাম্মদ (সা: ) থেকে বায়াহ গ্রহণ করবেন৮। ইমাম খোমেনী তার বই-এ রাসুল (সা: )-কে “ব্যর্থ” বলেছে। ৯ ৫) হাদিস এবং শিয়া বিশ্বাস বেশিরভাগ শিয়া, বিশেষত ইমামী শিয়ারা সহীহ ৬ টি (সহীহ সিত্তাহ) হাদিসের বইগুলোকে গ্রহণযোগ্য মনে করেন না, তাদের নিজের হাদিসের একাধিক বই আছে। প্রচলিত হাদিসের সাথে তাদের সংগৃহীত হাদিসের কোনো মিল নেই । সাহীহ হাদিস গ্রন্থগুলোর সংগ্রাহক ইমামদের প্রতি তাদের প্রবল তাচ্ছিল্য দেখা যায়. যেমন আব্দুল্লাহ আল সুবায়তী (বিখ্যাত শিয়া আলেম)ইমাম বুখারী সম্পর্কে বলেন: “সে এমন কিছু হাদীস বর্ণনা করেছে যা এতটাই অদ্ভূত এবং জঘন্য যে তা এমনকি কুসংস্কারাচ্ছন্ন বর্বরদের কিংবা সুদানী মহিলাদের জন্যও গ্রহণযোগ্য নয় । ৬ ) সাহাবীই এবং উম্মুল মু’মিনুনদের নিয়ে শিয়া বিশ্বাস সাহাবীদের প্রতি শিয়ারা অত্যন্ত অপমানজনক ধারণা পোষণ করে। তারা দাবী করে যে ৩ জন সাহাবী ( আল মিকদাদ ইবন আসাদ, আবু জহর এবং সালমান ফার্সী) ছাড়া বাকি সব সাহাবী-ই কাফির এবং সকল সাহাবী-এ রাসুল (সা:) এর মৃত্যুর পড়ে ইসলাম ত্যাগ করেন১০. যে সকল সাহাবী (এবং মুসলিম) যারা আলী (রা:) এর আগের ৩ খলিফাকে রাশিদুন-কে (আবু বকর (রা:), উমার (রা:) এবং উসমান (রা:)) স্বীকৃতি দিয়েছেন তাদের সবাইকেই শিয়ারা কাফির মনে করে। যেমন আল কুম্মীর মতে, নিচের আয়াতে “অমুক” দিয়ে উমার (রা:) কে বুঝানো হয়েছে: وَيَوْمَ يَعَضُّ الظَّالِمُ عَلَى يَدَيْهِ يَقُولُ يَا لَيْتَنِي اتَّخَذْتُ مَعَ الرَّسُولِ سَبِيلًا يَا وَيْلَتَى لَيْتَنِي لَمْ أَتَّخِذْ فُلَانًا خَلِيلً জালেম সেদিন আপন হস্তদ্বয় দংশন করতে করতে বলবে, হায় আফসোস! আমি যদি রসূলের সাথে পথ অবলম্বন করতাম। হায় আমার দূর্ভাগ্য, আমি যদি অমুককে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম। ا [আল কুরআন- ২৫:২৭-২৮] আল কুম্মী দাবি করে তালহা (রা:) এবং জুবায়ের (রা:) জান্নাতে প্রবেশ করবেন না; তার মতে নিচের আয়াত তাদেরকে উদ্দেস্য করে নাজিল হয়েছে: إِنَّ الَّذِينَ كَذَّبُواْ بِآيَاتِنَا وَاسْتَكْبَرُواْ عَنْهَا لاَ تُفَتَّحُ لَهُمْ أَبْوَابُ السَّمَاء وَلاَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ حَتَّى يَلِجَ الْجَمَلُ فِي سَمِّ الْخِيَاطِ وَكَذَلِكَ نَجْزِي الْمُجْرِمِينَ নিশ্চয়ই যারা আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলেছে এবং এগুলো থেকে অহংকার করেছে, তাদের জন্যে আকাশের দ্বার উম্মুক্ত করা হবে না এবং তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। যে পর্যন্ত না সূচের ছিদ্র দিয়ে উট প্রবেশ করে। আমি এমনিভাবে পাপীদেরকে শাস্তি প্রদান করি। [আল কুরআন- ৭-৪০] অথচ তালহা বিন উবায়দুল্লাহ এবং জুবায়ের বিন আল-আওআম হচ্ছেন সেই ১০ জন সাহাবীদের মধ্যে অন্যতম যাদেরকে রাসুল (সা:)দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন ! মোল্লা বাকরী এমনও দাবী করেছেন যে আবু বকর (রা:), উমার বিন খত্তাব (রা:), উসমান বিন আফওয়ান (রা:), মুয়াইআ (রা:) আল্লাহর শত্রু, আল্লাহর নিকৃষ্ট সৃষ্টি এবং তাদের সাথে জড়িত সকলেই কাফির ১১। শিয়ারা উম্মুল মু’মিনুন আয়েশা (রা:) কে শিয়ারা মনে-প্রাণে ঘৃনা করে এবং তার নামে জঘন্যতম মিথ্যা কুত্সা রটায়। তারা বিশ্বাস করে যে রাসুল (সা:) স্বাভাবিক মৃত্যু বরণ করেননি, বরং আবু বকর (রা:), উমার বিন খত্তাব (রা:) এর প্ররোচনায় উম্মুল মু’মিনুন আয়েশা (রা:) এবং উম্মুল মু’মিনুন হাফসা (রা:)( তাদের দুই কন্ন্যা) রাসুল (সা:) কে হত্যা করেন। ১২ লক্ষনীয়, সকল শিয়া আলেমরা এই ব্যাপারে একমত না হলেও কিন্তু অধিকাংশ শিয়া-ই আয়েশা (রা:)কে “বিশ্বাসঘাতক” ( আহলুল বায়ীত এর বিরুদ্ধে) বলে গণ্য করেন১৩। শুধু তাই নয়, শিয়াদের একটি বিশেষ “দুয়া” ও আছে, যাতে তারা আবু বকর (রা:), উমার বিন খত্তাব (রা:)কে অভিশাপ করে। এই “দুয়া”টির নাম সনমে কুরায়শ অর্থাত কুরায়্শের দুই উপাস্য. তারা এমনকি এটাও বিশ্বাস করেন যে “ইমাম” মাহ্দী আয়েশা (রা: ), আবু বকর (রা:) এবং উমার বিন খত্তাব (রা:) কে পুন:জীবিত করে শাস্তি দিবেন। (আরেকটি কুফরী চিন্তা) ১৪ . আরেকটি বর্ণনায় বলা হয় তাদেরকে ক্রুশবিদ্ধ করে মারা হবে এবং তাদের দেহ এরপরে পুড়িয়ে ফেলা হবে। ১৫,১৬ ৭) আহলুস সুন্নাহ ওয়া’আল জামাহ সম্পর্কে শিয়াদের বিশ্বাস যেকোনো ব্যক্তি, যিনি আবু বকর (রা: ) এবং উমার বিন খাত্তাব (রা: ) এর খিলাফত-কে শিকার করেন তাকেই শিয়ারা “নাসিবী” নামে ডাকে। তাদের সংজ্ঞা অনুসারে সকল আহলুস সুন্নাহ ওয়া’আল জামাহর অনুসারী-ই “নাসিবী” । মোল্লা বাকীর তার ইবিদ বই-এ বলেন: “নাসিবী-রা জারজদের থেকেই জঘন্য. আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে ঘৃণিত প্রাণী কুকুর. আর আল্লাহর চোখে নাসিবী-রা কুকরের থেকেও নোংরা।” ৮) শিয়াদের আরো কিছু ভ্রান্ত ধর্মবিশ্বাস ১) নিজের ধর্ম বিশ্বাস গোপন করা ঈমানের অংশ ।১৯ ২) প্রত্যেক নামাজের পড়ে নিজের আবু বকর (রা:), উমার বিন খত্তাব (রা:), উসমান বিন আফওয়ান (রা:), মুয়াইআ (রা:), আয়েশা (রা:), হাফসা(রা:), হিন্দ(রা:), প্রমুখকে অভিশাপ দেওয়া । ৩) নন-মুসলিম দের আওরাহ এর দিকে তাকানো গুনাহ নয়। ২১ ৪)সল্পকালীন অস্থায়ী বিয়ের অনুমোদন আছে (দেহ ব্যবসা) । ৫) বিপদের সময় আলী (রা: ) এর কাছে “ ইয়া আলী মদদ” বলে সাহায্য চাওয়া যায় । Untitled ৬)”ইমাম” মাহ্দী আরেকটি কুরআন নিয়ে আসবেন। ৭)আলী (রা: ) প্রত্যেক নবীর সাথের গোপনে “ইমাম” হিসাবে পাঠানো হয়েছে। ২২ ৮)আগা খান পৃথিবীতে আল্লাহর প্রতিভাস ( ইসমাইলী শিয়া)। ৯) রাসুল (সা: ) এর পত্নীরা তার পরিবার-এর সদস্য না। ১০) ইমামরা তাদের মা-এর জাং থেকে জন্ম গ্রহণ করেন. কারণ সাধারণ জন্ম-প্রক্রিয়া তাদের জন্য নাপাক।. ২৩ ১১)আলী (রা: ) মেরাজে গিয়েছিলেন ( রাসুল (সা: ) এর আগে) ।২৪ ১২)শিয়ারা রোজার সময় পানি পান করতে পারে ।২৫ ১৩)পায়ুমিলন হালাল ।২৬ ৯) শিয়াদের নিয়ে উলামাদের বক্তব্য ইমাম আশ-শাফী শিয়াদের থেকে হাদিস সংগ্রহের ব্যাপারে সতর্ক করে বলেছেন, যে তারা হাদীস বানায় এবং তা নিজেদের ধর্মে গ্রহণ করে। ১৭ ইমাম মালিক বলেছেন: “তাদের সাথে কথা বলনা এবং তাদের থেকে হাদীস বর্ণনা করোনা – কেননা নিশ্চয় তারা মিথ্যুক”। তিনি আরো বলেন তারা কাফির , কেননা তারা সাহাবীদের নাম শুনলে সহ্য করতে পারেনা, আর কুরআন-এ বলা আছে সাহাবারা কাফিরদের মধ্যে অন্তর্জালা তৈরী করবে । مُّحَمَّدٌ رَّسُولُ اللَّهِ وَالَّذِينَ مَعَهُ أَشِدَّاء عَلَى الْكُفَّارِ رُحَمَاء بَيْنَهُمْ تَرَاهُمْ رُكَّعًا سُجَّدًا يَبْتَغُونَ فَضْلًا مِّنَ اللَّهِ وَرِضْوَانًا سِيمَاهُمْ فِي وُجُوهِهِم مِّنْ أَثَرِ السُّجُودِ ذَلِكَ مَثَلُهُمْ فِي التَّوْرَاةِ وَمَثَلُهُمْ فِي الْإِنجِيلِ كَزَرْعٍ أَخْرَجَ شَطْأَهُ فَآزَرَهُ فَاسْتَغْلَظَ فَاسْتَوَى عَلَى سُوقِهِ يُعْجِبُ الزُّرَّاعَ لِيَغِيظَ بِهِمُ الْكُفَّارَ وَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ مِنْهُم مَّغْفِرَةً وَأَجْرًا عَظِيمًا মুহাম্মদ আল্লাহর রসূল এবং তাঁর সহচরগণ কাফেরদের প্রতি কঠোর, নিজেদের মধ্যে পরস্পর সহানুভূতিশীল। আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় আপনি তাদেরকে রুকু ও সেজদারত দেখবেন। তাদের মুখমন্ডলে রয়েছে সেজদার চিহ্ন । তওরাতে তাদের অবস্থা এরূপ এবং ইঞ্জিলে তাদের অবস্থা যেমন একটি চারা গাছ যা থেকে নির্গত হয় কিশলয়, অতঃপর তা শক্ত ও মজবুত হয় এবং কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে-চাষীকে আনন্দে অভিভুত করে-যাতে আল্লাহ তাদের দ্বারা কাফেরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের ওয়াদা দিয়েছেন। [আল কুরআন- ৪৮ :২৯] ইমাম আবু জুর’আহ আর রাজী বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাসুলের কোনো সাহাবী-কে অপমান করে, নিশ্চয় সে অবিশ্বাসী. ইমাম আলুসী বলেন, নিশ্চয় তারা শয়তানের অনুসারী, এবং তারা বায়েত আহলুল নয়। মাউলানা আবুল আ-লা মউদুদী বলেন, “ তারা কুফরীর মধ্যে আছে” । ১৮ সমসাময়িক আলেম এবং দায়ী’দের মধ্যে শেইখ নাসিরুদ্দিন আলবানী,শেইখ আব্দুল আজিজ ইবন বাজ, শেইখ আন-নাশিবী, মুফতী রিয়াজউদ্দিন ( দারুল উলম, দেওবন্দ), নাজিম মুহাম্মদ মুর্তজা আহসান ( দারুল উলম, দেওবন্দ), ড: বিলাল ফিলিপস, ড: জাকির নায়েক সহ আরো অনেকেই শিয়াদের অমুসলিম বলেছেন। ১০ ) পরিশেষ কাউকে অপমান করা, অথবা আঘাত দেওয়া এ লেখাটির লক্ষ্য না, বরং শিয়াদের বই,তাদের নেতা/আলেম এবং তাদের সোর্স থেকে শিয়াবাদের প্রকৃতরূপ এবং ইসলামের সাথে তাদের সুস্পষ্ট ফারাক তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য। কোনো ব্যক্তি বা দল যদি নিজেকে শিয়া পরিচয় দেয়, কিন্তু কুফরী আচরণ এবং ভ্রান্ত আকীদা না মানে ( যেমন জায়দী শিয়ারা)তাহলে তার ক্ষেত্রে উলামাদের উপরের বক্তব্যগুলো প্রযোজ্য না. (শেইখ ড: মুহাম্মদ সালেহ)। এর একটি উদাহরণ হচ্ছে জায়দী/ইয়ামেনি শিয়া। তাদের আকীদা আহলুস-সুন্নাহ-ওয়া’আল জামাহর মতোই, তবে তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি (খিলাফা সংক্রান্ত) কারণে তাদের শিয়া বলা হয়া। ইমামী শিয়ারা জায়দী-দের শিয়া বলে স্বীকৃতি দেয়না। এ লেখা থেকে কারো কোনো উপকার হলে, তার প্রশংসা নিশ্চয় আল্লাহর. এ লেখায় কোনো ভুল-ত্রুটি থাকলে সেটা আমার সীমাবদ্ধতা। ———————————————————–x———————————————————– Bibliography 1) The Faith Of Shi’a Islam by Muhammad Rida Muzaffar 2) Kitab Al Kafi ( শিয়াদের “হাদীস” সমকক্ষ বই) 3) Al-hukumah islamiyyah by “Imam” Khomeini 4) 12th imam has powers just like Allah says shia priest "12th imam says BE and it is" 5) Jila-ul-Ayoun, Vol. No. 2 6) Shia Mazhab Haq Hai, Vol. No. 2 7) Kitab Al Kafi ( শিয়াদের “হাদীস” সমকক্ষ বই) 8) Al-hukumah islamiyyah by “Imam” Khomeini 9) Haqqul Yaqeen, A Compendium of Twelver Shia Religious Beliefs by Allamah Muhammad Baqir al-Majlisi, Translated by Sayyid Athar Husain S.H. Rizvi 10) Ittihad wa-yak-jihati:15 11) a. Haqqul Yaqeen, A Compendium of Twelver Shia Religious Beliefs by Allamah Muhammad Baqir al-Majlisi, Translated by Sayyid Athar Husain S.H. Rizvi b. Hayat-ul-Quloob c. Quran Majeed by Maqbool Hussain Dehlevi 12) Haqqul Yaqeen, A Compendium of Twelver Shia Religious Beliefs by Allamah Muhammad Baqir al-Majlisi, Translated by Sayyid Athar Husain S.H. Rizvi 13) Yasir Habib: Scandal : Aisha killed the Prophet Muhammad !! Chapter 1 14) Tadhkirat al-a’immah by Allamah Muhammad Baqir al-Majlisi 15) Haqqul Yaqeen, A Compendium of Twelver Shia Religious Beliefs by Allamah Muhammad Baqir al-Majlisi, Translated by Sayyid Athar Husain S.H. Rizvi 16) Basair-ud-Darajat 17) Minhaj as-Sunnah an-Nabawiyyah 18) Ar-Riddah bain al-Ams wa al-Yaum 19) a. Tafseer al-Askari b. Kitab Al Kafi ( শিয়াদের “হাদীস” সমকক্ষ বই) 20) Haqqul Yaqeen, A Compendium of Twelver Shia Religious Beliefs by Allamah Muhammad Baqir al-Majlisi, Translated by Sayyid Athar Husain S.H. Rizvi 21) Kitab Al Kafi ( শিয়াদের “হাদীস” সমকক্ষ বই) 22) ‘Fayd al-Kāshānī’s Walāya, Todd Lawson, Reason and Inspiration in Islam 23) Ahsan-ul-Muqaal, Vol. 1 24) Dewan-e-Jil Ehzan 25) Fatwa Sistani 26) Fatwa Sistani 27) Tafseer of Saafi 28) Tafseer of Al-Ayyashi 29) a. Al Shafi, Vol. 2 b. Usool Kaafi, Vol. 2 30) Quran Majeed by Hakeem Syed Maqbool 31) Haqqul Yaqeen, A Compendium of Twelver Shia Religious Beliefs by Allamah Muhammad Baqir al-Majlisi, Translated by Sayyid Athar Husain S.H. Rizvi
বিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী কোন ধর্মের?
বিসমিল্লাহ্ ভ্যারাইটিজ স্টোর | 12:30am 16/05/21
উনি সনাতন ধর্মাবলম্বী। পুরো নাম সুচিন্ত চৌধুরী চঞ্চল। আমি অবশ্য ওনাকে এখনো মুকুল নামেই চিনে থাকি। মুকুল ওনার সিসিমপুরের ডাক নাম।
বিস্তারিত পড়ুন
ফিলিস্তিনে মুসলিম ছাড়াও কি অন্য কোন ধর্মের মানুষ বাস করে?
বিসমিল্লাহ্ ভ্যারাইটিজ স্টোর | 12:29am 16/05/21
ফিলিস্তিনে বসবাসরত সকল মানুষকে ইসরায়েলের কাছ থেকে পরিচয় পত্র নিতে তাদের ধর্ম নিবন্ধিত করতে হয়। সে হিসেবে, ৯৮% সুন্নি মুসলিম বাকি ২% অন্যান্য ধর্মাবলম্বী। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে খ্রিস্টান ধর্মালম্বী সবচেয়ে বেশি। ২০১৩ সালের শুমারী অনুযায়ী ৫২,০০০ জন খ্রিস্টান ধর্মালম্বী গাজা এবং এর আশেপাশে বসবাস করে। ফিলিস্তিনে মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের মধ্যকার সম্পর্ক সম্মান এবং ভাতৃত্বের। এছাড়াও অল্প সংখ্যক ইহুদি বাস করে। ফিলিস্তিনি মুসলমানদের সাথে ফিলিস্তিনি ইহুদিদের মধ্যকার সম্পর্কও যথেষ্ট ভালো।
বিস্তারিত পড়ুন

সাম্প্রতিক পণ্য

2017 © 2021 eibbuy. All Rights Reserved.
Developed By Takwasoft